logo

সুসংবাদ পেলে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)

সুসংবাদ পেলে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)
সবুজ গম্বুজ এবং আরবিতে লেখা ‘মুহাম্মাদ’। ছবি: পিন্টারেস্ট

সুখ-দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন। সুখে-দুখে সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে। কারণ সুখ-দুঃখ দেওয়ার মালিক আল্লাহ। তিনি কখনো বান্দাকে সুখ দেন। কখনো দুঃখ দিয়ে পরীক্ষা করেন অথবা মর্যাদায় উন্নীত করেন। ভালো সংবাদে যেমন আল্লাহর প্রশংসা করা কর্তব্য, তেমনি দুঃখজনক বিষয়েও তাঁরই কাছে আত্মসমর্পণ করা জরুরি। তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা প্রয়োজন।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) সব সময় সব বিষয়ে আল্লাহ তাআলার মুখাপেক্ষী হতেন। তাঁর কাছে সাহায্য চাইতেন। দুঃখের সংবাদ পেলে তিনি যেমন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেন, তেমনি সুখের সংবাদ পেলে তাঁর শুকরিয়া আদায় করতেন। দোয়া করতেন।

আনন্দের সংবাদ পেলে তিনি পড়তেন-

الحمدُ للَّهِ الَّذي بنعمتِه تتمُّ الصَّالحاتُ

উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহ আল্লাজি বিনিমাতিহি তাতিম্মুস সালিহাতু।

অর্থ: সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যার নেয়ামতের মাধ্যমে ভালো কাজগুলো সম্পন্ন হয়।

অপছন্দ বা দুঃখের সংবাদ শুনেও দোয়া পড়ার কথা রয়েছে। দোয়াটি হলো-

الْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ

উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল।

অর্থ: সব প্রশংসা সব অবস্থায় মহান আল্লাহর জন্য।

আয়েশা (রা.) বলেন, পছন্দনীয় কোনো কিছু দেখলে রাসুলুল্লাহ (সা.) (উল্লিখিত প্রথম) দোয়াটি পড়তেন। অপছন্দনীয় কিছু দেখলে (উল্লিখিত দ্বিতীয়) দোয়াটি পড়তেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩৮০৩)

এ ছাড়াও খুশির সংবাদে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা, শুকরিয়ার সেজদা করা বা দুই রাকাত শুকরিয়ার নামাজ পড়া সুন্নত।

রায়হান রাশেদ

সম্পাদনা

রায়হান রাশেদ

সহ-সম্পাদক | এশিয়া পোস্ট