বোর্ডে সেরা দশে, জেলায় শীর্ষে, লেকার্স স্কুল ভাসছে উল্লাসে

শতভাগ পাস কিংবা জিপিএ-৫-এ বড় সাফল্য–সারা দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এই কৃতিত্ব অর্জন করে থাকে। কিন্তু সেটা যদি হয় ভিন্ন মাত্রায়; যেমন পুরো বোর্ডের মধ্যে সেরা দশে জায়গা করে নেওয়া এবং আশপাশের জেলার মধ্যে সবার উপরে অবস্থান, তাহলে উল্লাসের মাত্রাটাও বেশি হওয়া স্বাভাবিক।
এবারের মাধ্যমিক ও সমমান পীক্ষার ফল প্রকাশের পর তেমন উল্লাসে ভাসছেন রাঙামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলে বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৬১ জন শিক্ষার্থী। সবাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯ জন; যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩৬.৬৪ শতাংশ।
এই কৃতিত্বের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সেরা দশের মধ্যে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে। রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে অবস্থান রয়েছে শীর্ষে। এমন খবর জেনে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে নেমে আসে আনন্দের ঢল।
সাফল্য উদযাপনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেয় শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান, কঠোর পরিশ্রম ও পরিবারের সহযোগিতাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থী জুঁই চাকমা বলেন, আমাদের শিক্ষকরা পড়াশোনার ক্ষেত্রে সব সময় আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। পরিবার থেকেও পেয়েছি সর্বোচ্চ সহযোগিতা। নিজেদের পরিশ্রম, শিক্ষক ও পরিবারের সহযোগিতার ফলে আমরা আজকের এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি।
শিক্ষক তুষার কান্তি দাশ বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি তাদের নিয়মিত পাঠদান, একাডেমিক তদারকি এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার কারণে ভালো ফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।
বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মেজর মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে প্রথম এবং চট্টগ্রাম বোর্ডে ষষ্ঠ স্থান অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
.png)


