logo
Advertisement

‘৪ কোটি মানুষকে সাক্ষরতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আরও কার্যকর করতে হবে’

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
‘৪ কোটি মানুষকে সাক্ষরতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আরও কার্যকর করতে হবে’
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: এশিয়া পোস্ট

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশে এখনও বিপুল জনগোষ্ঠী প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতা ও কার্যকর শিক্ষার আওতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও ফলাফলভিত্তিক করতে হবে। তিনি বলেন, সকল শিশু বিদ্যালয়ে থাকবে, প্রত্যেক শিশু নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা পাবে এবং এমন দক্ষতা অর্জন করবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে, যা সংখ্যার হিসাবে প্রায় চার কোটির কাছাকাছি একটি বিশাল জনগোষ্ঠী। এর একটি বড় অংশ প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী। একই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী অনেক শিশুও এখনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। তাই এই জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও দক্ষতার মূলধারায় ফিরিয়ে আনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। তাই সংখ্যার বিচারে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোকে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও ক্ষমতায়িত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না। আমরা চাই, একজন শিশু শুধু শিক্ষিত হবে না, সে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে।

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।