রাফিনিয়ার পেনাল্টিতে সমতায় ফিরে বিরতিতে ব্রাজিল
-5c0142-720x405.webp)
শুরুটা ছিল দুর্দান্ত, কিন্তু মাঝপথেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসে ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়া দুই গোল করে ম্যাচ ঘুরিয়েও দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে রাফিনিয়ার পেনাল্টিতে ২-২ সমতায় বিরতিতে গেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
ব্রিসবেনে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। গ্যাব্রিয়েল বনটেম্পোর পাস থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন ভান্দেরসন। শুরুতে আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। চতুর্থ মিনিটেই রাফিনিয়ার দুটি প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক বিচ।
প্রথম ২০ মিনিটে ব্রাজিলের দাপট থাকলেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকরা। ২৮ মিনিটে কর্নার থেকে অ্যালেসান্দ্রো সিরকাতির দুর্দান্ত ফিনিশে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ফাউলের বাঁশি বাজালেও ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে সিদ্ধান্ত বদলে গোল দেন রেফারি।
এর মাত্র পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচের চিত্র পুরো পাল্টে দেয় অস্ট্রেলিয়া। সিরকাতির পাস থেকে বক্সের বাইরে দারুণ বাঁ পায়ের শটে গোল করেন কনর মেটকাফ। ৩৩ মিনিটে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
এরপর ব্রাজিলের খেলায় কিছুটা অস্থিরতা দেখা যায়। ৪০ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন গ্যাব্রিয়েল। তবে বিরতির ঠিক আগে ফের ম্যাচে ফিরে আসে আনচেলত্তির দল।
৪৪ মিনিটে বক্সের ভেতর দানিলোকে ফাউল করার অভিযোগে ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে মনিটরে রিপ্লে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। স্পটকিক থেকে কোনো ভুল করেননি অধিনায়ক রাফিনিয়া। বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠিয়ে ৪৫ মিনিটে স্কোরলাইন করেন ২-২।
ফলে চার গোলের রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধ শেষে সমতায় আছে দুই দল।
