logo

অজুর পর যে দোয়া পড়লে জান্নাতের ৮ দরজা খুলে যায়

অজুর পর যে দোয়া পড়লে জান্নাতের ৮ দরজা খুলে যায়
নামাজের আগে অজু করা ফরজ। ছবি: পিক্সেলস

নামাজের আগে অজু করা ফরজ। অজু ছাড়া নামাজ হয় না। এতে সওয়াব পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, যখন তোমরা নামাজের জন্য প্রস্তুত হবে, তখন তোমাদের মুখ ও হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করবে এবং মাথা মাসেহ করবে আর পা টাখনু (গ্রন্থি) পর্যন্ত ধৌত করবে।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত: ৬)

অজুর ফরজ চারটি। যথা- সমস্ত মুখ ধোয়া, উভয় কান কনুইসহ ধোয়া, গোড়ালিসহ দুই পা ধৌত করা ও মাথার চার ভাগের এক ভাগ মাসাহ (পানি দিয়ে স্পর্শ) করা। এই চারটির কোনো একটা বাদ পড়লে অজু হবে না। পরিপূর্ণভাবে এই চার কাজ করলে অজু হয়ে যায়।

অজুর শুরুতে ও অজুর সময়ে প্রতিটি অঙ্গ ধোয়ার সময় প্রচলিত কিছু দোয়া আছে। এগুলো পড়া আবশ্যকীয় নয়। তবে পড়লে সওয়াব হয়। হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও সাহাবিরা পড়েছেন।

অজুর পর এমন একটি দোয়া পড়ার কথা হাদিসে এসেছে, যে দোয়া পড়লে ব্যক্তির জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে যায়। তার ইচ্ছামতো যে কোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন অজু করে, আর সে পূর্ণরূপে সুন্দর করে অজু করে, এরপর সে দোয়াটি পাঠ করে, তাহলে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হয়। সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছে, প্রবেশ করতে পারবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩৪৫)

দোয়াটি হলো-

أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

উচ্চারণ: ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাসক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর বান্দা ও রাসুল। হে আল্লাহ, আপনি আমাকে তওবাকারী এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

আমরা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ নানা কারণে অজু করি। অজুর পর ছোট্ট এ দোয়াটি পড়া যেতে পারে।