logo

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন। ছবি: গোল্ড এভিনিউ

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল মধ্যবর্তী নির্বাচন হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের নির্বাচন। নির্বাচনি অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী গবেষণা সংস্থা ওপেনসিক্রেটসের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণাসহ বিভিন্ন খাতে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে নজিরবিহীন প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনি ব্যয়ের দিক থেকে ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ব্যয় ৫ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। রিপাবলিকানদের ব্যয় ৫ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যয় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মোট ব্যয় হয়েছিল ৮ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার ব্যয় এক-তৃতীয়াংশের বেশি বেড়েছে।

মার্কিন নির্বাচনের ইতিহাসে এ পর্যন্ত কেবল দুটি নির্বাচন এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল ছিল। সেগুলো হলো ২০২০ ও ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ওই দুটি নির্বাচনের প্রতিটিতে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

এবারের নির্বাচনি ব্যয়ের বড় অংশ এসেছে বাইরের রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে। এসব গোষ্ঠী সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা সুপার প্যাক নামে পরিচিত। ৩ নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে তারা বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে।

শীর্ষ ব্যক্তিগত দাতা হলেন ধনকুবের ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক। রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে তিনি প্রায় ৫০ কোটি ডলার ব্যয় করেছেন। বিশেষ করে টেক্সাসে তার অর্থায়ন উল্লেখযোগ্য। রাজ্যটিতে মাস্কের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি, আলজাজিরা।