logo

১৫ ডিগ্রিতে নামল পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

১৫ ডিগ্রিতে নামল পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা
হেমন্তের সকালে ঘন কুয়াশা ভেদ করে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে মোটরসাইকেল। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ঋতুপরিক্রমায় এখন হেমন্তকাল। শীতকাল আসতে আরও মাসখানেক সময় বাকি থাকলেও উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে হেমন্তের শুরুতেই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। দিনের বেলা রোদের প্রখরতা তীব্র থাকলেও বেলা গড়িয়ে বিকেল হতেই শীতের অনুভূতি শুরু হয়। সন্ধ্যার পর থেকে বইতে থাকে হিমেল হাওয়া। রাত যত গভীর হয়, শীতের অনুভূতি তত বাড়তে থাকে। এই শীতের আমেজ থাকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। তবে বেলা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করে দিনের তাপমাত্রা এবং দিনভর থাকে সূর্যের প্রখর রোদ। এভাবেই হেমন্তের দিনগুলো পার করছে প্রকৃতি।

বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যার পর রাত যত গভীর হতে থাকে, জেলায় কুয়াশার পরিমাণও বাড়তে থাকে। রাতভর কুয়াশার পর ভোরে এর ঘনত্ব আরও বেড়ে যায়। তবে সূর্যের আলো ভূপৃষ্ঠে পড়ার পরপরই কুয়াশা কমতে শুরু করে।

মঙ্গলবার (আজ) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এর আগে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে গতকাল সোমবার বিকেল ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইজিবাইকচালক আজিজুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক দিন ধরে শীতের আমেজ অনেকটা বাড়ছে। কিছুদিন আগেও অতটা শীত ছিল না। এখন সকালবেলা ইজিবাইক নিয়ে বের হলে হালকা শীতের কাপড় নিতে হয়। সকালবেলা গাড়ি চালাতে বেশ কষ্ট হচ্ছে।

পঞ্চগড় শহরের বাসিন্দা মকছেদুল ইসলাম বলেন, পুরোদমে শীত আসতে আরও ২০-২৫ দিন বাকি আছে। তবে তার আগেই শীতের অনুভূতি কড়া নাড়ছে। সন্ধ্যার পরে হালকা কাপড় না পরে মোটরসাইকেল চালানো যায় না। রাতে পাতলা কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমাতে হয়। ফ্যান চালানো তো ১০-১৫ দিন আগেই বন্ধ করে দিয়েছি।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েক দিন ধরে আকাশে মেঘ না থাকায় হিমালয়ের ঠান্ডা বাতাসে জেলায় তাপমাত্রার পারদ কমছে। শীত পড়তে শুরু করেছে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর এ অঞ্চলে বৃষ্টিবলয় কেটে গেলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে।