শরীরচর্চার আড়ালে থেকে যায় যে ঝুঁকিগুলো

জিমে নিয়মিত শরীরচর্চা করা, পেশি তৈরি করা এবং শক্তিশালী শরীর গড়ে তোলা নিঃসন্দেহে ভালো অভ্যাস। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অল্প বয়সী কিছু বডিবিল্ডারের আকস্মিক মৃত্যু নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এত শক্তিশালী ও ফিট দেখতে মানুষও কেন হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন? কেন কারও কারও মৃত্যু হচ্ছে ৩০ বা ৪০ বছর বয়সেই?
২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি বড় গবেষণায় ২০০৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ২০ হাজারের বেশি পুরুষ ক্রীড়াবিদকে নিয়ে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষণায় ১২১ জনের মৃত্যু শনাক্ত করা হয়। তাঁদের মধ্যে ৭৩ জনের মৃত্যু ছিল আকস্মিক এবং ৪৬ জনের মৃত্যু আকস্মিক হৃদ্যন্ত্রজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। বর্তমানে প্রতিযোগিতায় থাকা বডিবিল্ডারদের মধ্যে এমন মৃত্যুর গড় বয়স ছিল প্রায় ৩৫ বছর। পেশাদার বডিবিল্ডারদের ঝুঁকি অপেশাদারদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
তবে এর মানে এই নয় যে বডিবিল্ডিং নিজেই প্রাণঘাতী। বরং অতিরিক্ত শারীরিক চাপ, অস্বাভাবিক মাত্রায় পেশি বাড়ানোর চেষ্টা, কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধের অপব্যবহার, শরীরের পানিশূন্যতা এবং আগে থেকে থাকা হৃদ্রোগের মতো একাধিক বিষয় একসঙ্গে ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
পেশি বড় হলেই কি হৃদ্যন্ত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে।
নিয়মিত ব্যায়াম করলে হৃদ্যন্ত্রও কিছুটা শক্তিশালী ও অভিযোজিত হয়। ক্রীড়াবিদদের হৃদ্যন্ত্রের কিছু পরিবর্তন স্বাভাবিক শারীরিক অভিযোজনের অংশ হতে পারে।
কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় পেশি বাড়ানোর চেষ্টা এবং বিশেষ করে কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধের অপব্যবহারে হৃদ্যন্ত্রের গঠনে ক্ষতিকর পরিবর্তন হতে পারে। কিছু গবেষণায় অল্প বয়সে মারা যাওয়া বডিবিল্ডারদের হৃদ্যন্ত্রের আকার বড় হওয়া এবং বাম নিলয়ের পেশি অস্বাভাবিকভাবে মোটা হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ বাইরে থেকে শরীর যত শক্তিশালী দেখায়, ভেতরের হৃদ্যন্ত্র সব সময় ততটা সুস্থ থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগ: অ্যানাবলিক স্টেরয়েড
বডিবিল্ডিংয়ের সঙ্গে অ্যানাবলিক অ্যান্ড্রোজেনিক স্টেরয়েডের ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। এগুলো কৃত্রিমভাবে টেস্টোস্টেরনের প্রভাব তৈরি করে এবং দ্রুত পেশি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
সমস্যা হলো, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ ব্যবহার করলে হৃদ্যন্ত্র ও রক্তনালির ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। গবেষণায় উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বির ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, হৃদ্যন্ত্রের পেশি মোটা হয়ে যাওয়া এবং হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতার পরিবর্তনের সঙ্গে অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের অপব্যবহারের সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
এমনকি অল্প বয়সী বডিবিল্ডারদের আকস্মিক হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও চিকিৎসাবিজ্ঞানে নথিভুক্ত হয়েছে।
স্টেরয়েড কীভাবে হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে?
বিষয়টি একাধিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।
অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের অপব্যবহার রক্তচাপ বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে রক্তে ভালো ও খারাপ কোলেস্টেরলের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতাও বাড়তে পারে।
দীর্ঘদিন ব্যবহারে হৃদ্যন্ত্রের পেশি অস্বাভাবিকভাবে মোটা হয়ে যেতে পারে। আবার হৃদ্যন্ত্রের পেশিতে ক্ষত বা ফাইব্রোসিস তৈরি হতে পারে। এসব পরিবর্তনের ফলে হৃদ্যন্ত্রের স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে বিপজ্জনক অনিয়মিত হৃদ্স্পন্দন তৈরি হতে পারে।
ফলে বাইরে থেকে একজন মানুষকে অত্যন্ত ফিট দেখালেও ভেতরে তার হৃদ্যন্ত্র ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে।
শরীরচর্চা কি তাহলে বিপজ্জনক?
