logo

মস্তিষ্ককে সচল রাখার ১১ সহজ অভ্যাস

মস্তিষ্ককে সচল রাখার ১১ সহজ অভ্যাস

আমরা শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের কথা ভাবি, কিন্তু মস্তিষ্কের যত্ন অনেক সময়ই উপেক্ষিত থেকে যায়। অথচ মস্তিষ্কও সক্রিয় রাখতে চায় নতুন অভিজ্ঞতা আর ছোট ছোট চ্যালেঞ্জ। 

ভালো দিক হলো, এর জন্য কঠিন কিছু করার দরকার নেই। দৈনন্দিন জীবনের সহজ কিছু অভ্যাসই মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ১১টি কার্যকর উপায়।

পছন্দের কোনো আগ্রহ গড়ে তুলুন : নতুন কিছু শেখা বা কোনো বিষয়ে গভীর আগ্রহ তৈরি করা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। ভাষা শেখা, বই পড়া বা সংগ্রহের শখ গড়ে তোলা ভালো একটি অভ্যাস।

এক পায়ে দাঁড়ানোর অভ্যাস : দাঁত ব্রাশ করার সময় এক পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। এতে শরীরের ভারসাম্য বাড়ে এবং মস্তিষ্ক ও শরীর একসঙ্গে কাজ করে।

পাঁচটি ইন্দ্রিয় একসঙ্গে ব্যবহার করুন : রান্না বা অন্য কোনো কাজের সময় গন্ধ, রঙ, শব্দ ও স্পর্শ সবকিছু অনুভব করার চেষ্টা করুন। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্রম বাড়ে।

রুটিনে ছোট পরিবর্তন আনুন : প্রতিদিন একই কাজ বা একই পথ ব্যবহার না করে মাঝে মাঝে নতুন কিছু করুন। নতুন রাস্তা বা ভিন্ন পরিবেশ মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করে।

পেছনের দিকে হাঁটা : সতর্কভাবে বাড়ির ভেতরে ধীরে ধীরে উল্টো দিকে হাঁটতে পারেন। এটি ভারসাম্য উন্নত করে এবং মস্তিষ্ককে নতুনভাবে কাজ করতে শেখায়।

চুইংগাম চিবানো : চুইংগাম চিবালে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কিছুটা বাড়তে পারে। এতে মনোযোগ ও শেখার ক্ষমতা উন্নত হতে পারে।

গুনগুন করে গান গাওয়া : হালকা গলায় গান গাওয়া বা গুনগুন করা মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে এবং মন ভালো করতে সাহায্য করে।

মনে করে মানচিত্র আঁকা : নিজের পরিচিত জায়গার মানচিত্র কাগজে আঁকার চেষ্টা করুন। এতে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়ে।

অন্য হাত ব্যবহার করা : যে হাতে অভ্যস্ত নন, সেই হাতে ছোট কাজ করার চেষ্টা করুন। এতে মস্তিষ্ক নতুনভাবে সক্রিয় হয়।

চোখ বন্ধ করে কিছু কাজ করা : গোসলের সময় অল্প সময়ের জন্য চোখ বন্ধ রেখে সাবান বা শ্যাম্পু ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারেন। এতে স্পর্শ অনুভূতি বাড়ে। তবে নিরাপত্তা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

পড়ার ধরনে পরিবর্তন আনুন : কখনও উচ্চস্বরে পড়ুন বা ভিন্ন পরিবেশে পড়ার চেষ্টা করুন। এতে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ একসঙ্গে কাজ করে।

সব মিলিয়ে, এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো নিয়মিত করলে মস্তিষ্ক আরও সক্রিয়, মনোযোগী এবং সতেজ থাকতে পারে। খুব বেশি সময় বা পরিশ্রম ছাড়াই নিজের ব্রেনকে ফিট রাখা সম্ভব।