logo
Advertisement

আলজাজিরার কলাম /ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পর নতুন উপসাগরীয় নিরাপত্তা কাঠামোর আত্মপ্রকাশ

রশিদ আল-মোহানাদি
রশিদ আল-মোহানাদি
ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পর নতুন উপসাগরীয় নিরাপত্তা কাঠামোর আত্মপ্রকাশ
মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান (বাম থেকে), সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: সৌদি প্রেস এজেন্সি

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ছয় মাস পর, উপসাগরীয় অঞ্চলে আসলে কি কি পরিবর্তিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

Advertisement

২০২৫ সালের জুনে কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর, আমি যুক্তি দিয়েছিলাম যে সামনের বছরগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য আরও বিপজ্জনক হবে এবং গভীরতর প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধকরণ শেষ পর্যন্ত অনিবার্য হয়ে উঠবে। এই মাসের শুরুর দিকে আমি এখানে লিখেছিলাম যে উপসাগরীয় অঞ্চল আর সম্পূর্ণভাবে পুরোনো নিরাপত্তা সরঞ্জামের ওপর নির্ভর করতে পারে না এবং তাদের নিজস্ব একটি নিরাপত্তা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রয়োজন হবে। এখন পর্যন্ত ঘটনাবলি উভয় যুক্তির সাধারণ দিকটিকে সত্য প্রমাণিত করেছে।

গত ছয় মাসে যা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তা হলো এই যুদ্ধ কেবল প্রতিরক্ষা বাজেট পরিবর্তন করছে না বা নতুন নিরাপত্তা চুক্তি হচ্ছে না। এটি উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো নিরাপত্তা নিয়ে কীভাবে চিন্তা করে তা পরিবর্তন করতে শুরু করেছে: কার সাথে তাদের কাজ করা উচিত, অংশীদারদের কাছ থেকে তারা কী আশা করতে পারে এবং একটি সংকট আসলে শুরু হলে সহযোগিতা কেমন হওয়া প্রয়োজন।

চলমান যুদ্ধটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে শহর, জ্বালানি অবকাঠামো, বিমানবন্দর ও নৌপথের বাস্তব দুর্বলতা সরাসরি তুলে ধরেছে, যার ফলে আগে যেসব হুমকি কেবল মহড়া ও পরিকল্পনা নথিতে আলোচনা করা হতো, সেগুলো এখন তাৎক্ষণিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

দীর্ঘকাল ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা মূলত একটি পরিচিত কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল ছিল, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র প্রধান বহিরাগত নিরাপত্তা ছায়াদানকারী হিসেবে কাজ করত, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখা হতো এবং জিসিসি (গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল) একটি অসম প্রতিরক্ষা একীকরণের আঞ্চলিক কাঠামো প্রদান করত।

যুক্তরাষ্ট্র-কেন্দ্রিক এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবস্থাটি এখনো অপরিহার্য এবং ভবিষ্যতেও এর কেন্দ্রীয় ভূমিকা বজায় থাকবে; তবে বর্তমানে যে মূল পরিবর্তনটি ঘটছে তা কেবল এই একটি কাঠামোর ওপরই পুরোপুরি নির্ভর করা এখন আর যথেষ্ট নয়।

যুদ্ধ পরিস্থিতি একটি বহু স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পথ সুগম করেছে, যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের পারস্পরিক সহযোগিতার পাশাপাশি তুরস্ক ও ইউরোপের মতো নতুন অংশীদারদের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করছে এবং বিদ্যমান সম্পর্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যে কোনো এক দেশের ওপর হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার অঙ্গীকারটি তাৎক্ষণিকভাবে ন্যাটোর যৌথ আত্মরক্ষা নীতির সঙ্গে তুলনার সৃষ্টি করেছে।

সম্মিলিত প্রতিরক্ষার এই নীতিটি জিসিসির কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন নয়; তবে মক্কা চুক্তির বিশেষত্ব হলো এটি এই নিরাপত্তামূলক ধারণাকে জিসিসির গণ্ডি ছাড়িয়ে সৌদি আরবকে সরাসরি তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে যুক্ত করেছে।

উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর হুমকিগুলো নিয়মিত পরিবর্তনশীল (কখনও রাষ্ট্র আবার কখনও অ-রাষ্ট্রীয় শক্তি থেকে আগত) এবং ভিন্ন ভিন্ন হুমকির বিষয়ে দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গিও ভিন্ন; ফলে কোনো সক্ষম আঞ্চলিক রাষ্ট্রের পক্ষেই প্রতিটি সম্ভাব্য জোটের স্থায়ী রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া সম্ভব নয়।

