Advertisement
সরাসরি

দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা

প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে লং মার্চ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শিক্ষার্থীদের মিছিলে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও। মানবাধিকার সংস্থাগুলো পুলিশের লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থকরা পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিন সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত
২৪ জুলাই ২০২৬, ১২: ৫২ পিএম
দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা
দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের সঙ্গে আলোচনার আগে শুকক্রবার (২৪ জুলাই) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া তারা অন্য কোনো কিছুতেই আপস করবেন না। আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় নিরপেক্ষ স্থানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অনিয়ম ও জবাবদিহিতার দাবিতে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে অভিজিৎ দীপকে বলেন, আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক ২৬ দিন পর অনশন ভাঙায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও স্বস্তিবোধ করছেন। কারণ দেশের কাছে তার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। তবে অনশন ভাঙলেও আন্দোলন থামছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তাতেও সিজেপি নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সংগঠনটি জানায়, নিরপেক্ষ স্থানে আয়োজিত বৈঠকে তারা অংশ নিলেও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবি থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জন্তর মন্তরসহ দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ১২: ৫২ পিএম
দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা
দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের সঙ্গে আলোচনার আগে শুকক্রবার (২৪ জুলাই) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া তারা অন্য কোনো কিছুতেই আপস করবেন না। আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় নিরপেক্ষ স্থানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অনিয়ম ও জবাবদিহিতার দাবিতে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে অভিজিৎ দীপকে বলেন, আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক ২৬ দিন পর অনশন ভাঙায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও স্বস্তিবোধ করছেন। কারণ দেশের কাছে তার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। তবে অনশন ভাঙলেও আন্দোলন থামছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তাতেও সিজেপি নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সংগঠনটি জানায়, নিরপেক্ষ স্থানে আয়োজিত বৈঠকে তারা অংশ নিলেও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবি থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জন্তর মন্তরসহ দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

asia-post
২৪ জুলাই ২০২৬, ১২: ০৮ পিএম
দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের খাবার-পানীয় দিচ্ছেন কারা
দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের খাবার-পানীয় দিচ্ছেন কারা

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের খাবার ও জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দিতে দূর-দূরান্ত থেকে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। দেশটির সুইগি ও জোম্যাটোর মতো খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্মগুলোতে অভিনব নির্দেশনা বা ‘ডেলিভারি ইনস্ট্রাকশন’ দিয়ে দেশজুড়ে থাকা শুভাকাঙ্ক্ষীরা খাবার অর্ডার করছেন।

ডেলিভারির সময় সেখানে কোথাও লেখা থাকছে ‘কেরালা থেকে ভালোবাসা’, আবার কোথাও নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে ‘যেকোনো ক্ষুধার্ত আন্দোলনকারীর হাতে এই খাবার তুলে দিন’।

ডেলিভারি কর্মীরা জানান, মুম্বাই ও কেরালাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অজানা-অচেনা মানুষ এসব খাবার পাঠাচ্ছেন। পুলিশের ব্যারিকেডের কাছে এসে খাবারের পার্সেলগুলো আন্দোলনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ করা খাবারের তালিকায় সিঙাড়া, মোমো, বার্গার, প্যাটিস ও ভাতসহ নানা পদের খাবার থাকছে।

অনলাইন অর্ডারের পাশাপাশি সরজমিনেও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনেকে। খাবারের বাইরেও আন্দোলন প্রাঙ্গণজুড়ে বিশুদ্ধ পানি, বিস্কুট ও ওআরএস স্যালাইন হাতে ঘুরে ঘুরে সেবা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। মানবশিকল তৈরি করে বাইরে থেকে আসা সাহায্য ভেতরের তাঁবুতে পৌঁছে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

এমনই একজন তানভি নামের ৩০ বছর বয়সি এক তরুণী। তিনি নিজের কাজ থেকে ছুটি নিয়ে আন্দোলনস্থলে এসে সারাদিন খাবার বিতরণ করেন। এর পাশাপাশি পুলিশের সরিয়ে দেওয়া তাঁবু পুনর্নির্মাণ ও চিকিৎসাকেন্দ্রে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি। অন্যদিকে মুম্বাই থেকে আসা এক দুর্বল ও অনাহারী আন্দোলনকারীকে বিস্কুট ও পানি খাইয়ে সেবা দেওয়ার কথা জানান নীট পাল সিং নামের অপর এক স্বেচ্ছাসেবী।

শিক্ষার্থীদের এই অবস্থানে বড় পরিসরে সহায়তার দায়িত্ব নিয়েছে সচখণ্ড ফাউন্ডেশন নামের একটি অলাভজনক সংস্থা। তারা দৈনিক প্রায় ২ হাজার মানুষের তিনবেলার খাবারের দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের ৬০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন শিফটে ভাগ হয়ে এই সেবা দিচ্ছেন। খাবারের পাশাপাশি তারা ছাতা, রেইনকোট, টর্চ ও মশারির মতো দরকারি সামগ্রীও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

অনলাইন ও অফলাইনে প্রচুর খাবার আসায় তা যেন অপচয় না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত হয়ে যাওয়া ভালো খাবারের পার্সেলগুলো স্বেচ্ছাসেবীরা পাশেই অবস্থিত একটি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসাধীন রোগীদের পাশে থাকা না-খাওয়া স্বজনদের মাঝে এসব খাবার বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে কর্মসূচির বিরতিতে আন্দোলনকারীরা পুরো যন্তর মন্তর এলাকা পরিষ্কার করার কাজে নেমে পড়ছেন। সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, কাগজের ঠোঙা ও বর্জ্য কুড়িয়ে ডাস্টবিন ব্যাগে সংগ্রহ করে চারপাশের সড়ক পরিষ্কার রাখছেন তরুণ-তরুণীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই মানবিক উদ্যোগ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ছবিগুলো ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ১২: ০৮ পিএম
দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের খাবার-পানীয় দিচ্ছেন কারা
দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের খাবার-পানীয় দিচ্ছেন কারা

