logo

গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের বাবার আপসনামায় কী আছে

গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের বাবার আপসনামায় কী আছে
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীর জামিনে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন মৃত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

গাজী নজরুলের আইনজীবী মিফতাহুর রহমান জানিয়েছেন, মামলার বাদীপক্ষের সঙ্গে আসামি পক্ষের একটি আপস-মীমাংসা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে হাজির হয়ে আসামিদের পক্ষে হলফনামা দেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

আপসনামায় বলা হয়েছে, মরিয়ম ছিলেন গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। বিয়ের পর গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের সঙ্গে মরিয়ম হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সংসার করে আসছিলেন।

আপসনামা অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে ঢাকায় নিজ বাসভবনে মরিয়ম আত্মহত্যা করেন। পরে গাজী নজরুলের ফোন পেয়ে বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে বাসায় মেয়ের আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারেন বাবা। মেয়ের জামাইয়ের বাসায় ঘটনা ঘটায় সন্দেহের বশে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করেন মরিয়েমের বাবা।

এতে আরও বলা হয়, আসামি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমের জামিন মঞ্জুর হলে বাদীপক্ষের বা পরিবারের কোনো সদস্যের কোনো আপত্তি থাকবে না। দুই আসামি জামিন পেলে উভয়পক্ষ সৌহার্দ্যপূর্ণ ও পারিবারিক সম্পর্ক বজায় রাখতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাবে।

বিচারাধীন মামলায় উভয় পক্ষ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলে আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে বলা হয়েছে, উভয় পক্ষ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে এবং কারও প্ররোচনা ছাড়া আপসনামায় স্বাক্ষর করেছে।

২৯ সেপ্টেম্বর আপসনামাটি নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সত্যায়িত করা হয়েছে।