logo

তাবুকে ৯৪ হাজার টন জলপাই থেকে মিলবে ১২ হাজার টন অলিভ অয়েল

তাবুকে ৯৪ হাজার টন জলপাই থেকে মিলবে ১২ হাজার টন অলিভ অয়েল
তাবুকে আরবেকিনা, আরবোসানা, নাবালি এবং সুরিসহ বিভিন্ন জাতের জলপাই চাষ হয়। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ

সৌদি আরবের তাবুক অঞ্চলের জলপাই খামারগুলোতে ফসল তোলার প্রস্তুতি চলছে। দেশটির পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবছর সেখানে ৯৪ হাজার টন জলপাই উৎপাদিত হয়েছে। এ জলপাই থেকে ১২ হাজার ২৫০ টনেরও বেশি জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর, ২০২৬) আরব নিউজ প্রকাশিত খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, তাবুক অঞ্চলে কৃষি কার্যক্রম ক্রমাগত প্রসার লাভ করছে এবং সেখানে জলপাই গাছের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সেখানকার কৃষকরা এখন জলপাই সংগ্রহ, তেল নিষ্কাশন এবং বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এই মৌসুমে ফসল সংগ্রহের পাশাপাশি পরিবহন, প্যাকেজিং এবং বিপণনের কাজও চলে। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অনুকূল পরিবেশ অঞ্চলটিকে রাজ্যের অন্যতম প্রধান জলপাই উৎপাদনকারী এলাকায় পরিণত করেছে। এছাড়া, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মদক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে সরকারি সহায়তাও এই খাতকে সমৃদ্ধ করছে।

সৌদিতে ‘দণ্ডপ্রাপ্তদের’ তালিকায় আরও ২০ বাংলাদেশি

দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয় তাবুকের কৃষকদেরকে কারিগরি পরামর্শ এবং সঠিক কৃষি পদ্ধতি বিষয়ক সচেতনতামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। তাদের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষি উৎসবকেও সহায়তা দেয়। এর ফলে উৎপাদকরা তাদের ফসল প্রদর্শনীর মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ পান।

মক্কা-মদিনায় ১০ রাকাত তারাবি পড়ার সিদ্ধান্ত

তাবুকে বিভিন্ন জাতের জলপাই চাষ করা হয়, যার মধ্যে আরবেকিনা, আরবোসানা, নাবালি এবং সুরি উল্লেখযোগ্য। প্রতিটি জাতের উৎপাদন বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হওয়ায় কৃষকরা চাষাবাদ এবং তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ পান। জলপাই মাড়াই কেন্দ্রগুলো উৎপাদন প্রক্রিয়ার অন্যতম প্রধান ধাপ। এখানে ফসল সংগ্রহের পর জলপাই বাছাই, পরিষ্কার, মাড়াই ও তেল নিষ্কাশন করা হয় এবং এরপর তা সংরক্ষণ ও প্যাকেটজাত করা হয়।