logo
Advertisement

ফেনীতে কাভার্ডভ্যান-বাস সংঘর্ষে নিহত ৪ জনের পরিচয় শনাক্ত

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ,ফেনী
ফেনীতে কাভার্ডভ্যান-বাস সংঘর্ষে নিহত ৪ জনের পরিচয় শনাক্ত
দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও কাভার্ডভ্যান। ছবি : এশিয়া পোস্ট কোলাজ

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ও বাসের সংঘর্ষে নিহত চারজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বাসের চালক, সুপারভাইজার, কাভার্ডভ্যানের চালক ও একটি লরির চালক রয়েছেন।

Advertisement

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পুরাতন মুহুরীগঞ্জের দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন ইউনিক বাসের চালক ঢাকার কেরানীগঞ্জের মীরবাগ এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন (৬২), বাসের সুপারভাইজার ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গোসাইডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মো. শামীম হোসেন (৫৫), কাভার্ডভ্যান চালক চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল আজিজ (৭১) এবং লরি চালক ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা মো. হোসেন (২৮)।

ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটের দিকে মহাসড়কে একটি কাভার্ডভ্যান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দাঁড়িয়ে ছিল। সেটি সরানোর জন্য একটি লরি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ডভ্যানটির সঙ্গে সংযুক্ত করার কাজ করছিল। এ সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ইউনিক সার্ভিসের একটি বাস দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ডভ্যান, লরি ও বাসের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

খবর পেয়ে ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আরও একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় চারজনে।

পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে স্বজন ও বাস মালিকপক্ষ ফেনী সদর হাসপাতালে গিয়ে মরদেহগুলো শনাক্ত করেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু নোমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহতদের স্বজন ও বাস মালিকপক্ষ ফেনী সদর হাসপাতালে আসেন। তারা মরদেহ শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।