logo
Advertisement

রাসুলুল্লাহ (সা.) কি গরমের সময় ঠান্ডা পানি খেতেন

আরিফুল ইসলাম
রাসুলুল্লাহ (সা.) কি গরমের সময় ঠান্ডা পানি খেতেন
আরবিতে ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ ওয়া আলি মুহাম্মদ’ লেখা এবং সবুজ গম্বুজ। ছবি: পিন্টারেস্ট

গরমের মধ্যে প্রায় সবারই ঠান্ডা পানি খেতে মন চায়। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগে তো ফ্রিজ ছিল না। তিনি কি গরমের সময় ঠান্ডা পানি খেতে চাইতেন?

Advertisement

আবুল হায়সাম ইবনে তাইয়িহান (রা.) নামে একজন আনসার সাহাবি ছিলেন। ‘জাসিম’ নামে তার একটি কূপ ছিল। এই কূপের পানি ছিলো ঠান্ডা এবং সুমিষ্ট। প্রচণ্ড গরমের সময় কেউ ঠান্ডা পানি খেয়ে তৃষ্ণা মেটাতে চাইলে ‘জাসিম’ কূপের পানি খেত।

এক গরমের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) আবুল হায়সাম (রা.)-এর বাড়ি গেলেন। সঙ্গে ছিলেন আবু বকর (রা.)।

বাড়িতে গিয়ে আবুল হায়সামকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আবুল হায়সান, ঠান্ডা পানি আছে?’ আবুল হায়সাম মহানবীর (সা.) আগ্রহ দেখে তোড়জোড় শুরু করলেন। কী সৌভাগ্য, মহানবী (সা.) তার বাড়িতে ঠান্ডা পানি খেতে এসেছেন।

তিনি এক বালতি বরফের মতো ঠান্ডা পানি নিয়ে আসেন। ছাগলের দুধের সঙ্গে ঠান্ডা পানি মেশান। বিভিন্ন ধরনের খেজুর আর প্লেটভর্তি সারিদ (গোশতের ঝোলে টুকরো টুকরো করে ভেজানো রুটি দিয়ে তৈরি খাবার) নিয়ে মহানবীর সামনে হাজির হন।

দুপুরবেলা বিশ্রাম নেওয়ার জন্য আবুল হায়সাম (রা.)-এর একটি ছাউনি ছিল। এই ছাউনিতে বসলে পর্যাপ্ত বাতাস আসে, ঠান্ডা পরিবেশ। মহানবী (সা.) তাঁর প্রিয় সাহাবিকে নিয়ে ঠান্ডা পানি, খেজুর, সারিদ খান। ছাউনির নিচে বিশ্রাম নেন। (বালাজুরি, আনসাবুল আশরাফ, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৫৩৫)