প্রশ্নফাঁস: ভারতজুড়ে ককরোচ পার্টির আন্দোলন
‘নিট’ প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ চলছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারীরা অনড় অবস্থানে রয়েছেন। আন্দোলনকারী সিজেপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই জানিয়েছিলেন, ‘নিট’ প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে দেশের যুবসমাজের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল। টানা ৩৫ দিন ধরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর নজিরবিহীন ও অহিংস আন্দোলনের মুখেই মূলত তিনি সরে দাঁড়াতে বাধ্য হলেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) শ্রীনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) সভাপতি মেহবুবা মুফতি।
তিনি বলেন, ‘এটি ভারতের পুরো যুবসমাজের জয়। তরুণরা এতগুলো দিন ধরে ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করে রাজপথে দাঁড়িয়ে থেকেছে, কিন্তু তারা কোনো রকম সহিংসতায় জড়ায়নি। অহিংস এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো, মহাত্মা গান্ধীর আসল ভারত এখন আবার তার নিজের স্থান পুনরুদ্ধার করছে।’
অন্যদিকে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের (এনসি) প্রধান মুখপাত্র তানভীর সাদিক এই পদক্ষেপকে শিক্ষার্থীদের সাহসিকতার ফল হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি বলেন, ‘অবশেষে দেশের শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও দাবির কথা শোনা হয়েছে। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক। যেসব শিক্ষার্থী নিজেদের ভবিষ্যত ও অধিকারের পক্ষে কথা বলতে কোনো ভয় না পেয়ে সামনে এগিয়ে এসেছিল, এটি সম্পূর্ণভাবে তাদেরই বিজয়।’
সূত্র: পিটিআই
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে দেশের যুবসমাজের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল। টানা ৩৫ দিন ধরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর নজিরবিহীন ও অহিংস আন্দোলনের মুখেই মূলত তিনি সরে দাঁড়াতে বাধ্য হলেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) শ্রীনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) সভাপতি মেহবুবা মুফতি।
তিনি বলেন, ‘এটি ভারতের পুরো যুবসমাজের জয়। তরুণরা এতগুলো দিন ধরে ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করে রাজপথে দাঁড়িয়ে থেকেছে, কিন্তু তারা কোনো রকম সহিংসতায় জড়ায়নি। অহিংস এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো, মহাত্মা গান্ধীর আসল ভারত এখন আবার তার নিজের স্থান পুনরুদ্ধার করছে।’
অন্যদিকে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের (এনসি) প্রধান মুখপাত্র তানভীর সাদিক এই পদক্ষেপকে শিক্ষার্থীদের সাহসিকতার ফল হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি বলেন, ‘অবশেষে দেশের শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও দাবির কথা শোনা হয়েছে। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক। যেসব শিক্ষার্থী নিজেদের ভবিষ্যত ও অধিকারের পক্ষে কথা বলতে কোনো ভয় না পেয়ে সামনে এগিয়ে এসেছিল, এটি সম্পূর্ণভাবে তাদেরই বিজয়।’
সূত্র: পিটিআই

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে ২১ জুলাই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরপরই কেন্দ্র সরকারকে উৎখাতের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘এবার এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে।’
শনিবার (২৫ জুলাই) এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে এই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পথে একটি বড় পদক্ষেপ।’ এ সময় তিনি রাজপথে আন্দোলনরত অদম্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান...
বিস্তারিত পড়ুনএখানে

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে ২১ জুলাই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরপরই কেন্দ্র সরকারকে উৎখাতের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘এবার এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে।’
শনিবার (২৫ জুলাই) এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে এই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পথে একটি বড় পদক্ষেপ।’ এ সময় তিনি রাজপথে আন্দোলনরত অদম্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান...
বিস্তারিত পড়ুনএখানে
লাদাখের আলোচিত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে ধন্যবাদ জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একইসঙ্গে টানা ২৬ দিন তার অনশনকে ছাত্র আন্দোলনের ‘নৈতিক শক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সিজেপি সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। দলটির মতে, ওয়াংচুকের ২৬ দিনব্যাপী গান্ধীবাদী সত্যাগ্রহ দেশজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত ও শক্তিশালী করেছে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি ওয়াংচুকের অনশনকে এক ‘বিশুদ্ধ ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, এই অনশন দেশের বিবেককে জাগ্রত করেছে এবং ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নৈতিক শক্তি জুগিয়েছে।
Sonam Wangchuk’s (@Wangchuk66) Gandhian satyagraha awakened an entire nation. Fasting for 26 days for the youth of this country was a pure and supreme sacrifice. It will go down in history as the moral force that united us all against impossible odds.
— Cockroach is Back (@Cockroachisback) July 25, 2026
Words cannot fully express… pic.twitter.com/RZLetDQUSy
লাদাখের আলোচিত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে ধন্যবাদ জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একইসঙ্গে টানা ২৬ দিন তার অনশনকে ছাত্র আন্দোলনের ‘নৈতিক শক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সিজেপি সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। দলটির মতে, ওয়াংচুকের ২৬ দিনব্যাপী গান্ধীবাদী সত্যাগ্রহ দেশজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত ও শক্তিশালী করেছে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি ওয়াংচুকের অনশনকে এক ‘বিশুদ্ধ ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, এই অনশন দেশের বিবেককে জাগ্রত করেছে এবং ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নৈতিক শক্তি জুগিয়েছে।
Sonam Wangchuk’s (@Wangchuk66) Gandhian satyagraha awakened an entire nation. Fasting for 26 days for the youth of this country was a pure and supreme sacrifice. It will go down in history as the moral force that united us all against impossible odds.
— Cockroach is Back (@Cockroachisback) July 25, 2026
Words cannot fully express… pic.twitter.com/RZLetDQUSy

তিন দশক আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে পা রাখেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। মেডিকল ভর্তির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির দায়ে তার পদত্যাগের মূল দাবি জানিয়ে আসছিলেন আন্দোলনকারীরা। শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলনের তীব্র চাপে পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন তিনি।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের রাজনৈতিক জীবনের সূচনালগ্নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রশ্নফাঁসবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস। যে প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের জেরে আন্দোলনের চাপে ধর্মেন্দ্র পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন, একই ধরনের ছাত্র আন্দোলনের হাত ধরেই রাজনীতিতে উত্থান হয়েছিল তার।
সেটা প্রায় ৩০ বছর আগের কথা। উড়িশ্যার উচ্চ মাধ্যমিক বা ‘প্লাস টু’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তিনি ছাত্রদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৯৭ সালে উড়িষ্যায় তৎকালীন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী জানকীবল্লভ পট্টনায়কের সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেস নেতা ভগবত প্রসাদ মোহান্তি।
সে বছর ওড়িশ্যার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ (সিএইচএসই) পরিচালিত প্লাস টু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেই আন্দোলনের তীব্র চাপে ব্যাকফুটে চলে যায় তৎকালীন রাজ্য সরকার....
বিস্তারিত পড়ুন এখানে

তিন দশক আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে পা রাখেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। মেডিকল ভর্তির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির দায়ে তার পদত্যাগের মূল দাবি জানিয়ে আসছিলেন আন্দোলনকারীরা। শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলনের তীব্র চাপে পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন তিনি।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের রাজনৈতিক জীবনের সূচনালগ্নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রশ্নফাঁসবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস। যে প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের জেরে আন্দোলনের চাপে ধর্মেন্দ্র পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন, একই ধরনের ছাত্র আন্দোলনের হাত ধরেই রাজনীতিতে উত্থান হয়েছিল তার।
সেটা প্রায় ৩০ বছর আগের কথা। উড়িশ্যার উচ্চ মাধ্যমিক বা ‘প্লাস টু’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তিনি ছাত্রদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৯৭ সালে উড়িষ্যায় তৎকালীন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী জানকীবল্লভ পট্টনায়কের সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেস নেতা ভগবত প্রসাদ মোহান্তি।
সে বছর ওড়িশ্যার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ (সিএইচএসই) পরিচালিত প্লাস টু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেই আন্দোলনের তীব্র চাপে ব্যাকফুটে চলে যায় তৎকালীন রাজ্য সরকার....
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
আন্দোলনের দাবি আদায়ের সরকারের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে অংশ নেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই মুখপাত্র।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেওয়ার আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তর ত্যাগ করেছেন সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।
অবশ্য তাদের আগেই যন্তর মন্তর ছেড়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে।
পরে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন যে, দীঘ সংগ্রামের পর এখন তার বিশ্রামের প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় হওয়ায় তিনি এখন প্রশান্তির ঘুম দেবেন।
আন্দোলনের দাবি আদায়ের সরকারের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে অংশ নেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই মুখপাত্র।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেওয়ার আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তর ত্যাগ করেছেন সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।
অবশ্য তাদের আগেই যন্তর মন্তর ছেড়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে।
পরে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন যে, দীঘ সংগ্রামের পর এখন তার বিশ্রামের প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় হওয়ায় তিনি এখন প্রশান্তির ঘুম দেবেন।
ভারতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আয়োজিত বিক্ষোভে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচ আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিধানসভার অধিবেশনে পাঁচ অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরে বিকেলের মধ্যেই পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। যদিও সেই পাঁচজনকেই আটক করা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এর আগে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) কলকাতার ধর্মতলায় মিছিলে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পাল্টা জুতা-বোতল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীরা।
এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত সাংবাদিক হেনস্থার অভিযোগও ওঠে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মারধর ও বিশৃঙ্খলার পেছনে যারা আছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: এই সময়
ভারতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আয়োজিত বিক্ষোভে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচ আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিধানসভার অধিবেশনে পাঁচ অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরে বিকেলের মধ্যেই পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। যদিও সেই পাঁচজনকেই আটক করা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এর আগে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) কলকাতার ধর্মতলায় মিছিলে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পাল্টা জুতা-বোতল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীরা।
এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত সাংবাদিক হেনস্থার অভিযোগও ওঠে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মারধর ও বিশৃঙ্খলার পেছনে যারা আছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: এই সময়
ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে সংগঠনটি জানায়, ‘সরকার ককরোচ জনতা পার্টির সমস্ত দাবি মেনে নিয়েছে।’
দাবিগুলো হলো:
১. নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস-জনিত কারণে আত্মঘাতী হওয়া শিক্ষার্থীদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ প্রদান।
২. কেন্দ্রীয় সরকার ও এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলোর দায়ের করা সমস্ত এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে এবং ভবিষ্যতে এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
৩. সিজেপির ৫ দফা পরীক্ষা সংস্কার প্রস্তাবনা সরকার বিবেচনা করবে। এই সংস্কারগুলো নিয়ে আরও আলোচনার জন্য সিজেপি সরকারের সঙ্গে বৈঠক করবে।
এ ছাড়াও টানা এক মাসের বেশি সময় চলা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। আন্দোলনের তীব্রতায় তিনি নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
পদত্যাগের কারণ জানিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, সারা দেশে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে যেন কোনো ‘দেশবিরোধী শক্তি’ কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের অখণ্ডতা বজায় থাকে, সেজন্যে তিনি পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে সংগঠনটি জানায়, ‘সরকার ককরোচ জনতা পার্টির সমস্ত দাবি মেনে নিয়েছে।’
দাবিগুলো হলো:
১. নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস-জনিত কারণে আত্মঘাতী হওয়া শিক্ষার্থীদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ প্রদান।
২. কেন্দ্রীয় সরকার ও এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলোর দায়ের করা সমস্ত এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে এবং ভবিষ্যতে এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
৩. সিজেপির ৫ দফা পরীক্ষা সংস্কার প্রস্তাবনা সরকার বিবেচনা করবে। এই সংস্কারগুলো নিয়ে আরও আলোচনার জন্য সিজেপি সরকারের সঙ্গে বৈঠক করবে।
এ ছাড়াও টানা এক মাসের বেশি সময় চলা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। আন্দোলনের তীব্রতায় তিনি নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
পদত্যাগের কারণ জানিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, সারা দেশে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে যেন কোনো ‘দেশবিরোধী শক্তি’ কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের অখণ্ডতা বজায় থাকে, সেজন্যে তিনি পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবরে যন্তর মন্তরে মিষ্টি বিতরণ। ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ লড়াই ও রাজপথের চরম উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে এনটিএ’র সংস্কার, কর্মকর্তাদের বরখাস্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা আসতেই মিষ্টিমুখের জোয়ারে ভাসল দিল্লির যন্তর মন্তর। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সফল হওয়ার খবর পৌঁছানো মাত্রই প্রতিবাদ মঞ্চের বিষাদ ও ক্ষোভ মুহূর্তের মধ্যে রূপ নেয় বাঁধভাঙা বিজয়োল্লাসে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে সিদ্ধান্তের কথা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এক শিক্ষার্থী অন্য শিক্ষার্থীর মুখে মিষ্টি তুলে দিতে শুরু করেন। লাউডস্পিকারে জাতীয় সংগীতের সুরের সঙ্গে সঙ্গে চারিদিকে শুরু হয় জিলাপি, লাড্ডু ও অন্যান্য মিষ্টি বিতরণের ধুম। জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে আন্দোলনকারীরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন এবং উল্লাসে মেতে ওঠেন।
মিষ্টি হাতে নিয়ে আবেগাপ্লুত এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘এই মিষ্টি শুধু জয়ের আনন্দ নয়, এটি তরুণদের অদম্য সহনশীলতা ও ঐক্যের স্বাদ। দিনের পর দিন রাজপথে বসে আমরা যে কষ্ট সহ্য করেছি, এই মিষ্টির প্রতিটি কামড়ে আজ তারই ন্যায়বিচারের ছোঁয়া রয়েছে।’
আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরের আশপাশে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংবাদকর্মী ও সাধারণ পথচারীদের মধ্যেও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের।
হাজার হাজার শিক্ষার্থীর মুখে জয়ের হাসি এবং হাতে মিষ্টির প্লেট নিয়ে ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কানেক্ট প্লেস এলাকা। আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও বিজয় উদযাপনের এই মিষ্টির তোড়জোড় শেষ বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
সূত্র: রয়টার্স