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের খাবার ও জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দিতে দূর-দূরান্ত থেকে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। দেশটির সুইগি ও জোম্যাটোর মতো খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্মগুলোতে অভিনব নির্দেশনা বা ‘ডেলিভারি ইনস্ট্রাকশন’ দিয়ে দেশজুড়ে থাকা শুভাকাঙ্ক্ষীরা খাবার অর্ডার করছেন।

ডেলিভারির সময় সেখানে কোথাও লেখা থাকছে ‘কেরালা থেকে ভালোবাসা’, আবার কোথাও নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে ‘যেকোনো ক্ষুধার্ত আন্দোলনকারীর হাতে এই খাবার তুলে দিন’।

ডেলিভারি কর্মীরা জানান, মুম্বাই ও কেরালাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অজানা-অচেনা মানুষ এসব খাবার পাঠাচ্ছেন। পুলিশের ব্যারিকেডের কাছে এসে খাবারের পার্সেলগুলো আন্দোলনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ করা খাবারের তালিকায় সিঙাড়া, মোমো, বার্গার, প্যাটিস ও ভাতসহ নানা পদের খাবার থাকছে।

অনলাইন অর্ডারের পাশাপাশি সরজমিনেও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনেকে। খাবারের বাইরেও আন্দোলন প্রাঙ্গণজুড়ে বিশুদ্ধ পানি, বিস্কুট ও ওআরএস স্যালাইন হাতে ঘুরে ঘুরে সেবা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। মানবশিকল তৈরি করে বাইরে থেকে আসা সাহায্য ভেতরের তাঁবুতে পৌঁছে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

এমনই একজন তানভি নামের ৩০ বছর বয়সি এক তরুণী। তিনি নিজের কাজ থেকে ছুটি নিয়ে আন্দোলনস্থলে এসে সারাদিন খাবার বিতরণ করেন। এর পাশাপাশি পুলিশের সরিয়ে দেওয়া তাঁবু পুনর্নির্মাণ ও চিকিৎসাকেন্দ্রে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি। অন্যদিকে মুম্বাই থেকে আসা এক দুর্বল ও অনাহারী আন্দোলনকারীকে বিস্কুট ও পানি খাইয়ে সেবা দেওয়ার কথা জানান নীট পাল সিং নামের অপর এক স্বেচ্ছাসেবী।

শিক্ষার্থীদের এই অবস্থানে বড় পরিসরে সহায়তার দায়িত্ব নিয়েছে সচখণ্ড ফাউন্ডেশন নামের একটি অলাভজনক সংস্থা। তারা দৈনিক প্রায় ২ হাজার মানুষের তিনবেলার খাবারের দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের ৬০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন শিফটে ভাগ হয়ে এই সেবা দিচ্ছেন। খাবারের পাশাপাশি তারা ছাতা, রেইনকোট, টর্চ ও মশারির মতো দরকারি সামগ্রীও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

অনলাইন ও অফলাইনে প্রচুর খাবার আসায় তা যেন অপচয় না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত হয়ে যাওয়া ভালো খাবারের পার্সেলগুলো স্বেচ্ছাসেবীরা পাশেই অবস্থিত একটি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসাধীন রোগীদের পাশে থাকা না-খাওয়া স্বজনদের মাঝে এসব খাবার বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে কর্মসূচির বিরতিতে আন্দোলনকারীরা পুরো যন্তর মন্তর এলাকা পরিষ্কার করার কাজে নেমে পড়ছেন। সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, কাগজের ঠোঙা ও বর্জ্য কুড়িয়ে ডাস্টবিন ব্যাগে সংগ্রহ করে চারপাশের সড়ক পরিষ্কার রাখছেন তরুণ-তরুণীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই মানবিক উদ্যোগ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ছবিগুলো ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

asia-post
২৪ জুলাই ২০২৬, ১১: ০৯ এএম
দিল্লি সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আন্দোলনকারীরা

ভারতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের কারণে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে দিল্লি মেট্রো। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের কনস্টিটিউশন ক্লাবে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে আন্দোলনকারীদর সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) বুধবার থেকে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রেখেছিল। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝাণ্ডেওয়ালান স্টেশনও বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে শুক্রবার মোট ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকছে।

অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ কোনো স্থানে বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়। কেন্দ্র সরকার সেই অনুরোধে সম্মতি দেওয়ার পর কনস্টিটিউশন ক্লাবে আলোচনার সিদ্ধান্ত জানা যায়।

পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিয়তা পাওয়া যায়নি।

সিজেপি নেতা সৌরভ দাস জানিয়েছেন, ‘নিরপেক্ষ স্থানের অনুরোধ মেনে নেওয়ার’ সরকারের সিদ্ধান্তকে তাদের সংগঠন স্বাগত জানিয়েছে।

এদিকে দেশজুড়ে পুলিশের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে শুক্রবার দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে দিল্লির জন্তর মন্তরে তাদের অবস্থান ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যথারীতি অব্যাহত থাকবে বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ১১: ০৯ এএম
দিল্লি সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আন্দোলনকারীরা

ভারতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের কারণে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে দিল্লি মেট্রো। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের কনস্টিটিউশন ক্লাবে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে আন্দোলনকারীদর সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) বুধবার থেকে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রেখেছিল। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝাণ্ডেওয়ালান স্টেশনও বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে শুক্রবার মোট ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকছে।

অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ কোনো স্থানে বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়। কেন্দ্র সরকার সেই অনুরোধে সম্মতি দেওয়ার পর কনস্টিটিউশন ক্লাবে আলোচনার সিদ্ধান্ত জানা যায়।

পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিয়তা পাওয়া যায়নি।

সিজেপি নেতা সৌরভ দাস জানিয়েছেন, ‘নিরপেক্ষ স্থানের অনুরোধ মেনে নেওয়ার’ সরকারের সিদ্ধান্তকে তাদের সংগঠন স্বাগত জানিয়েছে।

এদিকে দেশজুড়ে পুলিশের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে শুক্রবার দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে দিল্লির জন্তর মন্তরে তাদের অবস্থান ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যথারীতি অব্যাহত থাকবে বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

asia-post
২৪ জুলাই ২০২৬, ০৯: ৩২ এএম
বিক্ষোভের মুখে এবার সরানো হলো ভারতের শিক্ষাসচিবকে
বিক্ষোভের মুখে এবার সরানো হলো ভারতের শিক্ষাসচিবকে

ছবি : সংগৃহীত

ভারতে নিট-ইউজির প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে শিক্ষাসচিব বিনীত জোশিকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন নরেশ পাল গাঙ্গওয়ার।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে জারি করা কেন্দ্রীয় সরকারের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিনীত জোশিকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

সরকারের এই প্রশাসনিক রদবদলে মোট ১৩টি নতুন নিয়োগ এবং চারটি ইন-সিটু পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব টি কে অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব করা হয়েছে।

প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে লং মার্চ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শিক্ষার্থীদের মিছিলে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও।

ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করে বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় উদাসীনতা দেখানোর কারণেই শিক্ষাসচিবকে অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘নিট প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে উদাসীনতা দেখানোর কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষাসচিবকে বদলি করেছেন। প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা অবহেলা বা উদাসীনতা দেখিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটাই মোদির গ্যারান্টি।’

এদিকে প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের কয়েক ঘণ্টা পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ছাড়া শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে এবং আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে একটি বিল সংসদে পাসের চেষ্টা করবে সরকার।

এনডিটিভি জানায়, সরকারি সূত্র অনুযায়ী, আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় সিজেপি প্রতিনিধি দলের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ০৯: ৩২ এএম
বিক্ষোভের মুখে এবার সরানো হলো ভারতের শিক্ষাসচিবকে
বিক্ষোভের মুখে এবার সরানো হলো ভারতের শিক্ষাসচিবকে

ছবি : সংগৃহীত

ভারতে নিট-ইউজির প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে শিক্ষাসচিব বিনীত জোশিকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন নরেশ পাল গাঙ্গওয়ার।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে জারি করা কেন্দ্রীয় সরকারের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিনীত জোশিকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

সরকারের এই প্রশাসনিক রদবদলে মোট ১৩টি নতুন নিয়োগ এবং চারটি ইন-সিটু পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব টি কে অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব করা হয়েছে।

প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে লং মার্চ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শিক্ষার্থীদের মিছিলে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও।

ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করে বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় উদাসীনতা দেখানোর কারণেই শিক্ষাসচিবকে অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘নিট প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে উদাসীনতা দেখানোর কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষাসচিবকে বদলি করেছেন। প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা অবহেলা বা উদাসীনতা দেখিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটাই মোদির গ্যারান্টি।’

এদিকে প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের কয়েক ঘণ্টা পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ছাড়া শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে এবং আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে একটি বিল সংসদে পাসের চেষ্টা করবে সরকার।

এনডিটিভি জানায়, সরকারি সূত্র অনুযায়ী, আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় সিজেপি প্রতিনিধি দলের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

asia-post
২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮: ৪০ এএম
২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক
২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করে অনশন ভাঙেন ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত

ভারতেল দিল্লির জন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার সরকারি আশ্বাসের পর অনশন কর্মসূচি শেষ করেছেন পরিবেশ ও শিক্ষা আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ ২৬ দিন অনশনের পর গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এই অনশন ভাঙেন। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করেন তিনি। এ সময় তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমোসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবর (২৩ জুলাই) রাত ২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ৫৯ বছর বয়সি সোনাম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহারের কথা জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও লেহ লাদাখের অ্যাপেক্স বডির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, বিভিন্ন শর্ত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা এবং দেশে সম্ভাব্য সহিংস পরিস্থিতি এড়াতে তার এই সিদ্ধান্ত। কোন কোন শর্তে তিনি অনশন ভাঙলেন, তা পরবর্তীতে বিস্তারিত ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানাবেন। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে শান্ত থাকার এবং যেকোনো সহিংসতা প্রতিরোধের আহ্বান জানান তিনি।

অনশন ভাঙার পর সোনম ওয়াংচুকের সুস্থতা কামনা করে বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই আন্দোলনকারীকে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানান। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এ ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

দীপকে জানান, নিজের জীবন বাজি রেখে ওয়াংচুক পুরো দেশের বিবেক জাগিয়ে তুলেছেন। তবে সোনাম ওয়াংচুক অনশন ভাঙলেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছে।

হাসপাতালে অনশন শেষ করার সময় সোনম ওয়াংচুক সরকার ও উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা সরকারের গৃহীত প্রতিশ্রুতিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করে শোনান। তিনি জানান, জন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী এবং ২০ জুলাইয়ের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেওয়াদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে শিক্ষাসংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত বা আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ইতোমধ্যে সরকার শিক্ষা সচিবকে বরখাস্ত করেছে এবং এসব ঘটনার দ্রুত বিচারের জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠন করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮: ৪০ এএম
২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক
২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করে অনশন ভাঙেন ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত

