Advertisement

হবিগঞ্জে পাসের হার ৫৫.৪ শতাংশ

এশিয়া পোস্ট নিউজ, হবিগঞ্জ
হবিগঞ্জে পাসের হার ৫৫.৪ শতাংশ
হবিগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

হবিগঞ্জে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ। এ বছর জেলার ৯টি উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১৫ হাজার ৭৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৮ হাজার ৭২৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭১ জন।

Advertisement

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত হবিগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের ফলাফল বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলার মধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় পাসের হার সর্বোচ্চ ৭৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। এ উপজেলায় ৬৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোট ২ হাজার ৮৪৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১ হাজার ৮০৩ জন পাস করেছে। এ উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে সর্বোচ্চ ২৪১ জন। পাসের হার ৬৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।

মাধবপুর উপজেলায় ২ হাজার ২৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৪০৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৩ জন। এ উপজেলায় পাসের হার ৬১ দশমিক ৯১ শতাংশ।

লাখাই উপজেলায় ৫৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩৭ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন। পাসের হার ৬১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

চুনারুঘাট উপজেলায় ২ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৩৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৪ জন। এ উপজেলায় পাসের হার ৫৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

এছাড়া বাহুবলে ৫৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আজমিরীগঞ্জে ৫২ দশমিক ৩৭ শতাংশ, নবীগঞ্জে ৪৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং বানিয়াচংয়ে ৪৫ দশমিক ১৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

এদিকে, ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় হবিগঞ্জ জেলায় মোট ৩ হাজার ২০৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৭১৩ জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় জেলার মোট ১ হাজার ১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় মোট ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। ফলাফল দেখার পর বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় তারা।

জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী তাকওয়া দীন সাইফ জানান, ভালো ফলাফল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত পড়াশোনা করেছি। শিক্ষক ও পরিবারের সহযোগিতা পেয়েছি। ভবিষ্যতে ভালো একটি বিষয়ে পড়াশোনা করে বাবা-মা ও দেশের জন্য কিছু করতে চাই।

হবিগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদা নাজমীন এশিয়া পোস্টকে বলেন, শুধু জিপিএ-৫ নয়, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক শিক্ষার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফলফলে অপেক্ষাকৃত কম নাম্বার পাওয়া শিক্ষার্থীদের হতাশ না হয়ে ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিষয় :