logo
এশিয়া পোস্টে সংবাদ প্রকাশ

সেই ঝুপড়ি ঘরে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার ১০০ ইয়াবা

সেই ঝুপড়ি ঘরে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার ১০০ ইয়াবা
নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ভীমপুর গ্রামের বেদেপল্লিতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ছবি : এশিয়া পোস্ট

‘মাদক কারবারির’ ঝুপড়ি ঘরে এসি, নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা’ শিরোনামে এশিয়া পোস্টে সংবাদ প্রকাশের পর নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ভীমপুর গ্রামের বেদেপল্লিতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা, এসির রিমোট ও সিসি ক্যামেরা ছাড়া অন্য কোনো অবৈধ কিছু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এশিয়া পোস্টে বেদেপল্লির একটি ঝুপড়ি ঘরে এসি ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে মাদক কারবারের নজরদারির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৪ জুন) বিকেলে চাটখিল থানা-পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় ঘরটিতে কাউকে পাওয়া যায়নি। তল্লাশি চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবা, একটি সিসি ক্যামেরা ও মাদকসেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হলেও বড় ধরনের কোনো মাদকের চালান বা বিক্রির সরঞ্জাম পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, অভিযানের আগেই আস্তানাটির লোকজন সতর্ক হয়ে যায়। ফলে সম্ভাব্য সব আলামত সরিয়ে ফেলার সুযোগ পেয়েছে তারা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের কার্যক্রম চলে আসছে এবং এ বিষয়ে প্রশাসনের আরও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বাসিন্দা বলেন, এলাকায় নিয়মিত বহিরাগতদের আনাগোনা দেখা যায়। একটি সাধারণ ঝুপড়ি ঘরে কেন ব্যয়বহুল শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, এর প্রকৃত উদ্দেশ্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গভীর অনুসন্ধান চালানো উচিত।

এ বিষয়ে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, অভিযানের মাধ্যমে বিপুল আলামত উদ্ধার না হলেও অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত ববিতাকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি, তাকে পাওয়া গেলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসত। তাদের কার্যক্রম নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভীমপুর বেদেপল্লির একটি ঘরকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ববিতা আক্তার সুমাইয়া নামের ওই নারীর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।