logo
Advertisement

সিপিএলে চারজনকে বোল্ড করে ম্যাচসেরা মিরাজ

সিপিএলে চারজনকে বোল্ড করে ম্যাচসেরা মিরাজ
মেহেদী হাসান মিরাজ। ছবি: গায়ানার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

চার উইকেটের চারটিই নিলেন বোল্ড করে। ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের ব্যাটিংয়ে এমনই আঘাত হেনেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিপিএলে ছয় উইকেটের জয় পেয়েছে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। দুর্দান্ত বোলিং এর জন্য বাংলাদেশের এই অফ স্পিনারই হয়েছেন ম্যাচসেরা।

বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে চার ওভারে ২৩ রান দিয়ে চার উইকেট নেন মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ১২৬ রানে থামে ত্রিনবাগো। জবাবে আট বল হাতে রেখে চার উইকেটে ১২৭ রান তুলে নেয় গায়ানা।

শুরুটা অবশ্য ভালোই করেছিল ত্রিনবাগো। কলিন মুনরো ও অ্যালেক্স হেলসের উদ্বোধনী জুটিতে ওঠে ৪১ রান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে টানা দুই বলে সেই স্বস্তি কেড়ে নেন মিরাজ। প্রথমে ১৬ বলে ২৬ রান করা মুনরোকে বোল্ড করেন। পরের বলেই একইভাবে ফেরান অধিনায়ক নিকোলাস পুরানকে। প্রথম বলেই বিদায় নিতে হয় বাঁহাতি এই ব্যাটারকে।

পরে জাইড গুলি ও সুনীল নারাইনের স্টাম্পও ভাঙেন মিরাজ। গুলি করেন ৪ রান, নারাইন ৭। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো ত্রিনবাগোর হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন জাস্টিন গ্রিভস। হেলসের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। গায়ানার হয়ে শামার জোসেফ নেন দুটি উইকেট।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় গায়ানাকে পথ দেখান শাই হোপ। ৩৫ বলে অপরাজিত ৪২ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। শিমরন হেটমায়ার ১৯ বলে তিন ছক্কায় করেন ২৮ রান। বল হাতে উজ্জ্বল মিরাজ অবশ্য ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারেননি। ১৪ বলে ২ রান করে ফেরেন তিনি। শেষ দিকে হোপের সঙ্গে অপরাজিত ১২ রান করেন কুইন্টিন স্যাম্পসন।

ম্যাচসেরার পুরস্কার নিয়ে নিজের বোলিং পরিকল্পনা তুলে ধরেন মিরাজ। তিনি বলেন, ‘ঠিক জায়গায় বল করার চেষ্টা করেছি। জানতাম, উইকেটে বল ঘুরছে।’ প্রথমবার সিপিএল খেলতে এসে এমন স্বীকৃতি পাওয়ার আনন্দও প্রকাশ করেন তিনি।

মিরাজের প্রশংসা করেছেন গায়ানার অধিনায়ক ইমরান তাহিরও। গুরুত্বপূর্ণ উইকেটগুলো তুলে নিয়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের ওপর সন্তুষ্টি জানান তিনি।

এই জয়ে সিপিএলে শততম জয়ের মাইলফলক ছুঁয়েছে গায়ানা। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানও আরও মজবুত করেছে দলটি। অন্যদিকে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেছে ত্রিনবাগো।