না। এখানে ভুল ধারণা তৈরি করা উচিত নয়। নিয়মিত শরীরচর্চা হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সমস্যা হয় যখন শরীরচর্চার লক্ষ্য সুস্থ থাকা থেকে বদলে যায় যত দ্রুত সম্ভব অস্বাভাবিক বড় পেশি তৈরি করা, প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া বা শরীরের স্বাভাবিক সীমার বাইরে যাওয়ার চেষ্টায়।
বিশেষ করে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণের সঙ্গে যদি স্টেরয়েড, বিভিন্ন কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধ বা অন্যান্য পদার্থ যুক্ত হয়, তখন ঝুঁকি অনেক বেড়ে যেতে পারে।
২০২৫ সালের বডিবিল্ডারদের ওপর করা গবেষণায়ও পেশাদারদের আকস্মিক হৃদ্যন্ত্রজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি অপেশাদারদের তুলনায় বেশি পাওয়া গেছে।
সব আকস্মিক মৃত্যু কিন্তু স্টেরয়েডের কারণে নয়
এটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অল্প বয়সী কোনো বডিবিল্ডারের মৃত্যু হলেই স্টেরয়েডকে দায়ী করা ঠিক নয়। শরীরচর্চা করা মানুষের মধ্যেও জন্মগত বা আগে থেকে থাকা হৃদ্রোগ থাকতে পারে।
তরুণ ক্রীড়াবিদদের আকস্মিক মৃত্যুর অন্যতম কারণ হতে পারে হাইপারট্রফিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি, যেখানে হৃদ্যন্ত্রের পেশি অস্বাভাবিকভাবে মোটা হয়ে যায়। আবার জন্মগতভাবে হৃদ্যন্ত্রের রক্তনালির গঠনে সমস্যা থাকলেও আকস্মিক মৃত্যু হতে পারে।
তাই বডিবিল্ডারের মৃত্যু বিশ্লেষণ করতে হলে তাঁর ওষুধের ব্যবহার, পারিবারিক ইতিহাস, হৃদ্যন্ত্রের অবস্থা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হয়।
অতিরিক্ত ব্যায়াম ও শরীরের ওপর চাপ
বডিবিল্ডিংয়ের প্রশিক্ষণ সাধারণ ব্যায়ামের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হতে পারে। প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতে কেউ কেউ দীর্ঘ সময় কঠোর প্রশিক্ষণ করেন এবং একই সঙ্গে খাবারের পরিমাণ ও পানির গ্রহণে বড় ধরনের পরিবর্তন আনেন।
বিশেষ করে প্রতিযোগিতার আগে শরীরের চর্বি খুব কমিয়ে পেশি আরও স্পষ্ট দেখানোর চেষ্টা করা হয়। এই সময় পানিশূন্যতা, ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া বা অতিরিক্ত শারীরিক চাপ তৈরি হলে হৃদ্যন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়তে পারে।
তবে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা ছাড়া শুধু অতিরিক্ত ব্যায়াম ছিল বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
হৃদ্যন্ত্র বড় হওয়া কি সব সময় ভালো?
ক্রীড়াবিদদের হৃদ্যন্ত্রে কিছু অভিযোজন স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু অস্বাভাবিকভাবে হৃদ্যন্ত্রের পেশি মোটা হয়ে গেলে সেটি সমস্যা তৈরি করতে পারে।
অল্প বয়সে মারা যাওয়া কয়েকজন বডিবিল্ডারের ময়নাতদন্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা বড় হৃদ্যন্ত্র এবং বাম নিলয়ের পেশি মোটা হওয়ার মতো পরিবর্তন পেয়েছেন।
২০২৫ সালের বড় গবেষণাতেও আকস্মিক হৃদ্যন্ত্রজনিত মৃত্যুর ঘটনাগুলোর যেসব ময়নাতদন্তের তথ্য পাওয়া গেছে, সেখানে হৃদ্যন্ত্রের আকার বড় হওয়া ও নিলয়ের পেশি মোটা হওয়ার বিষয়টি ধারাবাহিকভাবে দেখা গেছে।
তবে সব ধরনের হৃদ্যন্ত্রের পেশি বৃদ্ধি একই কারণে হয় না। তাই চিকিৎসকের মূল্যায়ন ছাড়া শুধু হৃদ্যন্ত্র বড় হয়েছে শুনে সেটিকে রোগ বলা যায় না।
রক্তের কোলেস্টেরলেও পরিবর্তন আসতে পারে
অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ব্যবহারের আরেকটি সমস্যা হলো রক্তে চর্বির ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।
ভালো কোলেস্টেরল কমে যাওয়া এবং খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার মতো পরিবর্তন হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এসব পরিবর্তন হৃদ্রোগ ও রক্তনালির সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
তাই শুধু শরীরের মাপ বা আয়নায় পেশির গঠন দেখে একজন বডিবিল্ডার কতটা সুস্থ, তা বোঝা যায় না।
কেন অনেক সময় আগেই বোঝা যায় না?
