

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।
এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।
এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।
তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।
তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
.png)
