ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন তিনজন

জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ শূন্য আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও রাষ্ট্রপতির ভাই মির্জা ফয়সল আমিনসহ তিনজন। অপর দুই প্রার্থী হলেন—জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ এবং সহসভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস (নম্র) চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার সংগৃহীত মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর দলীয় কার্যালয়ে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেবে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকার গঠনের পর তিনি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দপ্তর এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলে সংবিধান অনুযায়ী আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর পয়গাম আলী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলাকার মানুষ অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারকে নির্বাচিত করেছিলেন। তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়েছে। এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিনের বিকল্প নেই। তবে দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, আমরা তার হয়েই কাজ করব।
অন্যতম মনোনয়নপ্রত্যাশী ওবায়দুল্লাহ মাসুদ বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে জেলার সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের মহাসচিব রাষ্ট্রপতি হওয়ায় এই আসনটি শূন্য হয়েছে। এবার আমি দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী। দল আমাকে সমর্থন দিলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।
মনোনয়ন ফরম নেওয়ার পর ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহসভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস (নম্র) চৌধুরী বলেন, আমার বাবা ইদু চৌধুরী মন্ত্রী ছিলেন এবং আমি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। এবার ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চাইছি। আশা করি দল পরিবারতন্ত্রের বাইরে এসে আমাকে মূল্যায়ন করবে। নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনকে একটি ‘রোড মডেল’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ মির্জা ফয়সল আমিন ইতিপূর্বে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।