ভারতেল দিল্লির জন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার সরকারি আশ্বাসের পর অনশন কর্মসূচি শেষ করেছেন পরিবেশ ও শিক্ষা আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ ২৬ দিন অনশনের পর গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এই অনশন ভাঙেন। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করেন তিনি। এ সময় তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমোসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবর (২৩ জুলাই) রাত ২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ৫৯ বছর বয়সি সোনাম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহারের কথা জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও লেহ লাদাখের অ্যাপেক্স বডির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, বিভিন্ন শর্ত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা এবং দেশে সম্ভাব্য সহিংস পরিস্থিতি এড়াতে তার এই সিদ্ধান্ত। কোন কোন শর্তে তিনি অনশন ভাঙলেন, তা পরবর্তীতে বিস্তারিত ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানাবেন। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে শান্ত থাকার এবং যেকোনো সহিংসতা প্রতিরোধের আহ্বান জানান তিনি।

অনশন ভাঙার পর সোনম ওয়াংচুকের সুস্থতা কামনা করে বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই আন্দোলনকারীকে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানান। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এ ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

দীপকে জানান, নিজের জীবন বাজি রেখে ওয়াংচুক পুরো দেশের বিবেক জাগিয়ে তুলেছেন। তবে সোনাম ওয়াংচুক অনশন ভাঙলেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছে।

হাসপাতালে অনশন শেষ করার সময় সোনম ওয়াংচুক সরকার ও উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা সরকারের গৃহীত প্রতিশ্রুতিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করে শোনান। তিনি জানান, জন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী এবং ২০ জুলাইয়ের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেওয়াদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে শিক্ষাসংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত বা আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ইতোমধ্যে সরকার শিক্ষা সচিবকে বরখাস্ত করেছে এবং এসব ঘটনার দ্রুত বিচারের জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠন করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

asia-post
২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩: ০০ এএম
প্রশ্নফাঁসে আরও কঠোর ব্যবস্থা আসছে: মোদী
প্রশ্নফাঁসে আরও কঠোর ব্যবস্থা আসছে: মোদী

নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে শিক্ষার্থী অসন্তোষ ও রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় সরকারের এ দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিচারে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার রাতে প্রশাসনের শীর্ষ পদে বড়ো ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। শুক্রবার এ বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মোদী আরও বলেন, বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে আমরা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা কারাগারে আছে। আমাদের সবচেয়ে বড়ো দায়িত্ব ছিল, যেন কোনো শিক্ষার্থীর একটি বছরও নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত পরীক্ষাগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।

সরকার ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে ‘সর্বোচ্চ ক্ষমতা’ প্রয়োগ করেছে বলে জানান মোদী। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এবং জালিয়াতি চক্রকে মূল উৎপাটন করতে সরকার সামনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মোদী।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩: ০০ এএম
প্রশ্নফাঁসে আরও কঠোর ব্যবস্থা আসছে: মোদী
প্রশ্নফাঁসে আরও কঠোর ব্যবস্থা আসছে: মোদী

নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে শিক্ষার্থী অসন্তোষ ও রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় সরকারের এ দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিচারে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার রাতে প্রশাসনের শীর্ষ পদে বড়ো ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। শুক্রবার এ বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মোদী আরও বলেন, বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে আমরা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা কারাগারে আছে। আমাদের সবচেয়ে বড়ো দায়িত্ব ছিল, যেন কোনো শিক্ষার্থীর একটি বছরও নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত পরীক্ষাগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।

সরকার ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে ‘সর্বোচ্চ ক্ষমতা’ প্রয়োগ করেছে বলে জানান মোদী। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এবং জালিয়াতি চক্রকে মূল উৎপাটন করতে সরকার সামনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মোদী।

asia-post
২৪ জুলাই ২০২৬, ০১: ২৫ এএম
তরুণদের আন্দোলন নিয়ে সমাধান খুঁজতে বললেন সানিয়া মির্জা
তরুণদের আন্দোলন নিয়ে সমাধান খুঁজতে বললেন সানিয়া মির্জা

সানিয়া মির্জা। ছবি: সংগৃহীত

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট প্রশ্নফাঁস কেন্দ্র করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন ভারতের টেনিস কিংবদন্তি সানিয়া মির্জা। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের মূল্যায়ন, বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়ে তিনি তরুণদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ আহ্বান জানান সানিয়া মির্জা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীরা নিট-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে; বিশেষ করে গত কয়েক দিনে তারা যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে, তার জন্য আমি তাদের প্রতি গভীর সহানুভূতি বোধ করছি।’

শিক্ষার্থীদের অসন্তোষকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের কথা শোনা ও তাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান জানানো প্রয়োজন। তাদের হতাশা বা অসন্তোষের বিষয়টি আমলে নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যথাযথ সংস্কার আনা জরুরি।’

সহিংসতার পথ এড়িয়ে কার্যকর সমাধানের ওপর জোর দিয়ে সাবেক এই বিশ্ব তারকা বলেন, ‘আমাদের সমাজে সহিংসতার কোনো স্থান নেই; তাই তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে এমন একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে আমাদের সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ০১: ২৫ এএম
তরুণদের আন্দোলন নিয়ে সমাধান খুঁজতে বললেন সানিয়া মির্জা
তরুণদের আন্দোলন নিয়ে সমাধান খুঁজতে বললেন সানিয়া মির্জা

সানিয়া মির্জা। ছবি: সংগৃহীত

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট প্রশ্নফাঁস কেন্দ্র করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন ভারতের টেনিস কিংবদন্তি সানিয়া মির্জা। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের মূল্যায়ন, বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়ে তিনি তরুণদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ আহ্বান জানান সানিয়া মির্জা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীরা নিট-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে; বিশেষ করে গত কয়েক দিনে তারা যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে, তার জন্য আমি তাদের প্রতি গভীর সহানুভূতি বোধ করছি।’