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবরে যন্তর মন্তরে মিষ্টি বিতরণ। ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ লড়াই ও রাজপথের চরম উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে এনটিএ’র সংস্কার, কর্মকর্তাদের বরখাস্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা আসতেই মিষ্টিমুখের জোয়ারে ভাসল দিল্লির যন্তর মন্তর। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সফল হওয়ার খবর পৌঁছানো মাত্রই প্রতিবাদ মঞ্চের বিষাদ ও ক্ষোভ মুহূর্তের মধ্যে রূপ নেয় বাঁধভাঙা বিজয়োল্লাসে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে সিদ্ধান্তের কথা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এক শিক্ষার্থী অন্য শিক্ষার্থীর মুখে মিষ্টি তুলে দিতে শুরু করেন। লাউডস্পিকারে জাতীয় সংগীতের সুরের সঙ্গে সঙ্গে চারিদিকে শুরু হয় জিলাপি, লাড্ডু ও অন্যান্য মিষ্টি বিতরণের ধুম। জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে আন্দোলনকারীরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন এবং উল্লাসে মেতে ওঠেন।
মিষ্টি হাতে নিয়ে আবেগাপ্লুত এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘এই মিষ্টি শুধু জয়ের আনন্দ নয়, এটি তরুণদের অদম্য সহনশীলতা ও ঐক্যের স্বাদ। দিনের পর দিন রাজপথে বসে আমরা যে কষ্ট সহ্য করেছি, এই মিষ্টির প্রতিটি কামড়ে আজ তারই ন্যায়বিচারের ছোঁয়া রয়েছে।’
আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরের আশপাশে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংবাদকর্মী ও সাধারণ পথচারীদের মধ্যেও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের।
হাজার হাজার শিক্ষার্থীর মুখে জয়ের হাসি এবং হাতে মিষ্টির প্লেট নিয়ে ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কানেক্ট প্লেস এলাকা। আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও বিজয় উদযাপনের এই মিষ্টির তোড়জোড় শেষ বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
সূত্র: রয়টার্স
বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটল। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে নেতারা।
শনিবার (২৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সফল বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল এফআইআর প্রত্যাহার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণসহ আমাদের উত্থাপিত সমস্ত দাবি কেন্দ্র সরকার মেনে নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের ঐতিহাসিক জয় অর্জিত হওয়ায় আমরা সারা দেশের আন্দোলনকারীদের প্রতি অবিলম্বে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট ও বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহারের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’
এর আগে একই দিনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণের বাকি দাবিগুলোতেও সম্মতি জানায় মোদি সরকার।
যন্তর মন্তরসহ রাজপথে অবস্থানরত হাজার হাজার তরুণ শিক্ষার্থী ও জেন-জি আন্দোলনকারীরা সিজেপির এই ঘোষণার পর মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাসের মাধ্যমে উদযাপনে মেতে ওঠেন। একইসঙ্গে রাজপথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভি
বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটল। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে নেতারা।
শনিবার (২৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সফল বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল এফআইআর প্রত্যাহার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণসহ আমাদের উত্থাপিত সমস্ত দাবি কেন্দ্র সরকার মেনে নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের ঐতিহাসিক জয় অর্জিত হওয়ায় আমরা সারা দেশের আন্দোলনকারীদের প্রতি অবিলম্বে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট ও বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহারের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’
এর আগে একই দিনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণের বাকি দাবিগুলোতেও সম্মতি জানায় মোদি সরকার।
যন্তর মন্তরসহ রাজপথে অবস্থানরত হাজার হাজার তরুণ শিক্ষার্থী ও জেন-জি আন্দোলনকারীরা সিজেপির এই ঘোষণার পর মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাসের মাধ্যমে উদযাপনে মেতে ওঠেন। একইসঙ্গে রাজপথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভি

ভারতের দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সিজেপির দুই মুখপাত্র যৌথ সংবাদ সম্মেলনে। ছবি: সংগৃহীত
চলমান টানা আন্দোলনের মুখে অবশেষে নতিস্বীকার করে শিক্ষার্থীদের বাকি দুটি প্রধান দাবিও মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
শনিবার (২৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতারা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির নেতারা জানান, সরকারের সঙ্গে সফল আলোচনার পর কেন্দ্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া সমস্ত আইনি মামলা ও এফআইআর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিতে সম্মত হয়েছে।
একই সঙ্গে আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির কারণে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও সরকার মেনে নিয়েছে বলে জানান তারা।
যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে সিজেপি নেতৃত্ব জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর এই দুটি স্পর্শকাতর শর্তে কেন্দ্র সরকারের চূড়ান্ত সম্মতির মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের মূল দাবিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন ঘটল।
এ সময় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস, জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা উপস্থিত রয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতের দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সিজেপির দুই মুখপাত্র যৌথ সংবাদ সম্মেলনে। ছবি: সংগৃহীত
চলমান টানা আন্দোলনের মুখে অবশেষে নতিস্বীকার করে শিক্ষার্থীদের বাকি দুটি প্রধান দাবিও মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
শনিবার (২৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতারা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির নেতারা জানান, সরকারের সঙ্গে সফল আলোচনার পর কেন্দ্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া সমস্ত আইনি মামলা ও এফআইআর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিতে সম্মত হয়েছে।
একই সঙ্গে আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির কারণে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও সরকার মেনে নিয়েছে বলে জানান তারা।
যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে সিজেপি নেতৃত্ব জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর এই দুটি স্পর্শকাতর শর্তে কেন্দ্র সরকারের চূড়ান্ত সম্মতির মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের মূল দাবিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন ঘটল।
এ সময় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস, জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা উপস্থিত রয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া
প্রশ্নপত্র ফাঁস কেন্দ্র করে দেশজুড়ে গড়ে ওঠা তুমুল ছাত্র আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশিষ্ট সামাজিক ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
শনিবার (২৫ জুলাই) এই ঐতিহাসিক সাফল্যের পেছনে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের সাহস ও সাধারণ নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে মূল কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় লাদাখের এই প্রখ্যাত আন্দোলনকারী বলেন, ‘এটি গণতন্ত্রের স্পষ্ট জয়, একেবারে রাজপথ থেকে উঠে আসা সরাসরি এক গণতন্ত্রের বিজয়।’
অহিংস লড়াই, অদম্য ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের জয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আন্দোলন পরিচালনকারী ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), তরুণ জেন-জি প্রজন্ম ও দেশের প্রতিটি প্রান্তের নাগরিকদের প্রতি আন্তরিক অভিবাদন জানান।
সোনম ওয়াংচুক আরও লেখেন, সিজেপি ও ভারতের অদম্য ‘জেন-জি’-কে আমার হৃদয়ভেজা অভিনন্দন। সেই সঙ্গে বুক থেকে ভয় ও আতঙ্কের চাপ ঝেড়ে ফেলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে এভাবে জেগে ওঠার জন্য দেশের সর্বস্তরের নাগরিককে অশেষ ধন্যবাদ।
সম্প্রতি রাজধানীর যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থন জানিয়ে দীর্ঘ ২৬ দিন ধরে চলা অনশন কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করেন সোনম ওয়াংচুক। তার পরেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের এই বড় খবরটি সামনে এলো।
প্রশ্নপত্র ফাঁস কেন্দ্র করে দেশজুড়ে গড়ে ওঠা তুমুল ছাত্র আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশিষ্ট সামাজিক ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
শনিবার (২৫ জুলাই) এই ঐতিহাসিক সাফল্যের পেছনে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের সাহস ও সাধারণ নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে মূল কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় লাদাখের এই প্রখ্যাত আন্দোলনকারী বলেন, ‘এটি গণতন্ত্রের স্পষ্ট জয়, একেবারে রাজপথ থেকে উঠে আসা সরাসরি এক গণতন্ত্রের বিজয়।’
অহিংস লড়াই, অদম্য ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের জয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আন্দোলন পরিচালনকারী ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), তরুণ জেন-জি প্রজন্ম ও দেশের প্রতিটি প্রান্তের নাগরিকদের প্রতি আন্তরিক অভিবাদন জানান।
সোনম ওয়াংচুক আরও লেখেন, সিজেপি ও ভারতের অদম্য ‘জেন-জি’-কে আমার হৃদয়ভেজা অভিনন্দন। সেই সঙ্গে বুক থেকে ভয় ও আতঙ্কের চাপ ঝেড়ে ফেলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে এভাবে জেগে ওঠার জন্য দেশের সর্বস্তরের নাগরিককে অশেষ ধন্যবাদ।
সম্প্রতি রাজধানীর যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থন জানিয়ে দীর্ঘ ২৬ দিন ধরে চলা অনশন কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করেন সোনম ওয়াংচুক। তার পরেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের এই বড় খবরটি সামনে এলো।
প্রশ্নফাঁস কেন্দ্র করে রাজপথে সোচ্চার তরুণ ছাত্র সমাজ ও ‘জেন-জি’ প্রজন্মকে দেশের প্রকৃত ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো।
শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় গীতাঞ্জলি আংমো লেখেন, “ভারত যে প্রকৃতপক্ষে ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে উঠতে পারে, সেই বিষয়টি যদি কেউ বাস্তবে সত্য প্রমাণ করে দেখিয়ে থাকে, তবে তা আমাদের এই প্রজন্মের তরুণরাই।”
তিনি বলেন, ‘তারা কেবল সনাতন ধর্মের সুপ্রাচীন বাণী প্রচার করেই ক্ষান্ত থাকেনি, বরং নিজেদের জীবনে তা ধারণ ও প্রতিফলিত করেছে। এই তরুণদের রয়েছে ঘৃণা-হীন সাহস, সহিংসতা-মুক্ত শক্তি এবং অন্ধ আনুগত্য-মুক্ত খাঁটি দেশপ্রেম।’
আন্দোলনকারীদের অহিংস রূপের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের সমবয়সীদের তুলনায় আমাদের দেশের তরুণরা দেখিয়ে দিয়েছে যে, নিজের জন্মভূমি ও দেশকে পুড়িয়ে ছারখার না করেও কীভাবে অবিচারের বিরুদ্ধে হিমালয়ের মতো দৃঢ়ভাবে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব।’
ক্ষমতাসীনদের দিকে ইঙ্গিত করে গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, “হয়তো এখন সময় এসেছে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দলগুলোরও এই তরুণ ভারতীয়দের কাছ থেকে সনাতন হিন্দুধর্ম, প্রকৃত জাতীয়তাবাদ এবং ‘বিশ্বগুরু’ হওয়ার আসল অর্থ ঠিক কী; তা নতুন করে শেখার ও উপলব্ধি করার।”
প্রশ্নফাঁস কেন্দ্র করে রাজপথে সোচ্চার তরুণ ছাত্র সমাজ ও ‘জেন-জি’ প্রজন্মকে দেশের প্রকৃত ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো।
শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় গীতাঞ্জলি আংমো লেখেন, “ভারত যে প্রকৃতপক্ষে ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে উঠতে পারে, সেই বিষয়টি যদি কেউ বাস্তবে সত্য প্রমাণ করে দেখিয়ে থাকে, তবে তা আমাদের এই প্রজন্মের তরুণরাই।”
তিনি বলেন, ‘তারা কেবল সনাতন ধর্মের সুপ্রাচীন বাণী প্রচার করেই ক্ষান্ত থাকেনি, বরং নিজেদের জীবনে তা ধারণ ও প্রতিফলিত করেছে। এই তরুণদের রয়েছে ঘৃণা-হীন সাহস, সহিংসতা-মুক্ত শক্তি এবং অন্ধ আনুগত্য-মুক্ত খাঁটি দেশপ্রেম।’
আন্দোলনকারীদের অহিংস রূপের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের সমবয়সীদের তুলনায় আমাদের দেশের তরুণরা দেখিয়ে দিয়েছে যে, নিজের জন্মভূমি ও দেশকে পুড়িয়ে ছারখার না করেও কীভাবে অবিচারের বিরুদ্ধে হিমালয়ের মতো দৃঢ়ভাবে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব।’
ক্ষমতাসীনদের দিকে ইঙ্গিত করে গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, “হয়তো এখন সময় এসেছে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দলগুলোরও এই তরুণ ভারতীয়দের কাছ থেকে সনাতন হিন্দুধর্ম, প্রকৃত জাতীয়তাবাদ এবং ‘বিশ্বগুরু’ হওয়ার আসল অর্থ ঠিক কী; তা নতুন করে শেখার ও উপলব্ধি করার।”
ভারত সরকারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিদল। শনিবার (২৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই বৈঠক।
বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাজধানী নয়াদিল্লিতে উভয় পক্ষ বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। সেসময় আন্দোলনকারী সিজেপির কাছ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টা চেয়ে নিয়েছিল ভারত সরকার।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ভারত সরকারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিদল। শনিবার (২৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই বৈঠক।
বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাজধানী নয়াদিল্লিতে উভয় পক্ষ বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। সেসময় আন্দোলনকারী সিজেপির কাছ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টা চেয়ে নিয়েছিল ভারত সরকার।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশপ্রত ফাঁস কেলেঙ্কারি ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরও আন্দোলন প্রত্যাহার করছেন না শিক্ষার্থীরা। এবার তাদের আন্দোলন ও দাবি-দাওয়ায় সায় জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার।
শনিবার (২৫ জুলাই) কর্ণাটকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিবকুমার স্পষ্ট ভাষায় জানান, শিক্ষার্থীদের সব উদ্বেগের বিষয়গুলোর পুরোপুরি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কংগ্রেস দল তাদের এই প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিবাদ ও আন্দোলন হলো গণতন্ত্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষার্থীরা যে ন্যায়সংগত দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছে, তার পূর্ণাঙ্গ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।’
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো এখন আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মতো বাকি দাবিগুলো আদায়ের ওপর জোর দিচ্ছে।
সূত্র: দ্য হিন্দু

