ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস জাতীয় অধিকার আদায়ের সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
১৬ মে (শনিবার) ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস। এ উপলক্ষে শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া এক বাণীতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস আমাদের জাতীয় অধিকার আদায়ের সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক লংমার্চ ছিল দেশের মানুষের ন্যায্য পানির অধিকার প্রতিষ্ঠার এক সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে সেই আন্দোলন শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল।’
‘আজও অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টন বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু। আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্যতা ও আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুসরণের মাধ্যমে সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।’
‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবসে আমরা মজলুম জননেতা ভাসানীসহ সেই আন্দোলনের সকল সংগ্রামী মানুষকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। একইসঙ্গে দেশের স্বার্থ, পরিবেশ ও জনগণের জীবন-জীবিকা রক্ষায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।’
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আল্লাহ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার তাওফিক দান করুন। আমীন।’
