logo

মেঘনায় ট্রলারডুবি: ৩ সন্তানের পর মিলল বাবার মরদেহ

মেঘনায় ট্রলারডুবি: ৩ সন্তানের পর মিলল বাবার মরদেহ
(বাঁয়ে) মেঘনায় ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা হেলাল উদ্দিনের মরদেহ অবশেষে উদ্ধার এবং ঘটনার পর মারিখালী নদে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান (ডানে)। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় একই পরিবারের নিখোঁজ চার সদস্যের মধ্যে তিন সন্তানের পর এবার বাবা হেলাল উদ্দিনের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ একই পরিবারের চারজনেরই মরদেহ উদ্ধার হলো।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার মারিখালী নদের রতনপুর এলাকা থেকে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, দুপুরে নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এই ঘটনার উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হলো।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা জেলার হোমনা সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৩ জন যাত্রী গরু-ছাগলসহ ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা হন। বিকেলে ট্রলারটি সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।

ট্রলারডুবির পর পরই কাছাকাছি থাকা আরেকটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। এ সময় আটজনকে জীবিত এবং রায়েসা বেগম (৪০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তবে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমন্দি এলাকার হেলাল উদ্দিন, তার বড় ছেলে সজীব (২৪), মেয়ে সামিয়া (১৭) ও ছোট ছেলে সামিন (৫) এই চারজন নিখোঁজ থাকেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

দুর্ঘটনার দুদিন পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর মেঘনা নদী থেকে হেলাল উদ্দিনের তিন সন্তান সজীব, সামিয়া ও সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে নিখোঁজ ছিলেন পরিবারের কর্তা হেলাল উদ্দিন নিজেই। অবশেষে সোমবার দুপুরে মারিখালী নদের রতনপুর এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে উদ্ধার কাজ শেষ করে ফায়ার সার্ভিস।