logo

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ছবি: এশিয়া পোস্ট গ্রাফিকস

সারা দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আর্ট এক্সিবিশন আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ট্যালেন্ট স্পোর্টস লিমিটেড ‘আর্ট বাংলাদেশ’-এর ব্যানারে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) মাউশির উপপরিচালক (শারীরিক শিক্ষা) অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলামেই সই করা এক চিঠিতে এ অনুমতি দেওয়া হয়। চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে মাউশি জানিয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রদর্শনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ট্যালেন্ট স্পোর্টস লিমিটেড। শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার জন্য চিত্রাঙ্কন এবং তাদের সুপ্তপ্রতিভা বিকাশে এ এক্সিবিশন সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে আর্ট এক্সিবিশন কার্যক্রম বাস্তবায়নে ট্যালেন্ট স্পোর্টস লিমিটেডকে নির্দেশক্রমে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি শর্তও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, আয়োজিত কার্যক্রমের জেলাভিত্তিক প্রতিবেদন ‘আর্ট বাংলাদেশ’-এর পরিচালককে প্রতি তিন মাস পরপর মাউশির শারীরিক শিক্ষা বিভাগে দাখিল করতে হবে।

চিঠির সঙ্গে আর্টপেপারের চাহিদাপত্র ও বর্ণিত কার্যক্রমের নিয়মাবলি সংযুক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক, উপপরিচালক (মাধ্যমিক) ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কার্যক্রমের আওতায় আর্ট পেপার বিতরণ: ক্লাসভিত্তিক শিক্ষার্থীদের আর্ট পেপার বিতরণ করা হবে। চিত্রাঙ্কনের বিষয় হবে শিক্ষার্থীরা যেকোনো বিষয়ের ওপর চিত্রাঙ্কন করতে পারবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বসে অথবা বাসায় থেকে চিত্রাঙ্কন করে নির্ধারিত শিক্ষকের কাছে জমা দিতে হবে।

আর্ট পেপার সংগ্রহ: আর্ট বাংলাদেশ টিম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আর্ট পেপার সংগ্রহ করতে হবে।

প্রতিযোগীদের চিত্রাঙ্কন মূল্যায়ন: শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কনগুলো মূল্যায়ন করা হবে। উত্তীর্ণদের মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। শুধু এসএমএস পাওয়া শিক্ষার্থীরা এক্সিবিশনে অংশ নেওয়ার জন্য ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে পারবে। নিবন্ধন করা শিক্ষার্থীরা আর্ট প্রদর্শনী করা হবে এবং ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

পুরস্কার বিতরণ: প্রতিটি জেলায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হবে।

এক্সিবিশন: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০-এর জাতীয় চিত্রশালা ভবনের গ্যালারিসমূহে আর্ট এক্সিবিশন অনুষ্ঠিত হবে। এক্সিবিশনের তারিখ ও সময় এসএমএস প্রদানের মাধ্যমে জানানো হবে।

ইন্টারন্যাশনাল আর্ট এক্সিবিশনে স্কলারশিপ প্রদান: সকল জেলার আর্টিস্টদের মধ্য থেকে ১০০ জনকে শতভাগ বৃত্তি (স্কলারশিপ) দিয়ে তাদের আর্টগুলো পাঁচটি দেশে এক্সিবিশন করা হবে।