এটাই সবচেয়ে উদ্বেগের জায়গা।
একজন মানুষ নিয়মিত জিম করেন, ভালো খাবার খান এবং বাইরে থেকে খুব ফিট দেখান। ফলে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ মনে করতে পারেন।
কিন্তু কিছু হৃদ্রোগ দীর্ঘদিন কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই থাকতে পারে। আবার কেউ বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্টকে অতিরিক্ত ব্যায়ামের স্বাভাবিক ফল ভেবে এড়িয়ে যেতে পারেন।
তাই বিশেষ করে উচ্চমাত্রার শরীরচর্চা বা প্রতিযোগিতামূলক বডিবিল্ডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শরীরের সতর্ক সংকেতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
কোন লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না?
শরীরচর্চার সময় বা পরে নিচের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত-
- বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব করা
- অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট
- বারবার বুক ধড়ফড় করা
- মাথা ঘোরা
- অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি
- ব্যায়ামের সময় অস্বাভাবিক দুর্বল হয়ে পড়া
- ব্যায়ামের পরও দীর্ঘ সময় হৃদ্স্পন্দন অস্বাভাবিক থাকা
এসব লক্ষণ থাকলে শুধু প্রশিক্ষণের মাত্রা কমিয়ে না দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
বিশেষ করে ব্যায়ামের সময় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
পারিবারিক ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ
পরিবারে অল্প বয়সে আকস্মিক মৃত্যু, হৃদ্রোগ বা জন্মগত হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার ইতিহাস থাকলে বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো উচিত।
কারণ কিছু হৃদ্রোগ বংশগত হতে পারে এবং কঠিন শারীরিক পরিশ্রমের সময় তা প্রকাশ পেতে পারে। তরুণ ক্রীড়াবিদদের আকস্মিক মৃত্যুর গবেষণায় এমন কাঠামোগত হৃদ্রোগের গুরুত্ব বহু বছর ধরেই উঠে এসেছে।
তাহলে নিরাপদ বডিবিল্ডিং কীভাবে সম্ভব?
পেশি তৈরি করতে গিয়ে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
প্রথমত, প্রশিক্ষণ নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী হওয়া উচিত। ধীরে ধীরে ওজন ও প্রশিক্ষণের মাত্রা বাড়ানো ভালো।
দ্বিতীয়ত, অজানা উৎসের পেশি বাড়ানোর ওষুধ, স্টেরয়েড বা ইনজেকশন ব্যবহার করা উচিত নয়।
তৃতীয়ত, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি শরীরচর্চার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
আর যারা প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে বডিবিল্ডিং করেন, তাঁদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন অনুযায়ী রক্তচাপ, রক্তের চর্বি, রক্তের শর্করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শে হৃদ্যন্ত্রের পরীক্ষা করা যেতে পারে।
সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা, পেশি মানেই সুস্থতা
বড় পেশি অবশ্যই শক্তিশালী শরীরের একটি চিহ্ন হতে পারে। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের মাপকাঠি নয়।
একজন মানুষের হৃদ্যন্ত্র, কিডনি, লিভার, রক্তনালি, হরমোনের ভারসাম্য এবং মানসিক স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে বডিবিল্ডিংয়ে যখন শরীরের গঠনকে নির্দিষ্ট একটি চেহারায় নিয়ে যাওয়ার চাপ তৈরি হয়, তখন স্বাস্থ্য ও বাহ্যিক সৌন্দর্যের মধ্যে ভারসাম্য রাখা জরুরি।
অল্প বয়সে কিছু বডিবিল্ডারের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগের পেছনে একটি নয়, একাধিক কারণ থাকতে পারে। গবেষণায় আকস্মিক হৃদ্যন্ত্রজনিত মৃত্যু, হৃদ্যন্ত্রের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের অপব্যবহার এসব ঝুঁকির একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
তবে বডিবিল্ডিং বা জিম করা নিজে মৃত্যুর কারণ নয়। বরং সমস্যা তৈরি হতে পারে যখন অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ, অস্বাভাবিক পেশি বাড়ানোর চেষ্টা, কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধ এবং শরীরের স্বাভাবিক সীমা অতিক্রম করার প্রবণতা একসঙ্গে আসে।
তাই শরীরকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু আয়নায় বড় পেশি দেখা নয়, বরং এমন একটি শরীর তৈরি করা যা ভেতর থেকেও সুস্থ। কারণ পেশি যত বড়ই হোক, সুস্থ হৃদ্যন্ত্রের বিকল্প নেই।
সূত্র: বিবিসি বাংলা



