Advertisement

ওষুধ সংরক্ষণের সংকট কাটছে, তৈরি হচ্ছে বিশাল ‘ফার্মা গ্রেড’ ওয়্যারহাউস

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
ওষুধ সংরক্ষণের সংকট কাটছে, তৈরি হচ্ছে বিশাল ‘ফার্মা গ্রেড’ ওয়্যারহাউস
আধুনিক ‘ফার্মা গ্রেড ওয়্যারহাউস’ নির্মাণের উদ্যোগ। ছবি: এশিয়া পোস্ট

দেশের স্বাস্থ্যপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও ওষুধ সংরক্ষণ অবকাঠামো আরও জোরদার করতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে একটি আধুনিক ‘ফার্মা গ্রেড ওয়্যারহাউস’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (সিএমএসডি) প্রাঙ্গণে নতুন এই স্থাপনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সিএমএসডি, জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা কার্যালয় (ইউএনওপিএস) এবং গ্লোবাল ফান্ডের যৌথ অংশীদারিত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্বাস্থ্যসামগ্রী নিরাপদ, দক্ষ এবং মানসম্মতভাবে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দেশের বিদ্যমান অবকাঠামোগত ঘাটতি পূরণে এই ফার্মা গ্রেড ওয়্যারহাউসটি বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত ওয়্যারহাউসটির আয়তন হবে প্রায় ১৪ হাজার বর্গফুট এবং এতে থাকবে প্রায় ১ লাখ ঘনফুট সংরক্ষণ সক্ষমতা। ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য সংরক্ষণের আধুনিক মানদণ্ড, ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ এবং আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুসরণ করে এটি নির্মিত হবে। ভবনটিতে আধুনিক বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, উন্নত এইচভিএসি (HVAC) এবং স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত থাকবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানসম্মত ও নিরাপদ সংরক্ষণ অবকাঠামোয় বিনিয়োগের মাধ্যমেই দেশের স্বাস্থ্যপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা সম্ভব। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সারা দেশে জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত হবে।

তিনি আরও জানান, জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির মূল অবকাঠামো জোরদার করার অংশ হিসেবেই নতুন এই ওয়্যারহাউস নির্মিত হচ্ছে। এটি পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে যেকোনো সংকটে আরও টেকসই ও স্থিতিস্থাপক করে তুলবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, গ্লোবাল ফান্ডের সিনিয়র ফান্ড পোর্টফোলিও ম্যানেজার কিউ কুই, ইউএনওপিএস বাংলাদেশের অফিসার ইন চার্জ ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার নামিরা বসনজাকসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সহযোগী সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।