logo

সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে নতুন করে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে বরিশালে দুজন, ময়মনসিংহে একজন ও সিলেটে একজন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) থেকে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত চার শিশুর মৃত্যু হয়।

বরিশালের শের–ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ও শনাক্তের পর ১৪ রোগীর মৃত্যু হলো।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৬৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগী ১১০ জন। এ নিয়ে চলতি বছর এই বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৯০ রোগী। তাদের মধ্যে ৫৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২ এপ্রিল ভর্তি করা হয় নগরের জামতলা মোড় এলাকার মো. রনি ও আরিফা আক্তারের ছেলে আবদুল্লাহকে (৩)। শিশুটি আরও কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে ২০ শিশু ময়মনসিংহ মেডিকেলের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৪৪ শিশুকে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ২৬২ শিশু। মৃত্যু হয়েছে ১০ শিশুর। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭২ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ২৩ শিশু।

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে এক দিনের ব‌্যবধানে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির নাম দিব‌্য (৭ মাস)। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিআইসিইউতে (পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। তবে শিশু‌টির ঠিকানা প্রকাশ করে‌নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হলো।