logo

স্বামীকে আটকে রেখে গার্মেন্টস কর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

স্বামীকে আটকে রেখে গার্মেন্টস কর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
শ্রীপুর থানা। ছবি: এশিয়া পোস্ট

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীকে আটকে রেখে এক গার্মেন্টস কর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফারুক ও নয়নের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে আসামি করে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। ওই পোশাক কর্মীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরেই পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করে। তবে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দেওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন সিলেট জেলার কোতোয়ালি থানার মাজারখানা এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. ফারুক (৩২) এবং শ্রীপুরের গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের মৃত সুলতান মুন্সির ছেলে নয়ন (১৯)। আসামিদের মধ্যে ফারুক বর্তমানে শ্রীপুরের ধনুয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকার আক্তার হোসেন দোলনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পোশাক কর্মী তার স্বামীর সঙ্গে শ্রীপুরের নয়নপুর গ্রামের একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগীর স্বামীকে ডেকে নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখেন আসামি ফারুক। এরপর আসামি নয়ন ওই পোশাক কর্মীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরের কক্ষে নিয়ে যায়। এ সময় ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে নয়ন তার মুখ চেপে ধরে এবং একপর্যায়ে মেঝেতে ফেলে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ফারুক এসে একইভাবে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় বাইরে পাহারায় থাকা অন্য দুই অজ্ঞাত যুবকও তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর ভুক্তভোগী নারী শ্রমিককে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।