শিক্ষার্থীদের অসন্তোষকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের কথা শোনা ও তাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান জানানো প্রয়োজন। তাদের হতাশা বা অসন্তোষের বিষয়টি আমলে নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যথাযথ সংস্কার আনা জরুরি।’

সহিংসতার পথ এড়িয়ে কার্যকর সমাধানের ওপর জোর দিয়ে সাবেক এই বিশ্ব তারকা বলেন, ‘আমাদের সমাজে সহিংসতার কোনো স্থান নেই; তাই তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে এমন একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে আমাদের সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

asia-post
২৪ জুলাই ২০২৬, ০১: ০১ এএম
‘আশা হারাবেন না’, শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান ইরফান পাঠানের
‘আশা হারাবেন না’, শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান ইরফান পাঠানের

ইরফান পাঠান। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, পরিবারের ত্যাগ ও তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন ভারতের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সংকটকালীন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

পোস্টে পাঠান লেখেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে ও এই যাত্রায় তাদের পরিবারকে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। পরিস্থিতির কারণে যা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিধায় কারও কখনোই আশা হারানো উচিত নয়।’

শিক্ষার্থীদের প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে আশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে সমান সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমাদের দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমি এও আশা করি যে, ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

পোস্টের শেষে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের সুরক্ষা চেয়ে সাবেক এই ভারতীয় ক্রিকেটার আকুল আবেদন জানিয়ে লেখেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের স্বপ্নগুলোকে রক্ষা করুন।’

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৪ জুলাই ২০২৬, ০১: ০১ এএম
‘আশা হারাবেন না’, শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান ইরফান পাঠানের
‘আশা হারাবেন না’, শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান ইরফান পাঠানের

ইরফান পাঠান। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, পরিবারের ত্যাগ ও তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন ভারতের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সংকটকালীন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

পোস্টে পাঠান লেখেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে ও এই যাত্রায় তাদের পরিবারকে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। পরিস্থিতির কারণে যা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিধায় কারও কখনোই আশা হারানো উচিত নয়।’

শিক্ষার্থীদের প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে আশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে সমান সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমাদের দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমি এও আশা করি যে, ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

পোস্টের শেষে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের সুরক্ষা চেয়ে সাবেক এই ভারতীয় ক্রিকেটার আকুল আবেদন জানিয়ে লেখেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের স্বপ্নগুলোকে রক্ষা করুন।’

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭: ২৭ পিএম
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন

ভারতে ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে রাজধানীর যন্তর মন্তর চত্বরে বিক্ষোভকারীদের বিশাল জনসমাগম ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় আধা-সামরিক বাহিনী ‘র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স’ (র‍্যাফ)-এর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) র‍্যাফের বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয় বলে জানায় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে ক্রমাগত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও সাধারণ মানুষ এসে উপস্থিত হওয়ায় নিরাপত্তাবেষ্টনী কয়েক গুণ জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড তৈরি করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭: ২৭ পিএম
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন

ভারতে ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে রাজধানীর যন্তর মন্তর চত্বরে বিক্ষোভকারীদের বিশাল জনসমাগম ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় আধা-সামরিক বাহিনী ‘র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স’ (র‍্যাফ)-এর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) র‍্যাফের বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয় বলে জানায় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে ক্রমাগত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও সাধারণ মানুষ এসে উপস্থিত হওয়ায় নিরাপত্তাবেষ্টনী কয়েক গুণ জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড তৈরি করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭: ১৭ পিএম
এবার বিক্ষোভে উত্তাল কেরালা

প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যু ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে চলমান আন্দোলনের সমর্থনে এবার আন্দোলনে নেমেছে সিপিআই(এম)-এর ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই)।

দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন ও দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেরালাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেরালায় রাজভবন (লোক ভবন) অভিমুখে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করে এসএফআই।

মিছিলটির উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখেন কেরালা বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা পিনারাই বিজয়ন। এ সময় শত শত এসএফআই কর্মী ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও নিট কেলেঙ্কারির সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানান।

দিল্লির গণ্ডি ছাড়িয়ে দক্ষিণ ভারতেও শিক্ষার্থীদের এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার ফলে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেল।

সূত্র: দ্য হিন্দু

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭: ১৭ পিএম
এবার বিক্ষোভে উত্তাল কেরালা

প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যু ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে চলমান আন্দোলনের সমর্থনে এবার আন্দোলনে নেমেছে সিপিআই(এম)-এর ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই)।

দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন ও দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেরালাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেরালায় রাজভবন (লোক ভবন) অভিমুখে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করে এসএফআই।

মিছিলটির উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখেন কেরালা বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা পিনারাই বিজয়ন। এ সময় শত শত এসএফআই কর্মী ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও নিট কেলেঙ্কারির সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানান।

দিল্লির গণ্ডি ছাড়িয়ে দক্ষিণ ভারতেও শিক্ষার্থীদের এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার ফলে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেল।

সূত্র: দ্য হিন্দু

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬: ৩৭ পিএম
বিক্ষোভকারীদের পাসপোর্স বাতিল করবে সরকার, ভারতজুড়ে বিক্ষোভ কাল

ভারতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সংঘর্ষে জড়িতদের পাসপোর্ট বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিল্লি পুলিশের সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির সময় নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে প্রবেশের চেষ্টা চালান বিক্ষোভকারীরা।

এর জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও এপিসি ভ্যান মোতায়েন করে দিল্লি পুলিশ। তারা শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক করা হয় বলে দাবি করেছে সিজেপি।

