logo
Advertisement

সড়কে পড়ে ছিল স্বাস্থ্যকর্মীর লাশ, গলায় কাটা দাগ

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ,টাঙ্গাইল
সড়কে পড়ে ছিল স্বাস্থ্যকর্মীর লাশ, গলায় কাটা দাগ
আওয়াল শফিক। ছবি: এশিয়া পোস্ট

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার একটি সড়ক থেকে আওয়াল শফিক (৪০) নামের এক স্বাস্থ্য সহকারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তার গলায় কাটা দাগ ছিল।

Advertisement

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন।

এর আগে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সখীপুর–বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আওয়াল শফিক উপজেলার বোয়ালী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি যাদবপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কেন্দ্রে যান আওয়াল শফিক। সেখানে দায়িত্ব পালনের পর দুপুর ১২টার দিকে নিজ মোটরসাইকেলে নলুয়া বাজারে ফিরছিলেন। বেলা পৌনে একটার দিকে স্থানীয় লোকজন নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে শনাক্ত করেন এবং পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন এশিয়া পোস্টকে বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়াল শফিকের মরদেহ দেখতে পান। তার মাথার এক পাশ থেঁতলে যায় এবং গলায় কাটা দাগ ছিল। মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে পড়ে থাকলেও সেটি অক্ষত ছিল। আশপাশে কোনো ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আলামত দেখা যায়নি।

ঘটনার পর গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। পাশাপাশি তিনি আওয়ালের বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। এ সময় আওয়ালের স্বজনেরা মন্ত্রীর কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। তারা দাবি করেন, দুর্ঘটনায় মারা গেলে গলায় কাটা দাগ কোথা থেকে এলো। তা ছাড়া আওয়ালের সঙ্গে অনেকের বিরোধ ছিল। পরে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। সরেজমিন তদন্তের পর এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।