এর পরিবর্তে যা উদীয়মান বলে মনে হচ্ছে তা হলো একটি বড় জোটের বদলে পরস্পর-সমাপতিত অংশীদারিত্বের একটি ব্যবস্থা। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন হুমকির বিরুদ্ধে একসাথে কাজ করবে। কিছু ব্যবস্থা উপসাগরীয় নেতৃত্বাধীন হবে; অন্যগুলো আঞ্চলিক বা পশ্চিমা অংশীদারদের নিয়ে আসবে।

এই ধরনের ব্যবস্থার জন্য নেতৃত্ব সম্পর্কে ভিন্নভাবে চিন্তা করার প্রয়োজন রয়েছে। স্থায়ী শ্রেণিবিন্যাসের চারপাশে নির্মিত একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো সবসময় প্রতিরোধের সম্মুখীন হবে। উপসাগরীয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তৎপর এবং ভিন্ন ভিন্ন সক্ষমতা নিয়ে আসে।

যে কোনো সংকটে কার্যক্ষম নেতৃত্ব রাজনৈতিক পদমর্যাদা মেনে না চলে বাস্তব সক্ষমতা অনুযায়ী হওয়া উচিত; যেমন—সামুদ্রিক সংকটে শক্তিশালী নৌসেনা বা বিমান হামলায় উন্নত বিমান প্রতিরক্ষাসম্পন্ন অংশীদারকে প্রধান ভূমিকা দেওয়া উচিত।

নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও জোরদার করতে এমন নমনীয়তাই একমাত্র বাস্তবসম্মত উপায়, তবে এটি সফল হবে কি না তা নির্ভর করে বিভিন্ন দেশের এই পরস্পর-সমাপতিত সম্পর্কগুলো প্রয়োজনের সময় সঠিকভাবে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছে কি না তার ওপর। এখানেই আন্তঃকার্যক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, যা নিশ্চিত করে যে সংকটের সময় দেশগুলো শুধু মৌখিক প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান, সামরিক যোগাযোগ এবং সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বাস্তব সাহায্য প্রদান করতে পারছে কি না।

তাই নেতৃত্ব হুমকির গতিপথ অনুসরণ করা উচিত। যে রাষ্ট্রটি তাত্ক্ষণিক বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে, তার প্রতিক্রিয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ, গ্রহণযোগ্য উত্তেজনার মাত্রা এবং তার অঞ্চলের ব্যবহারের ক্ষেত্রে অগ্রণী কণ্ঠস্বর হওয়া উচিত।

একটি দেশের ওপর হামলার মানে এই নয় যে প্রতিটি অংশীদারকে অবিকল একইভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে। সমর্থন বিভিন্ন রূপ নিতে পারে—গোয়েন্দা তথ্য, বিমান প্রতিরক্ষা এবং লজিস্টিকস থেকে শুরু করে সামুদ্রিক সুরক্ষা বা অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতিতে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ পর্যন্ত। সংকটের আগে এই প্রত্যাশাগুলো যত স্পষ্ট হবে, সংকট দেখা দিলে প্রতিশ্রুতি তত বেশি বিশ্বাসযোগ্য হবে।

কোনো বড় আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন ছাড়াই গভীরতর একীকরণ কেমন হতে পারে তার উদাহরণ ইতিমধ্যেই রয়েছে। ব্রিটেনের সঙ্গে কাতারের সামরিক সম্পর্ক ঐতিহ্যবাহী ক্রেতা-বিক্রেতা মডেলের বাইরে চলে গেছে। ব্রিটিশ এবং কাতারি কর্মীরা যৌথ স্কোয়াড্রনের মাধ্যমে একসঙ্গে টাইফুন বিমান পরিচালনা এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, অন্যদিকে কাতার এবং তুরস্ক একটি সম্মিলিত সামরিক কমান্ড কাঠামো তৈরি করেছে।

এই ব্যবস্থাগুলো বর্তমান যুদ্ধের আগের। তবে যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্য-কাতার সম্পর্ক পরীক্ষিত হয়েছিল: মার্চ মাসে, যৌথ স্কোয়াড্রনের সঙ্গে পরিচালিত একটি আরএএফ টাইফুন কাতারের দিকে তাক করে পাঠানো একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছিল। একীকরণ সবসময় দশটি দেশের স্বাক্ষর করা চুক্তি দিয়ে শুরু হতে হবে এমন নয়। কখনও কখনও এটি দুটি সামরিক বাহিনীর সঠিকভাবে একসঙ্গে কাজ করতে শেখার মাধ্যমে শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রকে না সরিয়েই ইউরোপ একটি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। ওয়াশিংটন সম্ভবত উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে বহাল থাকবে, যখন উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, তুরস্ক এবং অন্যান্য সক্ষম অংশীদারদের সঙ্গে গভীর কার্যক্ষম সম্পর্ক গড়ে তুলবে।

