মুনিয়োসের গোলে কঙ্গো বাধা পেরিয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

উজবেকিস্তানের পর কঙ্গো, বিশ্বকাপে টানা দুই জয় তুলে নিল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া। গুয়াদালাহারার এস্তাদিও আকরনে গ্রুপ ‘কে’-এর ম্যাচে কঙ্গোকে ১-০ গোলে হারিয়েছে নেস্তর লরেনসোর দল। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন ড্যানিয়েল মুনিয়োস।
প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শুরু করেছিল কলম্বিয়া। তাই কঙ্গোর বিপক্ষে জয় পেলেই শেষ ৩২ নিশ্চিত হয়ে যেত তাদের। কাজটা সহজ ছিল না। বলের দখল, আক্রমণ ও সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে থাকলেও কঙ্গোর জমাট রক্ষণ ভাঙতে বেশ সময় নিতে হয়েছে লাতিন আমেরিকার দলটিকে।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল কলম্বিয়া। জেমস রদ্রিগেজ, লুইস দিয়াস, জন আরিয়াস ও মুনিয়োসরা বারবার কঙ্গোর রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। ১০ মিনিটে জেমসের দূরপাল্লার শট, এরপর দিয়াস ও মুনিয়োসের চেষ্টা, সবকিছুই ঠেকিয়ে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। প্রথমার্ধে ৯টি শট নিয়েও গোল পায়নি কলম্বিয়া।
কঙ্গো খুব বেশি আক্রমণ করতে পারেনি, তবে পুরো ম্যাচে তারা রক্ষণে শৃঙ্খলা ধরে রেখেছিল। বিরতির আগে সেদ্রিক বাকাম্বুর হেড একবার কলম্বিয়াকে সতর্ক করে। তবে ম্যাচের বেশির ভাগ সময়ই বল ছিল কলম্বিয়ার পায়ে।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি। কলম্বিয়া ধৈর্য ধরে বল ঘুরিয়েছে, কঙ্গো অপেক্ষা করেছে পাল্টা আক্রমণের সুযোগের। ৫৮ মিনিটে জেমস ও লুইস সুয়ারেসকে তুলে হুয়ান কুয়েন্তেরো ও জন কোর্দোবাকে নামান লরেনসো। এই বদলই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেয়।
৭৫ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় কলম্বিয়া। কুইন্তেরোর পাস থেকে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনিয়োস। এরপর ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান তিনি। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও গোল করেছিলেন এই রাইটব্যাক। ফলে টানা দুই বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে কলম্বিয়ার আক্রমণে নিজের গুরুত্ব আবারও দেখালেন তিনি।
শেষ দিকে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেছিল কঙ্গো। যোগ করা সময়ে কামিলো ভার্গাসের দারুণ সেভ কলম্বিয়ার লিড ধরে রাখে। চাপের মুহূর্ত সামলে শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।
এই জয়ে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট নিশ্চিত করল কলম্বিয়া। অন্যদিকে ডিআর কঙ্গো এক পয়েন্টেই থাকল। তাদের শেষ ম্যাচ উজবেকিস্তানের বিপক্ষে। কলম্বিয়ার সামনে এখন গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াই। শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।






