logo

সৌদির আরামকো তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি হুতিদের

রয়টার্স
রয়টার্স
সৌদির আরামকো তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি হুতিদের
সৌদি আরবের রিয়াদের দক্ষিণে অবস্থিত আরামকো তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ফলে ধোঁয়া উড়ছে (৩ অক্টোবর, ২০২৬)। ছবি: রয়টার্স

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন হামলার জবাবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর রিয়াদস্থ স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা।

শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, হামলার লক্ষ্য সফলভাবে অর্জিত হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু এলাকায় আগুন ধরে যায়।

তিনি দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সানা ও ইয়েমেনের অন্যান্য প্রদেশে ৬০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মোট বিমান হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২০টিতে। এসব হামলার জন্য তিনি সৌদি আরবকে দায়ী করেন।

হুতি মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে এবং উত্তেজনার জবাব উত্তেজনা দিয়ে” দেওয়া হবে।

তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি হুতিদের এই দাবি নাকচ করেছেন। সৌদি গণমাধ্যম, যার মধ্যে আশরাক আল-আওসাতও রয়েছে, তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, শনিবার রিয়াদে হামলার বিষয়ে হুতিদের দাবি “বিভ্রান্তিকর”।

আল-মালিকি আরও বলেন, হুতিরা নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, বিদেশি এজেন্ডার সঙ্গে হুতিদের সম্পর্ক ইয়েমেনে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে এনেছে।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশটির বেশ কয়েকটি প্রদেশ নিয়ন্ত্রণ করছে হুতিরা। এর পরের বছর, ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।

চলতি বছরের জুলাইয়ে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে একটি নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি ছিল, ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর ওপর সৌদি নৌ ও বিমান অবরোধের জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এরপর থেকে হুতিরা সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে বলে জানা গেছে।