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশপ্রত ফাঁস কেলেঙ্কারি ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরও আন্দোলন প্রত্যাহার করছেন না শিক্ষার্থীরা। এবার তাদের আন্দোলন ও দাবি-দাওয়ায় সায় জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার।
শনিবার (২৫ জুলাই) কর্ণাটকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিবকুমার স্পষ্ট ভাষায় জানান, শিক্ষার্থীদের সব উদ্বেগের বিষয়গুলোর পুরোপুরি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কংগ্রেস দল তাদের এই প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিবাদ ও আন্দোলন হলো গণতন্ত্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষার্থীরা যে ন্যায়সংগত দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছে, তার পূর্ণাঙ্গ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।’
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো এখন আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মতো বাকি দাবিগুলো আদায়ের ওপর জোর দিচ্ছে।
সূত্র: দ্য হিন্দু
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেছেন, ‘আমাদের তিনটি দাবি লিখিতভাবে মেনে নেওয়া হলে আমরা বাড়ি ফিরে যাব।’
তিনি বরেন, ‘আমরা সারা দেশে শান্তিপূর্ণ মোমবাতি মিছিল বের করার অনুমতি চেয়েছি। সবারই উচিত আজ সন্ধ্যা ৬টায় সারা দেশে মোমবাতি মিছিল বের করা।’
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেছেন, ‘আমাদের তিনটি দাবি লিখিতভাবে মেনে নেওয়া হলে আমরা বাড়ি ফিরে যাব।’
তিনি বরেন, ‘আমরা সারা দেশে শান্তিপূর্ণ মোমবাতি মিছিল বের করার অনুমতি চেয়েছি। সবারই উচিত আজ সন্ধ্যা ৬টায় সারা দেশে মোমবাতি মিছিল বের করা।’
প্রশ্নফাঁস আন্দোলন ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর রাজধানী নয়াদিল্লির প্রাণকেন্দ্রে জনস্রোত নামায় চরম ট্রাফিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিকদের নয়াদিল্লি এলাকা অভিমুখে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক বিশেষ জরুরি ট্রাফিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
এতে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সমগ্র নয়াদিল্লি এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ও অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। অনভিপ্রেত বিলম্ব এড়াতে এবং ঝামেলামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করতে সাধারণ যাত্রী ও নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া নয়াদিল্লি এলাকা এড়িয়ে বিকল্প পথ ব্যবহারের বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’
প্রশ্নফাঁস আন্দোলন ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর রাজধানী নয়াদিল্লির প্রাণকেন্দ্রে জনস্রোত নামায় চরম ট্রাফিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিকদের নয়াদিল্লি এলাকা অভিমুখে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক বিশেষ জরুরি ট্রাফিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
এতে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সমগ্র নয়াদিল্লি এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ও অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। অনভিপ্রেত বিলম্ব এড়াতে এবং ঝামেলামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করতে সাধারণ যাত্রী ও নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া নয়াদিল্লি এলাকা এড়িয়ে বিকল্প পথ ব্যবহারের বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবরের মধ্যে আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তর এলাকার বাই সংসদ মার্গের দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আন্দোলনকারী ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যের মধ্যে এই সংঘেষের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকের এই সংঘর্ষে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানিয়েছে দ্য হিন্দু।
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবরের মধ্যে আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তর এলাকার বাই সংসদ মার্গের দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আন্দোলনকারী ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যের মধ্যে এই সংঘেষের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকের এই সংঘর্ষে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানিয়েছে দ্য হিন্দু।
টানা আন্দোলনে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ অন্যতম প্রধান দাবি ছিল ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)। দাবি মেনে মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার (২৫ জুলাই) এ খবর আন্দোলনস্থল দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় ছড়ালে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, ‘আমরা পেরেছি! ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।’
তবে আন্দোলন এখনই শেষ হচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দেন অভিজিৎ দীপকে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেও আমাদের প্রধান দুটি দাবি এখনো পূরণ হয়নি। আমরা এভাবে রাজপথ ছেড়ে যাব না। প্রথমত, প্রশ্নফাঁসের মানসিক চাপ সইতে না পেরে যে শিক্ষার্থীরা আত্মহত্যা করেছে, তাদের পরিবারকে অবিলম্বে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’
সিজেপি নেতা বলেন, ‘দ্বিতীয়ত দাবি হলো গত ২০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো ও নির্যাতনকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। মনে রাখবেন, তেলাপোকার (সিজেপি) সাথে লাগতে আসবেন না।’
অন্যদিকে পদত্যাগের পর এক বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর স্বার্থে ও দেশের যুবসমাজ যাতে বিভ্রান্তির জালে আটকে না পড়ে, সে কারণেই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকেই নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের সার্বিক দায়ভার স্বীকার করেছিলাম।’
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
টানা আন্দোলনে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ অন্যতম প্রধান দাবি ছিল ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)। দাবি মেনে মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার (২৫ জুলাই) এ খবর আন্দোলনস্থল দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় ছড়ালে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, ‘আমরা পেরেছি! ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।’
তবে আন্দোলন এখনই শেষ হচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দেন অভিজিৎ দীপকে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেও আমাদের প্রধান দুটি দাবি এখনো পূরণ হয়নি। আমরা এভাবে রাজপথ ছেড়ে যাব না। প্রথমত, প্রশ্নফাঁসের মানসিক চাপ সইতে না পেরে যে শিক্ষার্থীরা আত্মহত্যা করেছে, তাদের পরিবারকে অবিলম্বে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’
সিজেপি নেতা বলেন, ‘দ্বিতীয়ত দাবি হলো গত ২০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো ও নির্যাতনকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। মনে রাখবেন, তেলাপোকার (সিজেপি) সাথে লাগতে আসবেন না।’
অন্যদিকে পদত্যাগের পর এক বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর স্বার্থে ও দেশের যুবসমাজ যাতে বিভ্রান্তির জালে আটকে না পড়ে, সে কারণেই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকেই নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের সার্বিক দায়ভার স্বীকার করেছিলাম।’
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর জানিয়ে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন অভিজিৎ দীপকে। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
তুমুল আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন রাজপথে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা। পদত্যাগের এই সিদ্ধান্তকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দিল্লির যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘বলা হতো এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। কিন্তু দুনিয়াও মাথা নত করে, তবে তাকে নোয়ানোর মতো মানুষ চাই।’
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর মঞ্চ থেকে দীপকে ঘোষণা দেন, ‘আমরা পেরেছি! ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এই পদত্যাগই প্রমাণ করে যে, আপনি যদি ভয় না পান এবং সরকারের সামনে মাথা নত না করেন, তবে যে কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগ আদায় করা সম্ভব। গণতন্ত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’
সিজেপি প্রধানের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই যন্তর মন্তরে উপস্থিত হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সমর্থক স্লোগান, হর্ষধ্বনি ও করতালিতে চত্বর মুখরিত করে তোলেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর জানিয়ে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন অভিজিৎ দীপকে। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
তুমুল আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন রাজপথে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা। পদত্যাগের এই সিদ্ধান্তকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দিল্লির যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘বলা হতো এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। কিন্তু দুনিয়াও মাথা নত করে, তবে তাকে নোয়ানোর মতো মানুষ চাই।’
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর মঞ্চ থেকে দীপকে ঘোষণা দেন, ‘আমরা পেরেছি! ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এই পদত্যাগই প্রমাণ করে যে, আপনি যদি ভয় না পান এবং সরকারের সামনে মাথা নত না করেন, তবে যে কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগ আদায় করা সম্ভব। গণতন্ত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’
সিজেপি প্রধানের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই যন্তর মন্তরে উপস্থিত হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সমর্থক স্লোগান, হর্ষধ্বনি ও করতালিতে চত্বর মুখরিত করে তোলেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান উল্লেখ করেন, যন্তর মন্তরসহ সারাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে যাতে কোনো ‘দেশবিরোধী শক্তি’ কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের অখণ্ডতা বজায় থাকে, সেই লক্ষ্যেই তিনি পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি লেখেন, ‘ভারতের কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত যাতে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে এবং আমাদের সন্তানরা যাতে পড়ালেখা ও ক্যারিয়ার গড়ার দিকে মনোনিবেশ করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করাই আমার প্রধান উদ্দেশ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনাবলী আমাকে ব্যথিত করেছে। এটি আমার কাছে ব্যক্তিগত মর্যাদার কোনো বিষয় নয়... আমার দৃঢ় সংকল্প হলো, আমরা দেশের যুবশক্তিকে বিভ্রান্তির জালে আটকা পড়তে দেব না। যন্তর মন্তর ও দেশের অন্যান্য স্থানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা যেন কোনো দেশবিরোধী শক্তি কাজে লাগাতে না পারে... এসব বিষয় বিবেচনা করে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’
রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির অনড় অবস্থান, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচি ও গত কিছুদিন ধরে চলা তুমুল বিক্ষোভের প্রধান দাবিই ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। সরকারের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার সময় চেয়ে নেওয়ার পর শনিবার দুপুরেই পদত্যাগের এই বড় ঘোষণাটি এলো।
আন্দোলনের অন্যতম প্রধান এই দাবি পূরণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং এটিকে ছাত্র সমাজের বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান উল্লেখ করেন, যন্তর মন্তরসহ সারাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে যাতে কোনো ‘দেশবিরোধী শক্তি’ কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের অখণ্ডতা বজায় থাকে, সেই লক্ষ্যেই তিনি পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি লেখেন, ‘ভারতের কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত যাতে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে এবং আমাদের সন্তানরা যাতে পড়ালেখা ও ক্যারিয়ার গড়ার দিকে মনোনিবেশ করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করাই আমার প্রধান উদ্দেশ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনাবলী আমাকে ব্যথিত করেছে। এটি আমার কাছে ব্যক্তিগত মর্যাদার কোনো বিষয় নয়... আমার দৃঢ় সংকল্প হলো, আমরা দেশের যুবশক্তিকে বিভ্রান্তির জালে আটকা পড়তে দেব না। যন্তর মন্তর ও দেশের অন্যান্য স্থানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা যেন কোনো দেশবিরোধী শক্তি কাজে লাগাতে না পারে... এসব বিষয় বিবেচনা করে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’
রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির অনড় অবস্থান, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচি ও গত কিছুদিন ধরে চলা তুমুল বিক্ষোভের প্রধান দাবিই ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। সরকারের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার সময় চেয়ে নেওয়ার পর শনিবার দুপুরেই পদত্যাগের এই বড় ঘোষণাটি এলো।
আন্দোলনের অন্যতম প্রধান এই দাবি পূরণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং এটিকে ছাত্র সমাজের বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে সিজেপি জানায়, ‘শিক্ষামন্ত্রী তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ছাত্রশক্তি দীর্ঘজীবী হোক!’
টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে সিজেপি জানায়, ‘শিক্ষামন্ত্রী তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ছাত্রশক্তি দীর্ঘজীবী হোক!’

রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: সংগৃহীত
কলকাতার ধর্মতলায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সরগরম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত গণমাধ্যমকর্মীদের দেখতে গিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে শুভেন্দু অধিকারী হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যান। সেখানে প্রায় আধা ঘণ্টা অবস্থান করে চিকিৎসকদের কাছে আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।
হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ‘কটা দিন অপেক্ষা করুন, ওদের কীভাবে শিক্ষা দিতে হয়, তা আমার জানা আছে। এই ‘শুক্রবারি’ ও কাকরোচদের এবার দেখিয়ে দেব।’
তার এমন মন্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: সংগৃহীত
কলকাতার ধর্মতলায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সরগরম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত গণমাধ্যমকর্মীদের দেখতে গিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে শুভেন্দু অধিকারী হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যান। সেখানে প্রায় আধা ঘণ্টা অবস্থান করে চিকিৎসকদের কাছে আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।
হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ‘কটা দিন অপেক্ষা করুন, ওদের কীভাবে শিক্ষা দিতে হয়, তা আমার জানা আছে। এই ‘শুক্রবারি’ ও কাকরোচদের এবার দেখিয়ে দেব।’
তার এমন মন্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের খাবার পৌঁছাতে বাধার দিচ্ছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে শনিবার (২৫ জুলাই) দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিনিধি তাবশীর শামস জানিয়েছেন, আন্দোলন স্থলে অনলাইন ফুড ডেলিভারির লোকদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ।
তবে যন্তর মন্তর এলাকার বাইরে পুরো দিল্লিতে সুইগি বা জোম্যাটোর মতো অ্যাপভিত্তিক খাবার সরবরাহ সেবা নিষিদ্ধের বিষয়টি অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবশ্য সরাসরি বাইক বা ডেলিভারি বয়দের ঢুকতে বাধা দেওয়ায় ভিন্ন পথ অবলম্বন করেছেন আন্দোলনকারীরা। বাংলা সাহেব গুরুদুয়ারার কাছে অবস্থানরত স্বেচ্ছাসেবকেরা বিভিন্ন রেস্তোরাঁ থেকে একবারে বিপুল পরিমাণ খাবারের অর্ডার দিচ্ছেন। এরপর সেসব খাবার অটো এবং অন্যান্য যানবাহনে করে ঘুরিয়ে আন্দোলন স্থলে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখানে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ম্যাকডোনাল্ডসের বার্গার বিতরণ করতে দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশমুখে পুলিশ সরাসরি অবস্থান নিয়ে ডেলিভারি পার্টনারদের থামিয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে শনিবার সকাল থেকে সেখানে যেকোনো ডেলিভারি বাইক দেখলেই তা আটকে দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঝামেলার কারণে রেস্তোরাঁ এবং ডেলিভারি কর্মীরা সরাসরি যন্তর মন্তর আন্দোলন স্থলকে গন্তব্য হিসেবে দেওয়া যেকোনো খাবারের অর্ডার বাতিল করছেন কিংবা সরাসরি নিতে অস্বীকার করছেন।
অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে দিল্লি পুলিশ বলছে, পুরো এলাকা জুড়ে এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি।
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের খাবার পৌঁছাতে বাধার দিচ্ছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে শনিবার (২৫ জুলাই) দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিনিধি তাবশীর শামস জানিয়েছেন, আন্দোলন স্থলে অনলাইন ফুড ডেলিভারির লোকদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ।
তবে যন্তর মন্তর এলাকার বাইরে পুরো দিল্লিতে সুইগি বা জোম্যাটোর মতো অ্যাপভিত্তিক খাবার সরবরাহ সেবা নিষিদ্ধের বিষয়টি অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবশ্য সরাসরি বাইক বা ডেলিভারি বয়দের ঢুকতে বাধা দেওয়ায় ভিন্ন পথ অবলম্বন করেছেন আন্দোলনকারীরা। বাংলা সাহেব গুরুদুয়ারার কাছে অবস্থানরত স্বেচ্ছাসেবকেরা বিভিন্ন রেস্তোরাঁ থেকে একবারে বিপুল পরিমাণ খাবারের অর্ডার দিচ্ছেন। এরপর সেসব খাবার অটো এবং অন্যান্য যানবাহনে করে ঘুরিয়ে আন্দোলন স্থলে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখানে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ম্যাকডোনাল্ডসের বার্গার বিতরণ করতে দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশমুখে পুলিশ সরাসরি অবস্থান নিয়ে ডেলিভারি পার্টনারদের থামিয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে শনিবার সকাল থেকে সেখানে যেকোনো ডেলিভারি বাইক দেখলেই তা আটকে দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঝামেলার কারণে রেস্তোরাঁ এবং ডেলিভারি কর্মীরা সরাসরি যন্তর মন্তর আন্দোলন স্থলকে গন্তব্য হিসেবে দেওয়া যেকোনো খাবারের অর্ডার বাতিল করছেন কিংবা সরাসরি নিতে অস্বীকার করছেন।
অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে দিল্লি পুলিশ বলছে, পুরো এলাকা জুড়ে এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কেশব মহন্তর মেয়ে দিবিশা মহন্ত। ছবি: সংগৃহীত
আসামের বিজেপি জোট সরকারের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কেশব মহন্তর মেয়ে দিবিশা মহন্ত কেন্দ্রীয় সরকারবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে যোগ দিয়ে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন। সম্প্রতি দিল্লির যন্তর মন্তরের পর গুয়াহাটির চাছালে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে তিনি অংশ নেন। সেখানে তাকে সরাসরি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। সেই প্রতিবাদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।
এনডিটিভির প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাজপথে নামেন মন্ত্রী-কন্যা দিবিশা। এ সময় তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ স্লোগান দেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদের অধিকারকে শ্রদ্ধা করে।
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও জানান, এটি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং আমরা তাদের দাবি ও যুক্তিকে সম্মান জানাই। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তবে এই মুহূর্তে আসাম ভয়াবহ বন্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই আমি সবাইকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় মনোযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
কেশব মহন্ত ২০১৬ সাল থেকে আসামের বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিজেপির অন্যতম প্রধান শরিক দল আসাম গণ পরিষদের (এজিপি) একজন শীর্ষনেতা।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কেশব মহন্তর মেয়ে দিবিশা মহন্ত। ছবি: সংগৃহীত
আসামের বিজেপি জোট সরকারের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কেশব মহন্তর মেয়ে দিবিশা মহন্ত কেন্দ্রীয় সরকারবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে যোগ দিয়ে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন। সম্প্রতি দিল্লির যন্তর মন্তরের পর গুয়াহাটির চাছালে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে তিনি অংশ নেন। সেখানে তাকে সরাসরি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। সেই প্রতিবাদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।
এনডিটিভির প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাজপথে নামেন মন্ত্রী-কন্যা দিবিশা। এ সময় তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ স্লোগান দেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদের অধিকারকে শ্রদ্ধা করে।
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও জানান, এটি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং আমরা তাদের দাবি ও যুক্তিকে সম্মান জানাই। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তবে এই মুহূর্তে আসাম ভয়াবহ বন্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই আমি সবাইকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় মনোযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
কেশব মহন্ত ২০১৬ সাল থেকে আসামের বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিজেপির অন্যতম প্রধান শরিক দল আসাম গণ পরিষদের (এজিপি) একজন শীর্ষনেতা।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভিডিওতে ইতিবাচক সাড়া এবং দূরদর্শী পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি দেশের তরুণদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে ইন্সটাগ্রামে প্রকাশিত ওই বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘ধন্যবাদ, বন্ধুরা। গতকাল রাতে আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলাম। আপনারা যেভাবে ভিডিওটিতে সাড়া দিয়েছেন, দূরদর্শী পরামর্শ পাঠিয়েছেন... সবাইকে ধন্যবাদ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রতি আপনাদের ভালোবাসা বজায় থাকবে, এবং আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে... ধন্যবাদ, বন্ধুরা।’
দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মুখে বহস্পতিবারও (২৩ জুলাই) ভিডিও বার্তায় কথা বলেন মোদি। ওই বার্তায় তিনি বলেন, ‘বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের জন্য খুবই কষ্টদায়ক। এই কারণে গত আড়াই মাসে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
আইনগত ব্যবস্থা ও পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অপরাধীদের ধরা হয়েছে এবং তারা জেলে রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল যেন শিক্ষার্থীদের একটি বছরও নষ্ট না হয়। অবিলম্বে পরীক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।’
দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের অগ্রগতির কথাও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের জন্য বিভাগগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিলাম। আজ, বিভাগগুলো কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং গভীর রাতে আমাকে প্রস্তাবটি দিয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার), মন্ত্রিসভায় একটি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরামর্শের পর, এটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামি সোমবার থেকে, যখন সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হবে, আমরা সেই বিলটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাস করার চেষ্টা করব।’
ককরোট জনতার আন্দোলন
এদিকে কাকরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদের ওপর পুলিশি ক্র্যাকডাউনের কয়েকদিন পর কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যে উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির ৪৭ জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে আন্দোলনকারীরা এখনও তাদের মূল দাবি অর্থাৎ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে অনড় রয়েছেন। শুক্রবার সিজিপি প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি দাবিনামা পেশ করেন। এতে এনইইটি (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর আত্মহত্যায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অবশ্য সরকারি সূত্রগুলো সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে নিশ্চিত করেছে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রতি ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ফলে তাকে বর্তমান পদ থেকে সরানো হবে না।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভিডিওতে ইতিবাচক সাড়া এবং দূরদর্শী পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি দেশের তরুণদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে ইন্সটাগ্রামে প্রকাশিত ওই বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘ধন্যবাদ, বন্ধুরা। গতকাল রাতে আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলাম। আপনারা যেভাবে ভিডিওটিতে সাড়া দিয়েছেন, দূরদর্শী পরামর্শ পাঠিয়েছেন... সবাইকে ধন্যবাদ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রতি আপনাদের ভালোবাসা বজায় থাকবে, এবং আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে... ধন্যবাদ, বন্ধুরা।’
দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মুখে বহস্পতিবারও (২৩ জুলাই) ভিডিও বার্তায় কথা বলেন মোদি। ওই বার্তায় তিনি বলেন, ‘বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের জন্য খুবই কষ্টদায়ক। এই কারণে গত আড়াই মাসে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
আইনগত ব্যবস্থা ও পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অপরাধীদের ধরা হয়েছে এবং তারা জেলে রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল যেন শিক্ষার্থীদের একটি বছরও নষ্ট না হয়। অবিলম্বে পরীক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।’
দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের অগ্রগতির কথাও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের জন্য বিভাগগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিলাম। আজ, বিভাগগুলো কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং গভীর রাতে আমাকে প্রস্তাবটি দিয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার), মন্ত্রিসভায় একটি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরামর্শের পর, এটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামি সোমবার থেকে, যখন সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হবে, আমরা সেই বিলটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাস করার চেষ্টা করব।’
ককরোট জনতার আন্দোলন
এদিকে কাকরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদের ওপর পুলিশি ক্র্যাকডাউনের কয়েকদিন পর কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যে উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির ৪৭ জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে আন্দোলনকারীরা এখনও তাদের মূল দাবি অর্থাৎ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে অনড় রয়েছেন। শুক্রবার সিজিপি প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি দাবিনামা পেশ করেন। এতে এনইইটি (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর আত্মহত্যায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অবশ্য সরকারি সূত্রগুলো সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে নিশ্চিত করেছে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রতি ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ফলে তাকে বর্তমান পদ থেকে সরানো হবে না।

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের দিল্লিতে চলমান যুবকদের আন্দোলনের মুখে ‘ককরোচ’ বিতর্কে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি বলেছেন, আদালতে শুনানি চলাকালে তার করা ‘ককরোচ’ মন্তব্য কেবল ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে আইন পেশায় ঢোকা ব্যক্তিদের উদ্দেশে ছিল, দেশের যুবসমাজের জন্য নয়।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ভারতের প্রধান বিচারপতি জানান, দেশের যুবসমাজের প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে এবং তাদের উদ্দেশ্য করে তিনি কোনো কটু কথা বলেননি।
সূর্য কান্ত বলেন, অতীতে স্বয়ং বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়াই ভুয়া আইন ডিগ্রির বিষয়টি সামনে এনেছিল। সেই তথ্যের আলোকে তিনি বিচার বিভাগ থেকে এসব ভুয়া ডিগ্রিধারীদের ছেঁটে ফেলার প্রেক্ষাপটে ওই মন্তব্য করেছিলেন।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা মূলত জাল সনদ ব্যবহার করে পেছনের দরজা দিয়ে আইনজীবী হিসেবে পেশায় ঢুকে পড়েছে, তাদেরকে কেন্দ্র করে আলোচনাটি হয়েছিল। কারণ এদের মাধ্যমে মহৎ এই পেশার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ভারতের প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আমি যখন দেশের কোথাও সফরে যাই, তখন অসংখ্য তরুণ-যুবক আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে। সত্যি বলতে, আমি এই দেশের যুবসমাজের থেকে কাজের শক্তি ও উৎসাহ পাই।
তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণদের যদি কোনো ন্যায়সঙ্গত ক্ষোভ বা দাবি থাকে এবং তারা যদি আদালতের মাধ্যমে তার সমাধান চায়, তবে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের দরজা তাদের জন্য সবসময় খোলা রয়েছে। সংবিধান ও দেশের আইন মেনে তাদের সব সমস্যার সমাধান করা হবে।
বিতর্কের পটভূমি উল্লেখ করে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৫ মে একটি মামলার শুনানিতে আইন পেশায় বেকার যুবকদের ককরোচের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ভারতে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয় এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে কাকরোচ জনতা পার্টি (সিজিপি) নামে একটি দলও গঠিত হয়। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে তিনি পুরো দেশের যুবসমাজকে অপমান করেছেন। তবে এর পরদিন প্রধান বিচারপতি এক লিখিত বিবৃতিতে জানান, গণমাধ্যমের একটি অংশ তার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে।
সংশোধনী বিবৃতিতে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অপেশাদার বা অহেতুক একটি মামলার শুনানিতে তার বলা কথাকে গণমাধ্যমে ভুলভাবে তুলে ধরায় তিনি গভীরভাবে ব্যথিত।

