logo

ইসরায়েলের নির্বাচনে রেকর্ড ভাঙার পথে ভোটার উপস্থিতি

ইসরায়েলের নির্বাচনে রেকর্ড ভাঙার পথে ভোটার উপস্থিতি
জেরুজালেমের একটি ভোটকেন্দ্রে স্ত্রী সারার পাশে দাঁড়িয়ে নিজের ভোট দিচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের জাতীয় সংসদ (নেসেট) নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৫৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাবেক সহকারী ও নির্বাচন বিশ্লেষক মিচেল বারাক বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার অত্যন্ত বেশি, যা ইতিবাচক দিক।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পশ্চিম জেরুজালেম থেকে আলজাজিরাকে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটদানের হার ১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই বছর ইসরায়েল একটি বড় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যের বরাত দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা পর্যন্ত ইসরায়েলে ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০২২ সালের নির্বাচনে একই সময় ভোট পড়েছিল ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, আগের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতির হার বেড়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট।

ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান ড্যান লিভনে জানিয়েছেন, ১৯৭৩ সালের পর দেশটিতে আর কখনো এত বেশি ভোটার উপস্থিতি দেখা যায়নি। এখন পর্যন্ত মোট ৪০ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

অন্যান্য সাধারণ ভোটারের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টা পর্যন্ত সেনাসদস্যদের ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশে, যা ২০২২ সালের একই সময়ের ৪৪.৪ শতাংশের চেয়ে বেশি।

ভোটার উপস্থিতির এই ঊর্ধ্বগতি ক্ষমতাসীন দলগুলোর পাশাপাশি ছোট দলগুলোর ওপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, নেসেটে আসন পেতে একটি দলকে কমপক্ষে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। ভোটার উপস্থিতি বেশি হওয়ায় এই ন্যূনতম ভোটের শর্ত পূরণ করতে দলগুলোকে আগের তুলনায় আরও বেশি ভোট পেতে হবে।