সৌদির সবচেয়ে বড় বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত দেশটির সবচেয়ে বড় বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি বাহিনী। হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও গোষ্ঠীটি দাবি করেছে জানিয়েছে রোয়া নিউজ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সৌদি সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ রিয়াদ অঞ্চলে ‘সম্ভাব্য বিপদের’ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর ওই হামলার দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।
হুতি-নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে গোষ্ঠীটির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে দাবি বলেন, তারা রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরাসরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
তবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
এদিকে সৌদি আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে বিমান সংস্থা, উড়োজাহাজের কর্মী ও যাত্রীদের প্রতি আবারও সতর্কবার্তা দিয়েছে হুতিরা। তবে মক্কা ও মদিনার আকাশসীমার ক্ষেত্রে এ সতর্কতা প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
হুতিদের এই হামলার দাবি নিয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিমানবন্দরে হামলার প্রকৃত ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গত অক্টোবরে হুতিদের প্রাণঘাতী হামলায় বিমানবন্দরটি দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরে অক্টোবরের শেষের দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আংশিকভাবে পুনরায় চালু করা হয়।
বুধবার ভোরের দিকে সৌদি সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ এক সতর্ক বার্তায় বলেছিল, ‘সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে সতর্ক করতে রিয়াদ প্রদেশে জাতীয় আগাম সতর্কবার্তা প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।’ তবে জারির কিছু সময় পরই সেই সতর্কবার্তা তুলে নেওয়া হয়।
রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর গত অক্টোবরের প্রথম দিকে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছিল হুতি বিদ্রোহীরা।
ওই হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। যে কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রায় দুই সপ্তাহ বিমানবন্দরটির ফ্লাইট চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে অক্টোবরের শেষ দিকে তা আংশিকভাবে চালুর অনুমতি দেওয়া হয়।
(2)-6182f1.jpg)