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের দিল্লিতে চলমান যুবকদের আন্দোলনের মুখে ‘ককরোচ’ বিতর্কে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি বলেছেন, আদালতে শুনানি চলাকালে তার করা ‘ককরোচ’ মন্তব্য কেবল ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে আইন পেশায় ঢোকা ব্যক্তিদের উদ্দেশে ছিল, দেশের যুবসমাজের জন্য নয়।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ভারতের প্রধান বিচারপতি জানান, দেশের যুবসমাজের প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে এবং তাদের উদ্দেশ্য করে তিনি কোনো কটু কথা বলেননি।
সূর্য কান্ত বলেন, অতীতে স্বয়ং বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়াই ভুয়া আইন ডিগ্রির বিষয়টি সামনে এনেছিল। সেই তথ্যের আলোকে তিনি বিচার বিভাগ থেকে এসব ভুয়া ডিগ্রিধারীদের ছেঁটে ফেলার প্রেক্ষাপটে ওই মন্তব্য করেছিলেন।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা মূলত জাল সনদ ব্যবহার করে পেছনের দরজা দিয়ে আইনজীবী হিসেবে পেশায় ঢুকে পড়েছে, তাদেরকে কেন্দ্র করে আলোচনাটি হয়েছিল। কারণ এদের মাধ্যমে মহৎ এই পেশার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ভারতের প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আমি যখন দেশের কোথাও সফরে যাই, তখন অসংখ্য তরুণ-যুবক আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে। সত্যি বলতে, আমি এই দেশের যুবসমাজের থেকে কাজের শক্তি ও উৎসাহ পাই।
তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণদের যদি কোনো ন্যায়সঙ্গত ক্ষোভ বা দাবি থাকে এবং তারা যদি আদালতের মাধ্যমে তার সমাধান চায়, তবে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের দরজা তাদের জন্য সবসময় খোলা রয়েছে। সংবিধান ও দেশের আইন মেনে তাদের সব সমস্যার সমাধান করা হবে।
বিতর্কের পটভূমি উল্লেখ করে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৫ মে একটি মামলার শুনানিতে আইন পেশায় বেকার যুবকদের ককরোচের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ভারতে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয় এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে কাকরোচ জনতা পার্টি (সিজিপি) নামে একটি দলও গঠিত হয়। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে তিনি পুরো দেশের যুবসমাজকে অপমান করেছেন। তবে এর পরদিন প্রধান বিচারপতি এক লিখিত বিবৃতিতে জানান, গণমাধ্যমের একটি অংশ তার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে।
সংশোধনী বিবৃতিতে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অপেশাদার বা অহেতুক একটি মামলার শুনানিতে তার বলা কথাকে গণমাধ্যমে ভুলভাবে তুলে ধরায় তিনি গভীরভাবে ব্যথিত।

কলকাতায় হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীতে চলমান উত্তাপের আঁচ এবার সরাসরি এসে পড়ল পশ্চিমবঙ্গে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে কলকাতায় পুলিশ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসপ্ল্যানেড ও ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এবং আন্দোলনকারী ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের হটাতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে নিট কাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এসপ্ল্যানেড অভিমুখে মিছিল নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভকারীরা এসপ্ল্যানেডের গুরুত্বপূর্ণ ডোরিনা ক্রসিং পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে দিলে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, বিবিডি বাগ ও সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির পাশাপাশি পৃথক সমাবেশের অনুমতি না পাওয়া সিজেপির বেশ কিছু সমর্থক ও কর্মীও এই বিক্ষোভে শামিল হন।
পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলনকারীদের আটকানোর চেষ্টা করলে দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং একাধিক কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।
সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন। এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। এই ঘটনার পর মধ্য কলকাতাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিপি সিং জানান, ‘পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের উপস্থিতি ঘিরে ভিড়ের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় কৌশলগত কারণে সাময়িকভাবে কয়েকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে প্রায় ৫০টি ভিন্ন ভিন্ন ছোট-বড় দল অংশ নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের প্রভাবে বিপুল সংখ্যক তরুণ ও শিক্ষার্থী এখানে এসেছেন। ফলে নির্দিষ্ট একক কোনো নেতাকে চিহ্নিত করা কঠিন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার হলো তরুণদের বুঝিয়ে রাজপথে যান চলাচল স্বাভাবিক করা। পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করছি।

কলকাতায় হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীতে চলমান উত্তাপের আঁচ এবার সরাসরি এসে পড়ল পশ্চিমবঙ্গে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে কলকাতায় পুলিশ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসপ্ল্যানেড ও ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এবং আন্দোলনকারী ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের হটাতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে নিট কাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এসপ্ল্যানেড অভিমুখে মিছিল নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভকারীরা এসপ্ল্যানেডের গুরুত্বপূর্ণ ডোরিনা ক্রসিং পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে দিলে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, বিবিডি বাগ ও সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির পাশাপাশি পৃথক সমাবেশের অনুমতি না পাওয়া সিজেপির বেশ কিছু সমর্থক ও কর্মীও এই বিক্ষোভে শামিল হন।
পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলনকারীদের আটকানোর চেষ্টা করলে দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং একাধিক কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।
সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন। এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। এই ঘটনার পর মধ্য কলকাতাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিপি সিং জানান, ‘পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের উপস্থিতি ঘিরে ভিড়ের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় কৌশলগত কারণে সাময়িকভাবে কয়েকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে প্রায় ৫০টি ভিন্ন ভিন্ন ছোট-বড় দল অংশ নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের প্রভাবে বিপুল সংখ্যক তরুণ ও শিক্ষার্থী এখানে এসেছেন। ফলে নির্দিষ্ট একক কোনো নেতাকে চিহ্নিত করা কঠিন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার হলো তরুণদের বুঝিয়ে রাজপথে যান চলাচল স্বাভাবিক করা। পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করছি।
শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে যোগ দিতে রাজধানী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার (২৫ জুলাই) যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে অংশ নেবেন তিনি। তবে এখনও এ ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্রের বরাতে একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বিজেপির আন্দোলনে অংশ নিতে পারেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে যোগ দিতে রাজধানী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার (২৫ জুলাই) যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে অংশ নেবেন তিনি। তবে এখনও এ ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্রের বরাতে একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বিজেপির আন্দোলনে অংশ নিতে পারেন তিনি।
ভারতজুড়ে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত জাতীয় পরীক্ষা সংস্থায় (এনটিএ) বড় ধরনের বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলো। জালিয়াতি ও অনিয়মের দায়ে সংস্থাটির ৪৭ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রমতে, প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারিতে বিতর্কিত এনটিএ-কে ঢেলে সাজাতে ও এর প্রশাসনিক পুনর্গঠন সুনিশ্চিত করতে এই ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। কেবল চাকরিচ্যুতিই নয়, বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গুরুতর আইনি ও ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে শিক্ষার্থীদের টানা অবস্থান কর্মসূচি, সারা দেশে ছাত্র আন্দোলন ও শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত জবাবদিহিতার জোর দাবির পটভূমিতেই এনটিএর ওপর এই প্রশাসনিক ছাঁটাইয়ের খড়্গ নামল।
সূত্র: পিটিআই
ভারতজুড়ে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত জাতীয় পরীক্ষা সংস্থায় (এনটিএ) বড় ধরনের বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলো। জালিয়াতি ও অনিয়মের দায়ে সংস্থাটির ৪৭ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রমতে, প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারিতে বিতর্কিত এনটিএ-কে ঢেলে সাজাতে ও এর প্রশাসনিক পুনর্গঠন সুনিশ্চিত করতে এই ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। কেবল চাকরিচ্যুতিই নয়, বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গুরুতর আইনি ও ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে শিক্ষার্থীদের টানা অবস্থান কর্মসূচি, সারা দেশে ছাত্র আন্দোলন ও শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত জবাবদিহিতার জোর দাবির পটভূমিতেই এনটিএর ওপর এই প্রশাসনিক ছাঁটাইয়ের খড়্গ নামল।
সূত্র: পিটিআই
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একইসঙ্গে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের প্রধান এবং দিল্লি পুলিশ প্রধানকেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেছে আন্দোলনকারী সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারত সরকারের কাছে তিন দফা দাবি ও পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছে সিজেপির প্রতিনিধিদল। দীর্ঘ দুই ঘণ্টার বৈঠকে উত্থাপিত দাবি-দাওয়ার একটি কপি প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এতে দেখা গেছে, সিজেপি তিনটি দাবির কথা বলেছে। যেগুলো নিয়ে তারা কোনো ছাড়ই দেবে না। যারমধ্যে একটি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে। এছাড়া মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
সিজেপি বলেছে, যদি তাদের দাবিগুলো দ্রুত সময়ে না মানা হয় তাহলে বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সিজেপির চিঠিটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো—
যন্তর মন্তরে চলমান সিজেপির বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে এই চিঠি। সরকার যে একটি পরস্পরের জন্য কল্যাণকর সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী, তা আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।
গত কয়েক দিনে আমরা দেশজুড়ে আমাদের সমর্থক, সদস্য এবং যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সর্বসম্মতিক্রমে আমরা এই স্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, আমাদের মূল দাবিগুলো—যেমন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া মানতেই হবে।
পাশাপাশি ভারত সরকার, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের প্রধান এবং দিল্লি পুলিশের কমিশনারকে প্রকাশ্যে সেইসব শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, যাদের ওপর তাদের বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে।
আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের এই দাবিগুলো যেন অতি দ্রুত মেনে নেওয়া হয়। অন্যথায় এই আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে এবং পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়বে।
এছাড়া, পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে আমাদের দেওয়া ৫ দফা দাবির বিষয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া আশা করছি। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে এই দাবিসনদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একইসঙ্গে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের প্রধান এবং দিল্লি পুলিশ প্রধানকেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেছে আন্দোলনকারী সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারত সরকারের কাছে তিন দফা দাবি ও পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছে সিজেপির প্রতিনিধিদল। দীর্ঘ দুই ঘণ্টার বৈঠকে উত্থাপিত দাবি-দাওয়ার একটি কপি প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এতে দেখা গেছে, সিজেপি তিনটি দাবির কথা বলেছে। যেগুলো নিয়ে তারা কোনো ছাড়ই দেবে না। যারমধ্যে একটি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে। এছাড়া মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
সিজেপি বলেছে, যদি তাদের দাবিগুলো দ্রুত সময়ে না মানা হয় তাহলে বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সিজেপির চিঠিটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো—
যন্তর মন্তরে চলমান সিজেপির বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে এই চিঠি। সরকার যে একটি পরস্পরের জন্য কল্যাণকর সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী, তা আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।
গত কয়েক দিনে আমরা দেশজুড়ে আমাদের সমর্থক, সদস্য এবং যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সর্বসম্মতিক্রমে আমরা এই স্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, আমাদের মূল দাবিগুলো—যেমন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া মানতেই হবে।
পাশাপাশি ভারত সরকার, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের প্রধান এবং দিল্লি পুলিশের কমিশনারকে প্রকাশ্যে সেইসব শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, যাদের ওপর তাদের বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে।
আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের এই দাবিগুলো যেন অতি দ্রুত মেনে নেওয়া হয়। অন্যথায় এই আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে এবং পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়বে।
এছাড়া, পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে আমাদের দেওয়া ৫ দফা দাবির বিষয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া আশা করছি। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে এই দাবিসনদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছে ভারত সরকার। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ
শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখেও নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট সরকার তাদের অবস্থানে অটল রয়েছে। ফলে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের কোনো সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দাবি, আন্দোলন প্রত্যাহার করতে হলে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ আবশ্যক।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) কেন্দ্র সরকারের শীর্ষ সূত্রের বরাত এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সিজেপির নেতৃত্বে রাজধানীর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানরত বিক্ষোভকারীরা নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ৫৭ বছর বয়সী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে সরকারি সূত্রগুলো বলছে, ‘পদত্যাগই সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্ত’ এবং সরকার মন্ত্রীর পাশেই অবস্থান করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি সূত্র জানান, ‘জনগণ আমাদের রায় দিয়েছেন এবং আমরা তা পূরণ করব। জাতীয় পরীক্ষা সংস্থার (এনটিএ) সমস্যাগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগিরই এগুলো সমাধান করা হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত অনেক চক্রকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আরও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
পদত্যাগের দাবির মুখেও ওড়িশার প্রবীণ এই নেতা ও মন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় রয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে তিনি পবিত্র ‘বাহুদা যাত্রা’ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে প্রবীণ এক সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।
এছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গভীর রাতে দেওয়া ভিডিও বার্তাটি পুনরায় শেয়ার করেন, যেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। গত ২২ জুলাই ধর্মেন্দ্র প্রধান বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীদের দু’দিনব্যাপী সম্মেলনেও ভাষণ দেন।
এদিকে আজ শুক্রবার কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপির দ্বিতীয় দফার রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির পক্ষে ছিলেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা।
বৈঠক শেষে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে কেন্দ্র আগামীকাল (শনিবার) দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে। আমরা আশা করি সরকার তাকে দ্রুত অপসারণ করবে। তবে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া আইনি মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহারের দুটি দাবিতে সরকার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।’
এর আগে আজ সকালে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ৩০ বছর বয়সী তরুণ নেতা অভিজিৎ দীপকেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘সরকার যদি সমাধান চায়, তবে তা একমাত্র ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমেই সম্ভব।’
সরকারের কাছ থেকে দাবিগুলোর বিষয়ে আশ্বাস পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে টানা ২৬ দিনের অনশন ভঙ্গ করেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক।
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ প্রশমিত করতে কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছে ভারত সরকার। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ
শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখেও নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট সরকার তাদের অবস্থানে অটল রয়েছে। ফলে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের কোনো সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দাবি, আন্দোলন প্রত্যাহার করতে হলে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ আবশ্যক।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) কেন্দ্র সরকারের শীর্ষ সূত্রের বরাত এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সিজেপির নেতৃত্বে রাজধানীর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানরত বিক্ষোভকারীরা নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ৫৭ বছর বয়সী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে সরকারি সূত্রগুলো বলছে, ‘পদত্যাগই সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্ত’ এবং সরকার মন্ত্রীর পাশেই অবস্থান করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি সূত্র জানান, ‘জনগণ আমাদের রায় দিয়েছেন এবং আমরা তা পূরণ করব। জাতীয় পরীক্ষা সংস্থার (এনটিএ) সমস্যাগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগিরই এগুলো সমাধান করা হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত অনেক চক্রকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আরও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
পদত্যাগের দাবির মুখেও ওড়িশার প্রবীণ এই নেতা ও মন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় রয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে তিনি পবিত্র ‘বাহুদা যাত্রা’ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে প্রবীণ এক সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।
এছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গভীর রাতে দেওয়া ভিডিও বার্তাটি পুনরায় শেয়ার করেন, যেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। গত ২২ জুলাই ধর্মেন্দ্র প্রধান বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীদের দু’দিনব্যাপী সম্মেলনেও ভাষণ দেন।
এদিকে আজ শুক্রবার কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপির দ্বিতীয় দফার রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির পক্ষে ছিলেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা।
বৈঠক শেষে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে কেন্দ্র আগামীকাল (শনিবার) দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে। আমরা আশা করি সরকার তাকে দ্রুত অপসারণ করবে। তবে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া আইনি মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহারের দুটি দাবিতে সরকার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।’
এর আগে আজ সকালে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ৩০ বছর বয়সী তরুণ নেতা অভিজিৎ দীপকেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘সরকার যদি সমাধান চায়, তবে তা একমাত্র ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমেই সম্ভব।’
সরকারের কাছ থেকে দাবিগুলোর বিষয়ে আশ্বাস পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে টানা ২৬ দিনের অনশন ভঙ্গ করেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক।
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ প্রশমিত করতে কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীসভা। ছবি: সংগৃহীত
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে অবশেষে বড় পদক্ষেপে বাধ্য হলো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তি ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে একটি নতুন খসড়া বিলে অনুমোদন দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) নতুন দিল্লিভিত্তিক সংসদ ভবন চত্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) আইন, ২০২৪’-এর সংশোধনী ও নতুন বিধিমালা সম্বলিত এই খসড়া বিলটি অনুমোদিত হয়।
সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেওয়া এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অপরাধের কঠোর শাস্তি ও অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে আগামী সপ্তাহেই সংসদে একটি নতুন বিল পেশ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণ সমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। এই ধরনের জালিয়াতি রোধে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনসহ কঠোর ব্যবস্থার বিধান রাখা হচ্ছে।’
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন এই খসড়া বিলে আগের আইনের চেয়েও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা থাকবে, যাতে কোনো অপরাধী ছাড় না পায়।
আগামী সোমবার (২৭ জুলাই) চলমান বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলা হতে পারে।
মূলত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে শিক্ষার্থীদের টানা যন্তর মন্তর অবস্থান, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচি ও দেশব্যাপী প্রতিবাদের জেরেই কোণঠাসা হয়ে কেন্দ্র এই আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।
আন্দোলনকারীরা শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষায় কারচুপির জন্য পূর্ণ জবাবদিহিতা ও প্রশ্নফাঁসের মানসিক চাপে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে রাজপথে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছেন।

নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীসভা। ছবি: সংগৃহীত
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে অবশেষে বড় পদক্ষেপে বাধ্য হলো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তি ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে একটি নতুন খসড়া বিলে অনুমোদন দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) নতুন দিল্লিভিত্তিক সংসদ ভবন চত্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) আইন, ২০২৪’-এর সংশোধনী ও নতুন বিধিমালা সম্বলিত এই খসড়া বিলটি অনুমোদিত হয়।
সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেওয়া এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অপরাধের কঠোর শাস্তি ও অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে আগামী সপ্তাহেই সংসদে একটি নতুন বিল পেশ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণ সমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। এই ধরনের জালিয়াতি রোধে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনসহ কঠোর ব্যবস্থার বিধান রাখা হচ্ছে।’
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন এই খসড়া বিলে আগের আইনের চেয়েও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা থাকবে, যাতে কোনো অপরাধী ছাড় না পায়।
আগামী সোমবার (২৭ জুলাই) চলমান বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলা হতে পারে।
মূলত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে শিক্ষার্থীদের টানা যন্তর মন্তর অবস্থান, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচি ও দেশব্যাপী প্রতিবাদের জেরেই কোণঠাসা হয়ে কেন্দ্র এই আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।
আন্দোলনকারীরা শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষায় কারচুপির জন্য পূর্ণ জবাবদিহিতা ও প্রশ্নফাঁসের মানসিক চাপে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে রাজপথে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছেন।
নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের আন্তরিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গির ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেই সোনম ওয়াংচুক অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মূলত কেন্দ্র সরকারের আশ্বাস পাওয়ার পরই ২৬ দিনের অনশন ভাঙেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোনম ওয়াংচুক জানান, কেন্দ্র সরকার থেকে মূলত তিনটি আশ্বাস পাওয়ার পরই ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে একটি ভিডিও পোস্ট করে এ কথা জানিয়েছেন লাদাখের প্রখ্যাত এই পরিবেশকর্মী।
আগের রাতে দিল্লির গুরুগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোনম অনশন প্রত্যাহার করেন।
এদিকে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালবীয় বলেন, ওয়াংচুকের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের স্বার্থরক্ষায় মোদি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতি তার আস্থার প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র সরকার স্থানীয় তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, যার ফলে দীর্ঘদিনের জটিল পরিস্থিতিগুলোও এখন গঠনমূলক আলোচনার দিকে এগোচ্ছে।
তবে অমিত মালবীয়র এই দাবির পর ভারতীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। ক্ষমতাসীন দল এটিকে কেন্দ্রের সফল নীতি ও মানুষের আস্থার জয় হিসেবে তুলে ধরলেও, বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, লাদাখবাসীদের দাবি এখনো পুরোপুরি পুরণ হয়নি।
আন্দোলনকারী গোষ্ঠীগুলো মূলত কেন্দ্র সরকার থেকে সুনির্দিষ্ট আইনি ও সাংবিধানিক নিশ্চয়তা পাওয়ার প্রত্যাশায় আলোচনার পথ সুগম রেখেছে।
তবে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মোদি সরকার লাদাখের স্থানীয় পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে ও শিক্ষার্থীদের অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে একটি টেকসই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের আন্তরিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গির ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেই সোনম ওয়াংচুক অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মূলত কেন্দ্র সরকারের আশ্বাস পাওয়ার পরই ২৬ দিনের অনশন ভাঙেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোনম ওয়াংচুক জানান, কেন্দ্র সরকার থেকে মূলত তিনটি আশ্বাস পাওয়ার পরই ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে একটি ভিডিও পোস্ট করে এ কথা জানিয়েছেন লাদাখের প্রখ্যাত এই পরিবেশকর্মী।
আগের রাতে দিল্লির গুরুগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোনম অনশন প্রত্যাহার করেন।
এদিকে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালবীয় বলেন, ওয়াংচুকের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের স্বার্থরক্ষায় মোদি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতি তার আস্থার প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র সরকার স্থানীয় তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, যার ফলে দীর্ঘদিনের জটিল পরিস্থিতিগুলোও এখন গঠনমূলক আলোচনার দিকে এগোচ্ছে।
তবে অমিত মালবীয়র এই দাবির পর ভারতীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। ক্ষমতাসীন দল এটিকে কেন্দ্রের সফল নীতি ও মানুষের আস্থার জয় হিসেবে তুলে ধরলেও, বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, লাদাখবাসীদের দাবি এখনো পুরোপুরি পুরণ হয়নি।
আন্দোলনকারী গোষ্ঠীগুলো মূলত কেন্দ্র সরকার থেকে সুনির্দিষ্ট আইনি ও সাংবিধানিক নিশ্চয়তা পাওয়ার প্রত্যাশায় আলোচনার পথ সুগম রেখেছে।
তবে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মোদি সরকার লাদাখের স্থানীয় পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে ও শিক্ষার্থীদের অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে একটি টেকসই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সিজেপির দুই প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস কেন্দ্র করে আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উত্থাপিত তিন দফা দাবি ও সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে শনিবার (২৫ জুলাই) সিদ্ধান্ত জানাবে কেন্দ্রীয় সরকার।
একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সরকার সিজেপি নেতৃত্বের কাছে ‘বিশেষভাবে’ ২৪ ঘণ্টার সময় চেয়ে নিয়েছে। আন্দোলনকারীরাও সরকারকে এই সময় দিতে সম্মতি জানিয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। এ সময় সরকারের পক্ষে বৈঠকে আরও প্রতিনিধিত্ব করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জে পি নাড্ডা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অত্যন্ত গঠনমূলক পরিবেশে প্রায় দু'ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে তাদের তিনটি প্রধান দাবি ও পাঁচটি সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব ছিল।
তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছি এবং নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ আলোচনার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছি। শনিবার বিকেলে আমরা পুনরায় সিজেপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসব এবং সরকারের গৃহীতি সিদ্ধান্তের কথা জানাব।
সিজেপির পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শনিবার বিকেল পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তরে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এমনকি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়েও তারা কোনো আপস করবে না।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

