logo

ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ কলেজে পাস করেনি কেউ

ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ কলেজে পাস করেনি কেউ
সালন্দর মহিলা মহাবিদ্যালয়। ছবি : এশিয়া পোস্ট

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ের ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছে সবাই।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর মহিলা কলেজের ৭ জন এবং কদমরসুল হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৯ জন পরীক্ষার্থী।

এ ছাড়া বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২ জন, মোড়লহাট জনতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১ জন এবং বগুলাবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেনি।

অন্যদিকে, পীরগঞ্জ উপজেলার একটিয়াপুর শহীদ সালাউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন, রাণীশংকৈল উপজেলার ধুলঝাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন, গোগড় কলেজের ২ জন এবং রাউতনগর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

সব মিলিয়ে জেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, এবার জেলায় পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৩ শতাংশ। মোট ৯ হাজার ৮৫৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৪ হাজার ৪৩৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৮ জন।

এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) ঠাকুরগাঁওয়ের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে একধরনের অলসতা তৈরি হয়েছিল, যা এখনো রয়ে গেছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে আসক্তিও রয়েছে। শতভাগ পাস নিশ্চিত করতে হলে আগে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি ও পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আখতার বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত নয়; কাগজে-কলমে টিকে রয়েছে। তবে ফল বিপর্যয়ের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হবে। কী কারণে ফলাফলে বিপর্যয় ঘটেছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।