সংসদ অভিমুখে কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ২৪ জুলাই (শুক্রবার) সারা দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। দলটি দেশের বিভিন্ন জেলা স্তরের ছাত্র সংসদ ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোকে স্থানীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি তুলে ধরা এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।

নিট পরীক্ষা বাতিল ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্ধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আন্দোলন মূলত গত সোমবারের ঘটনাই নজিরবিহীন মাত্রা পায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও দেখে বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে যোগ দেন, ফলে দিন দিন যন্তর মন্তরে জনসমাগম অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে চরম উত্তাপ দেখা দিয়েছে। ৭, লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে বসেন কংগ্রেসসহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা। তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও আন্দোলন দমনে পুলিশি ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি জানান।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬: ৩৭ পিএম
বিক্ষোভকারীদের পাসপোর্স বাতিল করবে সরকার, ভারতজুড়ে বিক্ষোভ কাল

ভারতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সংঘর্ষে জড়িতদের পাসপোর্ট বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিল্লি পুলিশের সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির সময় নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে প্রবেশের চেষ্টা চালান বিক্ষোভকারীরা।

এর জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও এপিসি ভ্যান মোতায়েন করে দিল্লি পুলিশ। তারা শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক করা হয় বলে দাবি করেছে সিজেপি।

সংসদ অভিমুখে কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ২৪ জুলাই (শুক্রবার) সারা দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। দলটি দেশের বিভিন্ন জেলা স্তরের ছাত্র সংসদ ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোকে স্থানীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি তুলে ধরা এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।

নিট পরীক্ষা বাতিল ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্ধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আন্দোলন মূলত গত সোমবারের ঘটনাই নজিরবিহীন মাত্রা পায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও দেখে বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে যোগ দেন, ফলে দিন দিন যন্তর মন্তরে জনসমাগম অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে চরম উত্তাপ দেখা দিয়েছে। ৭, লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে বসেন কংগ্রেসসহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা। তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও আন্দোলন দমনে পুলিশি ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি জানান।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬: ৩০ পিএম
রাহুল গান্ধীকে একহাত নিলেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী
রাহুল গান্ধীকে একহাত নিলেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন ঘিরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবও। তবে তাদের এই বিক্ষোভে বেজায় চটেছেন ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভের তীব্র সমালোচনা করেন। গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, কংগ্রেসের এমন আচরণ আসলে কুটিল রাজনীতি। নেতাদের উচিত ছিল যন্তর মন্তরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানানো। তাদের পাশে দাঁড়ানো।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে যে প্রতিবাদ হয়েছিল সেটায় সততার অভাব ছিল। মানুষকে এভাবে আর বোকা বানানো যাবে না। এই ভারত যথেষ্ট সচেতন। যারা সৎ নয়, তাদেরকে সমূলে উৎখাত করবে যুবসমাজ।’

গীতাঞ্জলির অভিযোগ, রাজনীতিবিদরা সোনমের জনপ্রিয়তাকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগাতে চাইছেন। তবে কপট রাজনীতি সফল হবে না। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় ও ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে টানা ২৬ দিন ধরে অনশন করছেন সোনম ওয়াংচুক।

তিনি বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে কোনও রাজনীতি নেই। এই আন্দোলন দেখিয়েছে যে, প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতাকেই নিজেদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ফাঁকা বুলি আওড়ে কোনও লাভ নেই ‘

চলমান আন্দোলনের দাবিগুলো স্মরণ করে সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কাছে শাসক-বিরোধী কিছুই নেই। পার্লামেন্ট সর্বোচ্চ স্থান, তারা যেন শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে, এটাই আমাদের দাবি। রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে যারা এই প্রতিবাদে নাম লেখাতে চাইছেন তারা ব্যর্থ হবেই।

গত ২১ জুলাই নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা। তাদের অভিযোগ, আগেরদিন সিজেপির পার্লামেন্ট অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সরকারের পুলিশ বাহিনী দিয়ে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করেন তারা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে গেলেও, কয়েক ঘণ্টা পর ফের ছেড়ে দেয়।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬: ৩০ পিএম
রাহুল গান্ধীকে একহাত নিলেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী
রাহুল গান্ধীকে একহাত নিলেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন ঘিরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবও। তবে তাদের এই বিক্ষোভে বেজায় চটেছেন ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভের তীব্র সমালোচনা করেন। গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, কংগ্রেসের এমন আচরণ আসলে কুটিল রাজনীতি। নেতাদের উচিত ছিল যন্তর মন্তরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানানো। তাদের পাশে দাঁড়ানো।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে যে প্রতিবাদ হয়েছিল সেটায় সততার অভাব ছিল। মানুষকে এভাবে আর বোকা বানানো যাবে না। এই ভারত যথেষ্ট সচেতন। যারা সৎ নয়, তাদেরকে সমূলে উৎখাত করবে যুবসমাজ।’

গীতাঞ্জলির অভিযোগ, রাজনীতিবিদরা সোনমের জনপ্রিয়তাকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগাতে চাইছেন। তবে কপট রাজনীতি সফল হবে না। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় ও ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে টানা ২৬ দিন ধরে অনশন করছেন সোনম ওয়াংচুক।

তিনি বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে কোনও রাজনীতি নেই। এই আন্দোলন দেখিয়েছে যে, প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতাকেই নিজেদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ফাঁকা বুলি আওড়ে কোনও লাভ নেই ‘

চলমান আন্দোলনের দাবিগুলো স্মরণ করে সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কাছে শাসক-বিরোধী কিছুই নেই। পার্লামেন্ট সর্বোচ্চ স্থান, তারা যেন শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে, এটাই আমাদের দাবি। রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে যারা এই প্রতিবাদে নাম লেখাতে চাইছেন তারা ব্যর্থ হবেই।

