রাঙামাটিতে সাঁজোয়া যান চলাচল নিয়ে পুলিশের ব্যাখ্যা

রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাংলাদেশ পুলিশের সাঁজোয়া যান বা আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি) চলাচল নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। বাহিনীটি জানায়, এপিসি চলাচল নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) শহরের মারী স্টেডিয়াম ও হাসপাতাল সড়কের পাশে পুলিশের সাঁজোয়া যানগুলোর অবস্থান দেখা যায়।
যানগুলোর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শহরে বড় এসব যান দেখে নানা ধরনের গুজব ডালপালা মেলতে শুরু করে।
বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে জরুরি তথ্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পুলিশ। এতে বলা হয়, পার্বত্য এলাকায় সাঁজোয়া যান মোতায়েনের খবরটি সঠিক নয়। মূলত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পাঠানোর আগে পুলিশ সদস্যদের প্রাক-প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে এসব এপিসি রাঙামাটিতে আনা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের অংশ হিসেবে পুলিশের নির্দিষ্ট কন্টিনজেন্টকে পার্বত্য এলাকার বিশেষ ভৌগোলিক পরিবেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১৫ দিন রাঙামাটির বিভিন্ন স্থানে এই যানগুলো দিয়ে নির্ধারিত প্রশিক্ষণ চলবে। কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আনুমানিক দুই সপ্তাহের মধ্যে এপিসিগুলো ঢাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
কোনো ধরনের যাচাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসম্পূর্ণ, বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব প্রচার না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে সঠিক তথ্য জেনে তা প্রচার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রাঙামাটির পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুর রকিব এশিয়া পোস্টকে বলেন, রাঙামাটিতে যানগুলো প্রশিক্ষণের জন্য আনা হয়েছে। সাজেক, আরশি নগর, পুলিশ লাইন্সসহ শহরের বেশ কিছু এলাকায় প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমদের আহ্বান থাকবে মানুষ যেন গুজবে কান না দেয়।


