হিট প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে যোগ দিলেন অধ্যাপক রাকিবুল হক

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস (এমআইএস) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ে কপিরাইট অফিস ভবনে হিট প্রকল্পের কার্যালয়ে বিদায়ি প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামানের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।
এ সময় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, হিট প্রকল্প দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের অন্যতম বড় প্রকল্প। এটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে উচ্চশিক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।
নানা কারণে প্রকল্পের কাজ দেরিতে শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা অর্থবহভাবে শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান। প্রকল্পের মেয়াদ না বাড়িয়েও নির্ধারিত পাঁচটি উপাদানের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার ও ইউজিসির পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হিট প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগ্গিরই এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে তিনি আশা করেন। প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনায় ইউজিসি তদারকি জোরদার করেছে বলেও জানান তিনি।
প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তন হলেও বাস্তবায়নের গতি যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। তিনি নতুন প্রকল্প পরিচালককে নির্ধারিত লক্ষ্য সামনে রেখে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রায় চার হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের উচ্চশিক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউজিসির সক্ষমতাও প্রমাণিত হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
গত ১৯ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক অফিস আদেশে পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হককে প্রেষণে এ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই আদেশে অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।