গত ২১ জুলাই নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা। তাদের অভিযোগ, আগেরদিন সিজেপির পার্লামেন্ট অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সরকারের পুলিশ বাহিনী দিয়ে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করেন তারা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে গেলেও, কয়েক ঘণ্টা পর ফের ছেড়ে দেয়।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ৩৯ পিএম
বারবার আলোচনার প্রস্তাব মোদি সরকারের, পাত্তা দিচ্ছে না সিজেপি

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে চরম বেকায়দায় পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। আন্দোলন দমনে পুলিশি পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পর এবার আলোচনার টেবিলে সমাধানের পথ খুঁজছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে সরকারের পরপর চারবারের আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে নিশ্চিত করেন যে, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিজেপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, ‘শিক্ষার্থী বন্ধুদের স্বার্থে আমাদের আলোচনার দ্বার এখনও উন্মুক্ত। সরকার তাদের সুবিধাজনক যে কোনো সময় ও স্থানে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মর্যাদার লড়াই বা জেদ বজায় রাখার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘জে পি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবন যে কোনো সুবিধাজনক জায়গায় এ বৈঠক হতে পারে। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আমি নিজে উপস্থিত থাকব।’

তবে সিজেপি নেতৃত্ব সরকারের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জানান, কোনো মন্ত্রীর কার্যালয় বা বাসভবনে গিয়ে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।

তারা বলেন, ‘আসল আদালত হলো সাধারণ জনতার আদালত, যা এখন যন্তর মন্তরে রয়েছে। মন্ত্রীদের জনগণের কাছে এসে কথা বলতে হবে। নিরাপত্তাজনিত কোনো বাধা থাকলে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে পারে।’

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় রয়েছে সিজেপি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর থেকে একচুলও না সরার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ৩৯ পিএম
বারবার আলোচনার প্রস্তাব মোদি সরকারের, পাত্তা দিচ্ছে না সিজেপি

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে চরম বেকায়দায় পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। আন্দোলন দমনে পুলিশি পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পর এবার আলোচনার টেবিলে সমাধানের পথ খুঁজছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে সরকারের পরপর চারবারের আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে নিশ্চিত করেন যে, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিজেপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, ‘শিক্ষার্থী বন্ধুদের স্বার্থে আমাদের আলোচনার দ্বার এখনও উন্মুক্ত। সরকার তাদের সুবিধাজনক যে কোনো সময় ও স্থানে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মর্যাদার লড়াই বা জেদ বজায় রাখার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘জে পি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবন যে কোনো সুবিধাজনক জায়গায় এ বৈঠক হতে পারে। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আমি নিজে উপস্থিত থাকব।’

তবে সিজেপি নেতৃত্ব সরকারের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জানান, কোনো মন্ত্রীর কার্যালয় বা বাসভবনে গিয়ে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।

তারা বলেন, ‘আসল আদালত হলো সাধারণ জনতার আদালত, যা এখন যন্তর মন্তরে রয়েছে। মন্ত্রীদের জনগণের কাছে এসে কথা বলতে হবে। নিরাপত্তাজনিত কোনো বাধা থাকলে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে পারে।’

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় রয়েছে সিজেপি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর থেকে একচুলও না সরার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ০৬ পিএম
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান

ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে চলমান আন্দোলনের তীব্রতার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই নিজের অসুস্থতার কথা নিশ্চিত করেছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আন্দোলনের ময়দান না ছাড়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।

পোস্টে অভিজিৎ দীপকে লেখেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার প্রচণ্ড জ্বর ও শরীর ব্যথা হচ্ছে। কোনো মতে টিকে থাকার জন্য আমাকে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ খেতে হচ্ছে। আজ যন্তর মন্তরে এসে যারা আমার দেখা পাননি, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সুস্থ হতে আমার কয়েক ঘণ্টার বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে আশা করছি আজ সন্ধ্যার মধ্যেই আমি পুনরায় আন্দোলন মঞ্চে ফিরে আসব।’

অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের এই লড়াই চালিয়ে যেতে অনড়।

এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গ এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ক্ষুব্ধ জনতা সংসদ ভবনের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দিলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ও কাঁচের বোতল ছোড়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া বক্তব্যে পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘নৃশংসতা’ বলে আখ্যা দেন অভিজিৎ দীপকে। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি পুলিশ ও প্রশাসনের এমন অন্যায্য ও সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিজেপির এই প্রতিষ্ঠাতা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ০৬ পিএম
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান

ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে চলমান আন্দোলনের তীব্রতার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই নিজের অসুস্থতার কথা নিশ্চিত করেছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আন্দোলনের ময়দান না ছাড়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।

পোস্টে অভিজিৎ দীপকে লেখেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার প্রচণ্ড জ্বর ও শরীর ব্যথা হচ্ছে। কোনো মতে টিকে থাকার জন্য আমাকে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ খেতে হচ্ছে। আজ যন্তর মন্তরে এসে যারা আমার দেখা পাননি, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সুস্থ হতে আমার কয়েক ঘণ্টার বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে আশা করছি আজ সন্ধ্যার মধ্যেই আমি পুনরায় আন্দোলন মঞ্চে ফিরে আসব।’

অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের এই লড়াই চালিয়ে যেতে অনড়।

এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গ এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ক্ষুব্ধ জনতা সংসদ ভবনের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দিলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ও কাঁচের বোতল ছোড়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া বক্তব্যে পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘নৃশংসতা’ বলে আখ্যা দেন অভিজিৎ দীপকে। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি পুলিশ ও প্রশাসনের এমন অন্যায্য ও সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিজেপির এই প্রতিষ্ঠাতা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ৩৫ পিএম
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছেন মুম্বাই পুলিশের এক সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে চলমান নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের প্রভাবে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইয়ের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে। মুম্বাই কংগ্রেসের অফিসিয়ার এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি ভিডিও কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে শিবাজি পার্ক, চেম্বুর ও আজাদ ময়দানসহ মুম্বাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভ করে আসছেন। কংগ্রেসের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ সদস্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়ে বলছেন, ‘আবার আন্দোলনে অংশ নিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’।