সিজেপির দুই প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস কেন্দ্র করে আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উত্থাপিত তিন দফা দাবি ও সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে শনিবার (২৫ জুলাই) সিদ্ধান্ত জানাবে কেন্দ্রীয় সরকার।
একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সরকার সিজেপি নেতৃত্বের কাছে ‘বিশেষভাবে’ ২৪ ঘণ্টার সময় চেয়ে নিয়েছে। আন্দোলনকারীরাও সরকারকে এই সময় দিতে সম্মতি জানিয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। এ সময় সরকারের পক্ষে বৈঠকে আরও প্রতিনিধিত্ব করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জে পি নাড্ডা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অত্যন্ত গঠনমূলক পরিবেশে প্রায় দু'ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে তাদের তিনটি প্রধান দাবি ও পাঁচটি সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব ছিল।
তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছি এবং নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ আলোচনার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছি। শনিবার বিকেলে আমরা পুনরায় সিজেপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসব এবং সরকারের গৃহীতি সিদ্ধান্তের কথা জানাব।
সিজেপির পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শনিবার বিকেল পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তরে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এমনকি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়েও তারা কোনো আপস করবে না।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ভারতের জাতীয় সংসদ অভিমুখে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সংঘর্ষের ঘটনার তদন্ত জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) কাছে হস্তান্তর করতে আদালতে রিট করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, এ ধরনের তদন্তের সিদ্ধান্ত আদালতের নয়, বরং কেন্দ্রীয় সরকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আইনি প্রক্রিয়া উল্লেখ করে রিট আবেদনটির শুনানি গ্রহণে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। আদালতের সুস্পষ্ট পর্যবেক্ষণের পর আবেদনকারী তার আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেন।
আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এনআইএ আইন অনুযায়ী, কোনো মামলা জাতীয় তদন্ত সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণের এখতিয়ার সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের। আইনগত এই ব্যবস্থার ওপর আদালত নিজের বিচারিক সন্তুষ্টি চাপিয়ে দিতে পারে না।
শুনানিকালে আবেদনকারীর উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট বলেন, ‘আপনারা আমাদের কাছে এমন দাবি কীভাবে করতে পারেন? কোনো মামলা এনআইএ-র তদন্তের জন্য উপযুক্ত কি না, তা নির্ধারণ করতে প্রথমে থানা পর্যায়ে এফআইআর ও তদন্ত প্রতিবেদন থাকতে হয়। রাজ্য সরকার সেই রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠায় ও কেন্দ্র যদি বিষয়টি উপযুক্ত মনে করে, তবেই তা এনআইএ-র কাছে পাঠাতে পারে।’
ডিভিশন বেঞ্চ আরও উল্লেখ করে, ‘আইনের অধীনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই দায়িত্বটি কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। কেন্দ্রীয় সরকারের সন্তুষ্টির জায়গায় কি আদালত নিজের সন্তুষ্টিকে বসাতে পারে? কেবল একটি পিটিশন দাখিল করলেই আদালত নোটিশ জারি করতে পারে না। আইনের আওতায় যে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, আপনাদের সেই প্রক্রিয়ারই আশ্রয় নিতে হবে।’
অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার প্রাক্তন সহ-সভাপতি সতীশ কুমার আগরওয়াল জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, গত ২০ জুলাই ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সিজেপির ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির নামে সহিংসতা ছড়ানো হয়েছে। এতে দেশবিরোধী ও বিদেশি অর্থায়নের হাত থাকতে পারে।
তবে হাইকোর্ট প্রশাসনিক ও আইনি কাঠামোর সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণের নির্দেশ দিলে আবেদনকারী আইনজীবী রিটটি ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ভারতের জাতীয় সংসদ অভিমুখে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সংঘর্ষের ঘটনার তদন্ত জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) কাছে হস্তান্তর করতে আদালতে রিট করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, এ ধরনের তদন্তের সিদ্ধান্ত আদালতের নয়, বরং কেন্দ্রীয় সরকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আইনি প্রক্রিয়া উল্লেখ করে রিট আবেদনটির শুনানি গ্রহণে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। আদালতের সুস্পষ্ট পর্যবেক্ষণের পর আবেদনকারী তার আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেন।
আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এনআইএ আইন অনুযায়ী, কোনো মামলা জাতীয় তদন্ত সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণের এখতিয়ার সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের। আইনগত এই ব্যবস্থার ওপর আদালত নিজের বিচারিক সন্তুষ্টি চাপিয়ে দিতে পারে না।
শুনানিকালে আবেদনকারীর উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট বলেন, ‘আপনারা আমাদের কাছে এমন দাবি কীভাবে করতে পারেন? কোনো মামলা এনআইএ-র তদন্তের জন্য উপযুক্ত কি না, তা নির্ধারণ করতে প্রথমে থানা পর্যায়ে এফআইআর ও তদন্ত প্রতিবেদন থাকতে হয়। রাজ্য সরকার সেই রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠায় ও কেন্দ্র যদি বিষয়টি উপযুক্ত মনে করে, তবেই তা এনআইএ-র কাছে পাঠাতে পারে।’
ডিভিশন বেঞ্চ আরও উল্লেখ করে, ‘আইনের অধীনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই দায়িত্বটি কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। কেন্দ্রীয় সরকারের সন্তুষ্টির জায়গায় কি আদালত নিজের সন্তুষ্টিকে বসাতে পারে? কেবল একটি পিটিশন দাখিল করলেই আদালত নোটিশ জারি করতে পারে না। আইনের আওতায় যে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, আপনাদের সেই প্রক্রিয়ারই আশ্রয় নিতে হবে।’
অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার প্রাক্তন সহ-সভাপতি সতীশ কুমার আগরওয়াল জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, গত ২০ জুলাই ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সিজেপির ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির নামে সহিংসতা ছড়ানো হয়েছে। এতে দেশবিরোধী ও বিদেশি অর্থায়নের হাত থাকতে পারে।
তবে হাইকোর্ট প্রশাসনিক ও আইনি কাঠামোর সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণের নির্দেশ দিলে আবেদনকারী আইনজীবী রিটটি ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও যে কোনো ধরনের জালিয়াতি বন্ধ করতে এবার নজিরবিহীন কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। প্রস্তাবিত বিধানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অপরাধে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ কোটি রুপি জরিমানার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধের দ্রুত বিচারে ‘ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট’ গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, সাম্প্রতিক সময়ে ‘নিট’সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পুরো ভারতজুড়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। রাজধানী নয়াদিল্লিসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে এক বিশেষ বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার জানান।
তার সেই ঘোষণার পরই বিদ্যমান ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪’ সংশোধন করে আরও কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নফাঁসের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩ থেকে ৫ বছরের জেলের বিধান বাড়িয়ে ৫ থেকে ১০ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানার সুযোগ থাকলেও নতুন আইনে তা বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ১ কোটি রুপি নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এছাড়া অপরাধ সম্পর্কে জেনেও তা কর্তৃপক্ষকে না জানালে ১ কোটি রুপি পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। প্রশ্নফাঁসের কারণে হতাশ হয়ে কোনো শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করলে তার পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে সরকার।
অতিদ্রুতই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়া সংশোধনীটির চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে বলে জানা যায়। অনুমোদন পেলে আগামী সোমবারই লোকসভায় এই বিল পেশ করতে পারে সরকার। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনে এ কঠোর পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও যে কোনো ধরনের জালিয়াতি বন্ধ করতে এবার নজিরবিহীন কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। প্রস্তাবিত বিধানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অপরাধে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ কোটি রুপি জরিমানার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধের দ্রুত বিচারে ‘ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট’ গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, সাম্প্রতিক সময়ে ‘নিট’সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পুরো ভারতজুড়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। রাজধানী নয়াদিল্লিসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে এক বিশেষ বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার জানান।
তার সেই ঘোষণার পরই বিদ্যমান ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪’ সংশোধন করে আরও কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নফাঁসের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩ থেকে ৫ বছরের জেলের বিধান বাড়িয়ে ৫ থেকে ১০ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানার সুযোগ থাকলেও নতুন আইনে তা বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ১ কোটি রুপি নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এছাড়া অপরাধ সম্পর্কে জেনেও তা কর্তৃপক্ষকে না জানালে ১ কোটি রুপি পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। প্রশ্নফাঁসের কারণে হতাশ হয়ে কোনো শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করলে তার পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে সরকার।
অতিদ্রুতই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়া সংশোধনীটির চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে বলে জানা যায়। অনুমোদন পেলে আগামী সোমবারই লোকসভায় এই বিল পেশ করতে পারে সরকার। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনে এ কঠোর পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য হবে না বলে ভারত সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিদল। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে নয়াদিল্লির ভিঠালভাই প্যাটেল হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় আন্দোলনকারী সংগঠনটি।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর সিজেপি নেতারা জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তারা জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সংগঠনের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা জানান, সরকার এই দাবির বিষয়ে সাড়া দেওয়ার জন্য শনিবার বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়েছে। তবে সিজেপি নিজেদের অবস্থানে অনড়। অর্থাৎ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে তাকে অপসারণ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই গ্রহণযোগ্য হবে না।
সিজেপির সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডা বলেন, ‘আমরা তাদের দাবিগুলো শুনেছি। তাদের জানিয়েছি যে, এ বিষয়ে আমরা তাদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করব।’
এদিকে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এ সময় অভিযোগ করেন, যন্তর মন্তর এলাকায় দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারী, স্বেচ্ছাসেবক ও এমনকি আইনজীবীদেরও আটক করছে।
তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে আনা হলে তারা প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করে। তবে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে যে, যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তবে তা রোধ করতে দিল্লি পুলিশকে যথাযথ নির্দেশ দেওয়া হবে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য হবে না বলে ভারত সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিদল। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে নয়াদিল্লির ভিঠালভাই প্যাটেল হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় আন্দোলনকারী সংগঠনটি।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর সিজেপি নেতারা জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তারা জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সংগঠনের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা জানান, সরকার এই দাবির বিষয়ে সাড়া দেওয়ার জন্য শনিবার বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়েছে। তবে সিজেপি নিজেদের অবস্থানে অনড়। অর্থাৎ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে তাকে অপসারণ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই গ্রহণযোগ্য হবে না।
সিজেপির সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডা বলেন, ‘আমরা তাদের দাবিগুলো শুনেছি। তাদের জানিয়েছি যে, এ বিষয়ে আমরা তাদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করব।’
এদিকে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এ সময় অভিযোগ করেন, যন্তর মন্তর এলাকায় দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারী, স্বেচ্ছাসেবক ও এমনকি আইনজীবীদেরও আটক করছে।
তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে আনা হলে তারা প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করে। তবে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে যে, যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তবে তা রোধ করতে দিল্লি পুলিশকে যথাযথ নির্দেশ দেওয়া হবে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কাছে সময় চেয়েছে ভারত সরকার।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানী নয়াদিল্লির ভিঠালভাই প্যাটেল হাউসে সিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের এই প্রস্তাব দেয় সরকার।
ভারত সরকারের পক্ষে থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করছেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
দিল্লিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আয়োজিত দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর রাঙ্কা জানান, সরকার দুটি দাবির বিষয়ে ‘নীতিগতভাবে’ সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী প্রধানের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে আগামীকাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কাছে সময় চেয়েছে ভারত সরকার।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানী নয়াদিল্লির ভিঠালভাই প্যাটেল হাউসে সিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের এই প্রস্তাব দেয় সরকার।
ভারত সরকারের পক্ষে থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করছেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
দিল্লিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আয়োজিত দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর রাঙ্কা জানান, সরকার দুটি দাবির বিষয়ে ‘নীতিগতভাবে’ সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী প্রধানের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে আগামীকাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) দাবিগুলোর বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পথ খুঁজছে ভারত সরকার। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আন্দোলনরত সিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন কেন্দ্র সরকারের মন্ত্রীরা।
সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে নয়াদিল্লির ভিঠালভাই প্যাটেল হাউসে সিজেপির প্রতিনিধিদল ও সরকারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে।
সরকারের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করছেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) দাবিগুলোর বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পথ খুঁজছে ভারত সরকার। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আন্দোলনরত সিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন কেন্দ্র সরকারের মন্ত্রীরা।
সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে নয়াদিল্লির ভিঠালভাই প্যাটেল হাউসে সিজেপির প্রতিনিধিদল ও সরকারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে।
সরকারের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করছেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।

সোনম ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সমর্থনে টানা ২৬ দিন পর অনশন ভেঙেছেন অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। অনশন ভাঙার কয়েক ঘণ্টা পর তিনি জানান, নিজেদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ‘কঠিন দরকষাকষি’র পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং সরকারের পক্ষ থেকে তাকে তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে লিখিতভাবে আশ্বাস দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ওয়াংচুক। সরকারের দেওয়া এই তিনটি আশ্বাস হলো—আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হবে না, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে স্থায়ী সমাধান খুঁজতে ভারতের সংসদে আলোচনা করা হবে এবং সাম্প্রতিক নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
দীর্ঘ ২৬ দিনের অনশন ভাঙার মুহূর্তের অনুভূতি জানাতে গিয়ে ওয়াংচুক বলেন, এত দিন পর খাবার ‘খেতে ভালো লাগছে, তবে ক্ষুধার স্বাদও খারাপ নয়।’
সূত্র: দ্যি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সোনম ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সমর্থনে টানা ২৬ দিন পর অনশন ভেঙেছেন অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। অনশন ভাঙার কয়েক ঘণ্টা পর তিনি জানান, নিজেদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ‘কঠিন দরকষাকষি’র পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং সরকারের পক্ষ থেকে তাকে তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে লিখিতভাবে আশ্বাস দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ওয়াংচুক। সরকারের দেওয়া এই তিনটি আশ্বাস হলো—আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হবে না, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে স্থায়ী সমাধান খুঁজতে ভারতের সংসদে আলোচনা করা হবে এবং সাম্প্রতিক নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
দীর্ঘ ২৬ দিনের অনশন ভাঙার মুহূর্তের অনুভূতি জানাতে গিয়ে ওয়াংচুক বলেন, এত দিন পর খাবার ‘খেতে ভালো লাগছে, তবে ক্ষুধার স্বাদও খারাপ নয়।’
সূত্র: দ্যি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

দিল্লি সুপ্রিম কোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে আলোচিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ডক্টর মনোজ শিরুরের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আদালতে অভিযোগ করে জানায়, অন্যতম অভিযুক্ত পি ভি কুলকার্নির কাছ থেকে সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের রসায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে মনোজ শিরুর মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।
এদিকে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে গৃহীত সার্বিক পদক্ষেপগুলো সুপ্রিম কোর্ট নিজে পর্যবেক্ষণ করবে বলে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঘোষণা দিয়েছেন। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) আগামী বছর থেকে নিট-ইউজি পরীক্ষা কম্পিউটার-ভিত্তিক পদ্ধতিতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ফলে সরকার সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট ও কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার আদালতে জানায়, প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে তারা বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বার্তা সংস্থা এএনআই-এর বরাতে জানা গেছে, প্রশ্ন ফাঁসের পর গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির সংস্কার বাস্তবায়নে কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও এনটিএকে বিস্তারিত হলফনামা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি পি এস নরসিমা এবং অলোক আরাধের বেঞ্চ।
আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো সাময়িক পদক্ষেপ নয়, বরং এসব সংস্কারকে স্থায়ীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা হলফনামায় ব্যাখ্যা করতে হবে।
একই সঙ্গে ডিজিটাল পরিকাঠামো, নিরাপত্তা, গবেষণা ও উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, প্রশাসন ও মানবসম্পদসহ গুরুত্বপূর্ণ দশটি ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত গভর্নিং বোর্ড, বিশেষজ্ঞ চালিত ইউনিট, অংশীদারদের মনোনয়ন এবং কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের সার্বিক তথ্য জানতে চেয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

