logo

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা ও এমপি আজিজকাণ্ডে দলের ভেতর ক্ষোভ

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা ও এমপি আজিজকাণ্ডে দলের ভেতর ক্ষোভ
নাটোরে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান। ছবি: এশিয়া পোস্ট

নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলা ও নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের নৈতিক স্খলনের অভিযোগে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে চিঠি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ। এমন অভিযোগ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলীয় নেতারা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে শহরের বড়হরিশপুর বাইপাসে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদসহ অন্য নেতারা।

আসাদ সাংবাদিকদের বলেন, গুরুদাসপুরে পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে এবং দুই দফায় ৫ দিনের রিমান্ড নেয়। এ ঘটনার পরদিন এমপি আব্দুল আজিজের একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় গত ৩০ অক্টোবর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি একটি জরুরি বৈঠক করা হয়। বৈঠকে ৩৬ সদস্যের মধ্যে ২৩ সদস্য উপস্থিত হন।

তিনি বলেন, সভায় এমপি আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে সিদ্ধান্ত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ ওই সভার রেজুলেশন এখন পর্যন্ত কেন্দ্রে পাঠাননি। বার বার তাকে এই ব্যাপারে বললে আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ গত ১ নভেম্বর কেন্দ্রে কোনো সিদ্ধান্ত বা রেজুলেশন পাঠাবেন না বলে জানিয়ে দেন।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপির এক অংশের নেতারা বলেন, শাকিল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে এমপি আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি দ্রুত কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে উপস্থাপনের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান খান বাবুল চৌধুরী, মিজানুল হক ডিউক, নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।