ভিডিওটি শেয়ার করে মুম্বাই কংগ্রেস তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখে, ‘ভাইরাল ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, মুম্বাই পুলিশ প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছে যে পুনরায় বিক্ষোভে ফিরলে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচতে বাধ্য করা হবে। যদি এটি সত্য হয়, তবে তা কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টাই নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এক নগ্ন আঘাত। বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদ কোনো অপরাধ নয়। হুমকি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়া উচিত।’

ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা ও এর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিডিওতে দৃশ্যমান ওই পুলিশ সদস্যকে তার বর্তমান দায়িত্ব ও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে পরবর্তী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের গৃহীত নজিরবিহীন কৌশল নিয়েও জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ রোধে পুলিশ ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ ও ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি’ চালাচ্ছে।

আগে থেকেই যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর বা আইনি নোটিশ রয়েছে, সেই শিক্ষার্থীরা পুলিশি ফোন ও মেসেজ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে অবস্থান নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নিজ নিজ ‘লাইভ লোকেশন’ সার্বক্ষণিক শেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।

এছাড়া, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩৫(৩) ধারা প্রয়োগ করে সকালে মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় তলব করা হচ্ছে। এটি নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতার ওপর চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ৩৫ পিএম
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছেন মুম্বাই পুলিশের এক সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে চলমান নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের প্রভাবে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইয়ের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে। মুম্বাই কংগ্রেসের অফিসিয়ার এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি ভিডিও কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে শিবাজি পার্ক, চেম্বুর ও আজাদ ময়দানসহ মুম্বাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভ করে আসছেন। কংগ্রেসের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ সদস্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়ে বলছেন, ‘আবার আন্দোলনে অংশ নিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’।

ভিডিওটি শেয়ার করে মুম্বাই কংগ্রেস তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখে, ‘ভাইরাল ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, মুম্বাই পুলিশ প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছে যে পুনরায় বিক্ষোভে ফিরলে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচতে বাধ্য করা হবে। যদি এটি সত্য হয়, তবে তা কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টাই নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এক নগ্ন আঘাত। বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদ কোনো অপরাধ নয়। হুমকি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়া উচিত।’

ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা ও এর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিডিওতে দৃশ্যমান ওই পুলিশ সদস্যকে তার বর্তমান দায়িত্ব ও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে পরবর্তী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের গৃহীত নজিরবিহীন কৌশল নিয়েও জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ রোধে পুলিশ ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ ও ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি’ চালাচ্ছে।

আগে থেকেই যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর বা আইনি নোটিশ রয়েছে, সেই শিক্ষার্থীরা পুলিশি ফোন ও মেসেজ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে অবস্থান নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নিজ নিজ ‘লাইভ লোকেশন’ সার্বক্ষণিক শেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।

এছাড়া, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩৫(৩) ধারা প্রয়োগ করে সকালে মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় তলব করা হচ্ছে। এটি নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতার ওপর চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ১২ পিএম
বিজেপির আলোচনার প্রস্তাব ফের প্রত্যাখ্যান, দাবিতে অনড় সিজেপি

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাব আবারও ফিরিয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারী দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন দলের নেতারা।

সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, জে পি নাড্ডা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সিজেপি নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে মঞ্চে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি সেই আহ্বান নাকচ করে দেন।

এর আগে বুধবারও সিজেপির প্রতিনিধি দলকে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখনও তা ফিরিয়ে দিয়ে সিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারের সঙ্গে যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা কেবল কোনো ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ অনুষ্ঠিত হতে হবে, সরকারের পছন্দসই কোনো কার্যালয়ে নয়।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সিজেপির এই অনড় অবস্থানের কারণে জটিল হয়ে পড়েছে দু'পক্ষের মধ্যস্থতার পথ।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ১২ পিএম
বিজেপির আলোচনার প্রস্তাব ফের প্রত্যাখ্যান, দাবিতে অনড় সিজেপি

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাব আবারও ফিরিয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারী দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন দলের নেতারা।

সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, জে পি নাড্ডা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সিজেপি নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে মঞ্চে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি সেই আহ্বান নাকচ করে দেন।

এর আগে বুধবারও সিজেপির প্রতিনিধি দলকে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখনও তা ফিরিয়ে দিয়ে সিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারের সঙ্গে যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা কেবল কোনো ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ অনুষ্ঠিত হতে হবে, সরকারের পছন্দসই কোনো কার্যালয়ে নয়।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সিজেপির এই অনড় অবস্থানের কারণে জটিল হয়ে পড়েছে দু'পক্ষের মধ্যস্থতার পথ।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩: ০৭ পিএম
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।

এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।

অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩: ০৭ পিএম
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।

এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।

অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৫৪ পিএম
মোদির আশ্বাসের পরও অনড় সিজেপি, আন্দোলন চলবেই

প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।

তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৫৪ পিএম
মোদির আশ্বাসের পরও অনড় সিজেপি, আন্দোলন চলবেই

প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।

তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৩৯ পিএম
উত্তাল দিল্লি, মুম্বাইয়ে কঠোর পদক্ষেপ মোদি সরকারের

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ ‍বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৩৯ পিএম
উত্তাল দিল্লি, মুম্বাইয়ে কঠোর পদক্ষেপ মোদি সরকারের

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ ‍বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

asia-post