কেশবপুর প্রেসক্লাবে হামলা-ভাঙচুর, আহত চার সাংবাদিক হাসপাতালে ভর্তি

যশোরের কেশবপুর প্রেসক্লাবে হামলা, ভাঙচুর ও সাংবাদিকদের মারধরের খবর পাওয়া গেছে। হামলায় আহত চারজন সাংবাদিককে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কেশবপুর প্রেসক্লাবে এ ঘটনা ঘটে
আহতরা হলেন, ইত্তেফাকের প্রতিনিধি আশরাফুজ্জামান, লোক সমাজ পত্রিকার প্রতিনিধি জয়দেব চক্রবর্তী, দৈনিক কল্যাণের প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ ও সময়ের খবরের প্রতিনিধি জাহিদ হাসান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে সাংবাদিকরা নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। দুপুরে একদল ব্যক্তি প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়ান। একপর্যায়ে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধর এবং ক্লাবের ভেতরে ভাঙচুর করা হয়।
হামলার পর প্রেসক্লাবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেখানে ৫১ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিতে কেশবপুর প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক দিনকালের প্রতিনিধি মাহাবুর রহমানকে আহ্বায়ক, হারুন আর রশিদকে সদস্য সচিব এবং উপজেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডাবলুকে সদস্য করা হয়েছে।
হামলায় আহত সাংবাদিক জাহিদ হাসান বলেন, বহিরাগতরা প্রেসক্লাবে এসে আমাদের ওপর হামলা ও মারধর শুরু করে। কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।
কেশবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশরাফউজ জামান বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বহিরাগতদের নিয়ে মব তৈরি করে জোরপূর্বক প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের কয়েকজনকে ক্লাবের ভেতরে আটকে রাখা হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডাবলুর ফোনে কল দেওয়া হয়। তিনি কল রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে একটি বিরোধ চলছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। আমরা দুই পক্ষকে থানায় আসতে বলেছি। দুই পক্ষের সঙ্গে বসে আলোচনা করা হবে।
ওসি বলেন, হামলার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এমন ঘটনা ঘটলে কেউ অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ থানায় অভিযোগ দিতে আসেনি।
