logo

লেভেল পাল্টে ৪ টাকার ওষুধ ৪০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ

লেভেল পাল্টে ৪ টাকার ওষুধ ৪০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ

অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রতারক চক্র তিন থেকে চার টাকা দামের ডায়াজিপাম ইনজেকশনের অ্যাম্পুলে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা মূল্যের ন্যালবুফিনের লেবেল লাগিয়ে তা বাজারজাত করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ধরনের প্রতারণার তথ্য তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক মোশিউর রহমান মজুমদার। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘মাত্রাতিরিক্ত লাভের আশায় ডায়াজিপামের অ্যাম্পুলে নেলবুফিনের লেভেল লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। যেখানে ডায়াজিপামের দাম ৩-৪ টাকা, সেখানে নেলবুফিন মার্কেট আউট হবার কারণে ২০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে!’

তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু ওষুধ দীর্ঘদিন ধরেই বাজারে নেই, যেমন- মেথারস্প্যান বাজারে নেই ২ বছরের বেশি হয়ে গেলো! অথচ এটি বাচ্চা প্রসবকালীন মায়েদের জীবন রক্ষাকারী একটি ওষুধ। কারও কোনো উদ্দ্যোগ নেই ওষুধগুলো মার্কেটে আনার। এই সুযোগে অসাধু ব্যাবসায়ীরা ভেজাল ওষুধ কিংবা এক ওষুধের লেভেল উঠিয়ে অন্য ওষুধের লেভেল লাগিয়ে বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে! কি ভয়ংকর ব্যাপার।’

এই চিকিৎসক বলেন, ‘বাজারে মনিটরিং দুর্বল থাকায় বিপদে পড়ছে সাধারণ মানুষ আর ডাক্তাররা। কে জানে কোন ওষুধের বোতলে কোন ওষুধের লেভেল লাগানো!  মানুষ অসুস্থ হচ্ছে, মারা যাচ্ছে, বুঝতেও পারছে না কেন হচ্ছে, কীভাবে হচ্ছে। যেমন হয়েছিল ভেজাল হ্যালোথেনের কারণে, মুসলমানি করতে যাওয়া বাচ্চার মৃত্যু!’

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, সামান্য ২০০/৩০০ টাকার জন্য মানুষ মেরে ফেলতেও চিন্তা করছে না। কি আজব অবস্থা।

ন্যালবুফিন ইনজেকশন অপারেশনের পর তীব্র ব্যথা উপশম, প্রসবকালীন ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও গুরুতর আঘাত বা ট্রমার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, জরুরি অবস্থায় স্নায়ু শান্ত করা, খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীকে প্রশমিত করতে ডায়াজিপাম ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়।