এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই সাবজেক্টে যারা অকৃতকার্য হবে, তাদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেখানেই মাহদী আমিন এ কথা জানান।
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত দশ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
মাহদী আমিন বলেন, পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করার কারণ হলো আমাদের শিক্ষার্থীদের যেন একটা বছর ঝরে না পড়ে এবং তারা যেন তাদের পছন্দের সাবজেক্টে ভর্তি হতে পারে, ফারদার অ্যাডুকেশনে যেতে পারে বা অল্টারনেটিভ যদি কারও কোনো ডিফারেন্ট ট্র্যাকে মনোনিবেশ করতে ইচ্ছা হয়, সে যেন করতে পারে। কর্মক্ষেত্রে আমরা একটা সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করব। যারা এইচএসসি পাস করেছে কিংবা যারা হয়তো সেভাবে ভালো রেজাল্ট করেনি, তাদেরকে কীভাবে আমরা কারিগরি শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বা অল্টারনেটিভ প্রোভাইড করতে পারি, উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, তার জন্য ডিফারেন্ট পাথওয়ে নিয়ে আমরা সরকারের সব মন্ত্রণালয় মিলে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করব।
সবার উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন আছে, বিষয়টি তা নয় জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, সবাইকে যে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে, বিষয়টি তা নয়। প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধা, মননশীলতা এবং সৃজনশীলতার বিকাশের জন্য যেই সাবজেক্টে তার ক্যারিয়ার করতে ভালো লাগে, রাষ্ট্র তাকে সে ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেবে।
কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, আমরা চাই প্রত্যেকেই যার যার কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়, সেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং হোক, মেডিকেল হোক বা ট্র্যাডিশনাল ইউনিভার্সিটিতে নিজের পছন্দের সাবজেক্টগুলোতে পড়াশোনা করতে পারে।


