প্রতিপক্ষের চুল টেনে বিপাকে দুই ফুটবলার

গোলের ব্যবধান কমাতে পারেননি অ্যাডেন স্কিপিও, তবে তিনি নামার পর কমে গেল প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সংখ্যা! অ্যাঙ্গুইলার এই ফুটবলারের গোড়ালি ছুঁইছুঁই চুল টেনে প্রথমে একজন লাল কার্ড দেখলেন। সতীর্থের পরিণতি দেখেও একই চুলে হাত দিলেন আরেকজন। ফল, তারও বিদায়! অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা জিতল পাঁচ গোলে, কিন্তু ম্যাচের আলোচনায় ভাগ বসাল স্কিপিওর লম্বা চুল।
স্থানীয় সময় শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। প্রথমার্ধেই পাঁচ গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আলোচনায় আসে পরপর দুটি চুল টানার ঘটনা।
অ্যাঙ্গুইলা যখন ৫-০ গোলে পিছিয়ে, তখন ৬৯ মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন স্কিপিও। ৩৬ বছর বয়সী এই ফুটবলারের ড্রেডলক চুল প্রায় গোড়ালি পর্যন্ত নামা।
মাঠে নামার তিন মিনিটের মধ্যেই প্রথম ঘটনার মুখে পড়েন তিনি। নিজেদের বক্সে কিওন গ্রিনের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন স্কিপিও। তাকে আটকাতে গিয়ে চুল ধরে টান দেন গ্রিন। সঙ্গে সঙ্গে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। গ্রিন নিজেও এর মাত্র এক মিনিট আগে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে একই কাণ্ড করেন শালন নাইট। স্কিপিও বল নিয়ে এগোনোর সময় পেছন থেকে তাঁর চুল ধরে টান দেন তিনি। টানে মাটিতে পড়ে যান অ্যাঙ্গুইলার ফুটবলার। নাইটকেও সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।
অবশ্য দুই প্রতিপক্ষের বহিষ্কারেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি অ্যাঙ্গুইলা। নয়জন নিয়ে শেষ করেও ৫-০ গোলের জয় ধরে রাখে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা। ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে স্কিপিওর চুল টানার দুই ঘটনার ভিডিও।
