জেন-জি হৃদয় জয় করল ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’

জেনারেশন জেড বা ‘জেন-জি’ তরুণদের বিনোদনমাধ্যম হিসেবে প্রথাগত টেলিভিশন বা সিনেমা হলের চেয়ে ইউটিউব, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরতা বেশি। সেই জেন-জি প্রজন্মের মন জয় করে নিল ইমতিয়াজ আলীর ইতিহাসনির্ভর কমেডি ড্রামা ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’।
বর্তমান সময়ের দর্শক যখন পর্দায় বাস্তবসম্মত এবং আবেগঘন গল্পের খোঁজ করছেন, ঠিক তখনই মুক্তির পর বাজিমাত করল রোমান্স ও সংগীতে ভরপুর হিস্টোরিক্যাল কমেডি ড্রামা ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’। দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত হলেও ভালোবাসা, নিজের অস্তিত্বের খোঁজ আর ঘরের টানের মতো চিরন্তন আবেগগুলো ছুঁয়ে গেছে বর্তমান প্রজন্মের (জেন-জি) তরুণ-তরুণীদের।
সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে এখন সিনেমাটি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। ইমতিয়াজ আলীর সিগনেচার ঘরানার আবেগ আর গল্প বলার জাদুতে মুগ্ধ সব বয়সের দর্শক। যারা দেশভাগের যন্ত্রণা সশরীরে দেখেছেন বা প্রবীণ সেনানি, তাদের পাশাপাশি তরুণ সমাজও সিনেমাটিকে ইমতিয়াজের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
সিনেমাটি দেখে এক আবেগাপ্লুত দর্শক সামাজিকমাধ্যমে লেখেন—‘সিনেমা শেষ হওয়ার পরও কেউ সিট থেকে ওঠেনি। সবার চোখে ছিল জল। নাসিরুদ্দিন শাহ্, বেদাং রায়না আর এআর রহমানের মিউজিকের জন্য এটি বড় পর্দায় দেখাই শ্রেয়।’
অন্য এক দর্শকের মতে, ঘৃণা ও বিভেদের এই চড়া সময়ে এর চেয়ে সময়োপযোগী এবং সুন্দর সিনেমা আর হতে পারত না। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে পরিচালক যেভাবে আধুনিক মনস্তত্ত্বে রূপ দিয়েছেন, তা তরুণদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।
উইন্ডো সিট ফিল্মসের ব্যানারে মোহিত চৌধুরী ও শিবাশীষ সরকার এবং বিরলা স্টুডিওজ ও অ্যাপ্লজ এন্টারটেইনমেন্ট যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে। টিপস মিউজিকের সুরেলা গান, অনবদ্য অভিনয় আর শক্তিশালী 'মাউথ পাবলিসিটি'র ওপর ভর করে সিনেমাটি এখন প্রেক্ষাগৃহে দাপটের সঙ্গে চলছে। চমৎকার এই সাড়া প্রমাণ করল—আবেগের গল্প কোনো বয়সের ফ্রেমে বাঁধা পড়ে না।
.png)

