ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ড/পরীক্ষার্থী বেশি ছাত্র, পাস ও জিপিএ-৫ দুটোতে এগিয়ে ছাত্রীরা

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীয় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যায় এগিয়ে ছাত্ররা। তবে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা।
সোমবার (১০) জুলাই প্রকাশিত ফল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিন সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর এনামুল হক। এ বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ময়মনসিংহ বোর্ডে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৮৭৭ জন। ছাত্রীর সংখ্যা ৫১ হাজার ১৫১ জন।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬০ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ২৮ হাজার ৩৭২ জন। ছাত্রীর সংখ্যা ৩১ হাজার ৯০২ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ছাত্রীদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যায়ও ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে আছে। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৩ হাজার ৭৯ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬২১ জন।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রয়েছে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলা। এ চারটি জেলার মোট ১ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এ বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
জেলাভিত্তিক ফলে দেখা যায়, এ বছর পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে নেত্রকোনা জেলা। নেত্রকোনায় পাসের হার ৬০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। পাসের হারে দ্বিতীয় ময়মনসিংহ জেলা। ময়মনসিংহে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে থাকা জামালপুর জেলার পাসের হার ৫৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। পাসের হারে চতুর্থ স্থানে থাকা শেরপুর জেলায় পাস করেছে ৫৫ দশমিক ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থী।
বিভাগভিত্তিক ফল থেকে আরও জানা যায়, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। মানবিকে এ হার ৪৬ দশমিক ১২ শতাংশ আর ব্যবসায় শিক্ষায় ৪৮ দশমিক ৯৯ শতংশ। চলতি বছর ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এনামুল হক বলেন, বিগত বছরগুলোতে পড়াশোনা খুব কম করেও ভালো ফল করত শিক্ষার্থীরা। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনাবিমুখ হয়ে পড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে এ বছরের ফলে। তবে এ অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আগামীতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।
.png)


