logo
Advertisement

বরগুনায় জমি নিয়ে দুই ঘণ্টা সংঘর্ষ, আহত ২০

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ
আমতলী, বরগুনা
বরগুনায় জমি নিয়ে দুই ঘণ্টা সংঘর্ষ, আহত ২০
সংঘর্ষে আহতরা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি। ছবি : এশিয়া পোস্ট

বরগুনার আমতলীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা বিরোধপূর্ণ জমিতে চাষাবাদ কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে উপজেলার ছোট নীলগঞ্জ গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোট নীলগঞ্জ এলাকার আবুল হোসেন গাজী ও রুস্তম হাওলাদারের মধ্যে তিন একর জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ওই জমি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রুস্তম হাওলাদার তার পক্ষের লোকজন নিয়ে ওই জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে আবুল হোসেন গাজীর পক্ষের লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে দুপক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খোকন, সোহেল মোল্লা, জলিল গাজী, আখিনুর, রুস্তম হাওলাদার ও মাহবুবুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত আবুল হোসেন গাজী অভিযোগ করে বলেন, আমার পৈতৃক জমিতে রুস্তম হাওলাদার লোকজন নিয়ে জোর করে চাষাবাদ করতে আসেন। বাধা দিলে আমার পক্ষের ১৩ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। ওই জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

অন্যদিকে রুস্তম হাওলাদারের ছেলে পাশা হাওলাদার বলেন, জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে আবুল হোসেন গাজী ও তার লোকজন বাধা দেন। এতে আমাদের পক্ষের সাতজন আহত হয়েছেন।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. লুনা বিনতে হক বলেন, আহত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।