গত ছয় মাস এমনটি করার যুক্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে। উপসাগরীয় এবং ইউরোপীয় সামরিক বাহিনীগুলো ক্রমবর্ধমানভাবে একই ধরনের অনেক কার্যক্ষম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে: ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, সামুদ্রিক নিরাপত্তাহীনতা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হুমকি। তাই উপসাগরীয়-ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্কের পরবর্তী ধাপটি স্বাক্ষরিত চুক্তির মূল্যের চেয়ে তাদের বাহিনীগুলো পরিস্থিতি অনুযায়ী আসলেই একসাথে কাজ করতে পারে কিনা তা দ্বারা মূল্যায়ন করা উচিত।

এর অর্থ হলো আরও বেশি মহড়া, এমবেডেড কর্মী এবং যৌথ পরিকল্পনা, সেইসাথে এমন ব্যবস্থা যা দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বকে বৃহত্তর জিসিসি এবং আঞ্চলিক কাঠামোর সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করবে। মক্কা চুক্তিও একই পরীক্ষার মুখোমুখি হবে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তিনটি দেশ রাজনৈতিক ও সামরিক সমন্বয়, যৌথ মহড়া, বিমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং গভীরতর প্রতিরক্ষা-শিল্প সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে।

তবে আপতত এগুলো কার্যক্ষম একীকরণের প্রমাণের চেয়ে কেবল পরিকল্পনাই রয়ে গেছে। চুক্তির তাৎপর্য শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে সৌদি, তুর্কি এবং পাকিস্তানি বাহিনীগুলোর মধ্যে সহযোগিতার অভ্যাস গড়ে ওঠে কিনা তার ওপর: তারা গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করতে পারে কিনা, বিমান প্রতিরক্ষা সমন্বয় করতে পারে কিনা, একসঙ্গে অভিযান পরিচালনা করতে পারে কিনা এবং ব্যবহারিক সামরিক সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিরক্ষা-শিল্প সহযোগিতাকে ব্যবহার করতে পারে কিনা।

তাহলে, ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পর, একটি ভিন্ন উপসাগরীয় নিরাপত্তা কাঠামোর রূপরেখা দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কোনো একক জোট বা নেতার অধীনে গড়ে উঠছে না এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কও ত্যাগ করছে না। এর পরিবর্তে বিদ্যমান কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নমনীয় স্তরীভূত ব্যবস্থা গড়ে উঠছে, যা পারস্পরিক সহযোগিতা, অতিরিক্ত আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব, ইউরোপীয় বাহিনীর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক এবং কার্যকরভাবে একসাথে কাজ করার দক্ষতার ওপর জোর দেয়।

বর্তমান যুদ্ধের তাৎক্ষণিক হুমকি কমে গেলে এই সহযোগিতার গতি কিছুটা মন্থর হতে পারে। তাই আসল চ্যালেঞ্জ হলো গত ছয় মাসের শিক্ষাকে দীর্ঘস্থায়ী করা এবং এমন প্রস্তুতি রাখা, যেন পরবর্তী যে কোনো হামলা বা সংকটে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একত্রে হুমকি চিহ্নিত করতে, যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিতে এবং সমন্বিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

দেশগুলো যদি সংকটের সময় যৌথভাবে সাড়া দিতে পারে, তবে এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় অবদান কোনো নতুন চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক জোট হবে না। এটি হবে একটি অধিকতর সংযুক্ত, নমনীয় ও বাস্তবমুখী নিরাপত্তা ব্যবস্থার সূচনা, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রকৃত সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


লেখক পরিচিতি

রশিদ আল-মোহানাদি সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসি রিসার্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের অনাবাসিক ফেলো। প্রতিরক্ষা শিল্প এবং ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি বিষয়ক পরামর্শের ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে ছোট রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়ন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং কৌশলগত বিষয়সমূহ।

[প্রবন্ধ, নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার ও প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণের প্রতিফলন। এগুলো এশিয়া পোস্টের সম্পাদকীয় নীতি বা অবস্থানের সঙ্গে সর্বদা মিল নাও থাকতে পারে। প্রকাশিত লেখায় উপস্থাপিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা আইনগতসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহের যথার্থতা ও মতামতের দায়িত্ব লেখকের নিজস্ব; এ বিষয়ে এশিয়া পোস্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থান নিরপেক্ষ।]