দিল্লি সুপ্রিম কোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে আলোচিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ডক্টর মনোজ শিরুরের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আদালতে অভিযোগ করে জানায়, অন্যতম অভিযুক্ত পি ভি কুলকার্নির কাছ থেকে সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের রসায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে মনোজ শিরুর মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।
এদিকে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে গৃহীত সার্বিক পদক্ষেপগুলো সুপ্রিম কোর্ট নিজে পর্যবেক্ষণ করবে বলে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঘোষণা দিয়েছেন। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) আগামী বছর থেকে নিট-ইউজি পরীক্ষা কম্পিউটার-ভিত্তিক পদ্ধতিতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ফলে সরকার সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট ও কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার আদালতে জানায়, প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে তারা বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বার্তা সংস্থা এএনআই-এর বরাতে জানা গেছে, প্রশ্ন ফাঁসের পর গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির সংস্কার বাস্তবায়নে কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও এনটিএকে বিস্তারিত হলফনামা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি পি এস নরসিমা এবং অলোক আরাধের বেঞ্চ।
আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো সাময়িক পদক্ষেপ নয়, বরং এসব সংস্কারকে স্থায়ীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা হলফনামায় ব্যাখ্যা করতে হবে।
একই সঙ্গে ডিজিটাল পরিকাঠামো, নিরাপত্তা, গবেষণা ও উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, প্রশাসন ও মানবসম্পদসহ গুরুত্বপূর্ণ দশটি ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত গভর্নিং বোর্ড, বিশেষজ্ঞ চালিত ইউনিট, অংশীদারদের মনোনয়ন এবং কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের সার্বিক তথ্য জানতে চেয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের সঙ্গে আলোচনার আগে শুকক্রবার (২৪ জুলাই) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া তারা অন্য কোনো কিছুতেই আপস করবেন না। আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় নিরপেক্ষ স্থানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অনিয়ম ও জবাবদিহিতার দাবিতে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে অভিজিৎ দীপকে বলেন, আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক ২৬ দিন পর অনশন ভাঙায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও স্বস্তিবোধ করছেন। কারণ দেশের কাছে তার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। তবে অনশন ভাঙলেও আন্দোলন থামছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তাতেও সিজেপি নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সংগঠনটি জানায়, নিরপেক্ষ স্থানে আয়োজিত বৈঠকে তারা অংশ নিলেও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবি থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জন্তর মন্তরসহ দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের সঙ্গে আলোচনার আগে শুকক্রবার (২৪ জুলাই) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া তারা অন্য কোনো কিছুতেই আপস করবেন না। আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় নিরপেক্ষ স্থানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অনিয়ম ও জবাবদিহিতার দাবিতে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে অভিজিৎ দীপকে বলেন, আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক ২৬ দিন পর অনশন ভাঙায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও স্বস্তিবোধ করছেন। কারণ দেশের কাছে তার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। তবে অনশন ভাঙলেও আন্দোলন থামছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তাতেও সিজেপি নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সংগঠনটি জানায়, নিরপেক্ষ স্থানে আয়োজিত বৈঠকে তারা অংশ নিলেও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবি থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জন্তর মন্তরসহ দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের খাবার ও জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দিতে দূর-দূরান্ত থেকে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। দেশটির সুইগি ও জোম্যাটোর মতো খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্মগুলোতে অভিনব নির্দেশনা বা ‘ডেলিভারি ইনস্ট্রাকশন’ দিয়ে দেশজুড়ে থাকা শুভাকাঙ্ক্ষীরা খাবার অর্ডার করছেন।
ডেলিভারির সময় সেখানে কোথাও লেখা থাকছে ‘কেরালা থেকে ভালোবাসা’, আবার কোথাও নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে ‘যেকোনো ক্ষুধার্ত আন্দোলনকারীর হাতে এই খাবার তুলে দিন’।
ডেলিভারি কর্মীরা জানান, মুম্বাই ও কেরালাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অজানা-অচেনা মানুষ এসব খাবার পাঠাচ্ছেন। পুলিশের ব্যারিকেডের কাছে এসে খাবারের পার্সেলগুলো আন্দোলনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ করা খাবারের তালিকায় সিঙাড়া, মোমো, বার্গার, প্যাটিস ও ভাতসহ নানা পদের খাবার থাকছে।
অনলাইন অর্ডারের পাশাপাশি সরজমিনেও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনেকে। খাবারের বাইরেও আন্দোলন প্রাঙ্গণজুড়ে বিশুদ্ধ পানি, বিস্কুট ও ওআরএস স্যালাইন হাতে ঘুরে ঘুরে সেবা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। মানবশিকল তৈরি করে বাইরে থেকে আসা সাহায্য ভেতরের তাঁবুতে পৌঁছে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
এমনই একজন তানভি নামের ৩০ বছর বয়সি এক তরুণী। তিনি নিজের কাজ থেকে ছুটি নিয়ে আন্দোলনস্থলে এসে সারাদিন খাবার বিতরণ করেন। এর পাশাপাশি পুলিশের সরিয়ে দেওয়া তাঁবু পুনর্নির্মাণ ও চিকিৎসাকেন্দ্রে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি। অন্যদিকে মুম্বাই থেকে আসা এক দুর্বল ও অনাহারী আন্দোলনকারীকে বিস্কুট ও পানি খাইয়ে সেবা দেওয়ার কথা জানান নীট পাল সিং নামের অপর এক স্বেচ্ছাসেবী।
শিক্ষার্থীদের এই অবস্থানে বড় পরিসরে সহায়তার দায়িত্ব নিয়েছে সচখণ্ড ফাউন্ডেশন নামের একটি অলাভজনক সংস্থা। তারা দৈনিক প্রায় ২ হাজার মানুষের তিনবেলার খাবারের দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের ৬০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন শিফটে ভাগ হয়ে এই সেবা দিচ্ছেন। খাবারের পাশাপাশি তারা ছাতা, রেইনকোট, টর্চ ও মশারির মতো দরকারি সামগ্রীও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।
অনলাইন ও অফলাইনে প্রচুর খাবার আসায় তা যেন অপচয় না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত হয়ে যাওয়া ভালো খাবারের পার্সেলগুলো স্বেচ্ছাসেবীরা পাশেই অবস্থিত একটি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসাধীন রোগীদের পাশে থাকা না-খাওয়া স্বজনদের মাঝে এসব খাবার বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে কর্মসূচির বিরতিতে আন্দোলনকারীরা পুরো যন্তর মন্তর এলাকা পরিষ্কার করার কাজে নেমে পড়ছেন। সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, কাগজের ঠোঙা ও বর্জ্য কুড়িয়ে ডাস্টবিন ব্যাগে সংগ্রহ করে চারপাশের সড়ক পরিষ্কার রাখছেন তরুণ-তরুণীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই মানবিক উদ্যোগ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ছবিগুলো ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের খাবার ও জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দিতে দূর-দূরান্ত থেকে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। দেশটির সুইগি ও জোম্যাটোর মতো খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্মগুলোতে অভিনব নির্দেশনা বা ‘ডেলিভারি ইনস্ট্রাকশন’ দিয়ে দেশজুড়ে থাকা শুভাকাঙ্ক্ষীরা খাবার অর্ডার করছেন।
ডেলিভারির সময় সেখানে কোথাও লেখা থাকছে ‘কেরালা থেকে ভালোবাসা’, আবার কোথাও নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে ‘যেকোনো ক্ষুধার্ত আন্দোলনকারীর হাতে এই খাবার তুলে দিন’।
ডেলিভারি কর্মীরা জানান, মুম্বাই ও কেরালাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অজানা-অচেনা মানুষ এসব খাবার পাঠাচ্ছেন। পুলিশের ব্যারিকেডের কাছে এসে খাবারের পার্সেলগুলো আন্দোলনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ করা খাবারের তালিকায় সিঙাড়া, মোমো, বার্গার, প্যাটিস ও ভাতসহ নানা পদের খাবার থাকছে।
অনলাইন অর্ডারের পাশাপাশি সরজমিনেও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনেকে। খাবারের বাইরেও আন্দোলন প্রাঙ্গণজুড়ে বিশুদ্ধ পানি, বিস্কুট ও ওআরএস স্যালাইন হাতে ঘুরে ঘুরে সেবা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। মানবশিকল তৈরি করে বাইরে থেকে আসা সাহায্য ভেতরের তাঁবুতে পৌঁছে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
এমনই একজন তানভি নামের ৩০ বছর বয়সি এক তরুণী। তিনি নিজের কাজ থেকে ছুটি নিয়ে আন্দোলনস্থলে এসে সারাদিন খাবার বিতরণ করেন। এর পাশাপাশি পুলিশের সরিয়ে দেওয়া তাঁবু পুনর্নির্মাণ ও চিকিৎসাকেন্দ্রে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি। অন্যদিকে মুম্বাই থেকে আসা এক দুর্বল ও অনাহারী আন্দোলনকারীকে বিস্কুট ও পানি খাইয়ে সেবা দেওয়ার কথা জানান নীট পাল সিং নামের অপর এক স্বেচ্ছাসেবী।
শিক্ষার্থীদের এই অবস্থানে বড় পরিসরে সহায়তার দায়িত্ব নিয়েছে সচখণ্ড ফাউন্ডেশন নামের একটি অলাভজনক সংস্থা। তারা দৈনিক প্রায় ২ হাজার মানুষের তিনবেলার খাবারের দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের ৬০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন শিফটে ভাগ হয়ে এই সেবা দিচ্ছেন। খাবারের পাশাপাশি তারা ছাতা, রেইনকোট, টর্চ ও মশারির মতো দরকারি সামগ্রীও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।
অনলাইন ও অফলাইনে প্রচুর খাবার আসায় তা যেন অপচয় না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত হয়ে যাওয়া ভালো খাবারের পার্সেলগুলো স্বেচ্ছাসেবীরা পাশেই অবস্থিত একটি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসাধীন রোগীদের পাশে থাকা না-খাওয়া স্বজনদের মাঝে এসব খাবার বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে কর্মসূচির বিরতিতে আন্দোলনকারীরা পুরো যন্তর মন্তর এলাকা পরিষ্কার করার কাজে নেমে পড়ছেন। সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, কাগজের ঠোঙা ও বর্জ্য কুড়িয়ে ডাস্টবিন ব্যাগে সংগ্রহ করে চারপাশের সড়ক পরিষ্কার রাখছেন তরুণ-তরুণীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই মানবিক উদ্যোগ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ছবিগুলো ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ভারতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের কারণে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে দিল্লি মেট্রো। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের কনস্টিটিউশন ক্লাবে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে আন্দোলনকারীদর সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) বুধবার থেকে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রেখেছিল। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝাণ্ডেওয়ালান স্টেশনও বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে শুক্রবার মোট ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকছে।
অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ কোনো স্থানে বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়। কেন্দ্র সরকার সেই অনুরোধে সম্মতি দেওয়ার পর কনস্টিটিউশন ক্লাবে আলোচনার সিদ্ধান্ত জানা যায়।
পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিয়তা পাওয়া যায়নি।
সিজেপি নেতা সৌরভ দাস জানিয়েছেন, ‘নিরপেক্ষ স্থানের অনুরোধ মেনে নেওয়ার’ সরকারের সিদ্ধান্তকে তাদের সংগঠন স্বাগত জানিয়েছে।
এদিকে দেশজুড়ে পুলিশের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে শুক্রবার দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে দিল্লির জন্তর মন্তরে তাদের অবস্থান ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যথারীতি অব্যাহত থাকবে বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে সংগঠনটি।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ভারতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের কারণে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে দিল্লি মেট্রো। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের কনস্টিটিউশন ক্লাবে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে আন্দোলনকারীদর সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) বুধবার থেকে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রেখেছিল। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝাণ্ডেওয়ালান স্টেশনও বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে শুক্রবার মোট ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকছে।
অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ কোনো স্থানে বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়। কেন্দ্র সরকার সেই অনুরোধে সম্মতি দেওয়ার পর কনস্টিটিউশন ক্লাবে আলোচনার সিদ্ধান্ত জানা যায়।
পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিয়তা পাওয়া যায়নি।
সিজেপি নেতা সৌরভ দাস জানিয়েছেন, ‘নিরপেক্ষ স্থানের অনুরোধ মেনে নেওয়ার’ সরকারের সিদ্ধান্তকে তাদের সংগঠন স্বাগত জানিয়েছে।
এদিকে দেশজুড়ে পুলিশের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে শুক্রবার দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে দিল্লির জন্তর মন্তরে তাদের অবস্থান ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যথারীতি অব্যাহত থাকবে বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে সংগঠনটি।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ছবি : সংগৃহীত
ভারতে নিট-ইউজির প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে শিক্ষাসচিব বিনীত জোশিকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন নরেশ পাল গাঙ্গওয়ার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে জারি করা কেন্দ্রীয় সরকারের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিনীত জোশিকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
সরকারের এই প্রশাসনিক রদবদলে মোট ১৩টি নতুন নিয়োগ এবং চারটি ইন-সিটু পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব টি কে অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব করা হয়েছে।
প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে লং মার্চ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শিক্ষার্থীদের মিছিলে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও।
ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করে বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় উদাসীনতা দেখানোর কারণেই শিক্ষাসচিবকে অপসারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘নিট প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে উদাসীনতা দেখানোর কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষাসচিবকে বদলি করেছেন। প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা অবহেলা বা উদাসীনতা দেখিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটাই মোদির গ্যারান্টি।’
এদিকে প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের কয়েক ঘণ্টা পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ছাড়া শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে এবং আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে একটি বিল সংসদে পাসের চেষ্টা করবে সরকার।
এনডিটিভি জানায়, সরকারি সূত্র অনুযায়ী, আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় সিজেপি প্রতিনিধি দলের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

ছবি : সংগৃহীত
ভারতে নিট-ইউজির প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে শিক্ষাসচিব বিনীত জোশিকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন নরেশ পাল গাঙ্গওয়ার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে জারি করা কেন্দ্রীয় সরকারের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিনীত জোশিকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
সরকারের এই প্রশাসনিক রদবদলে মোট ১৩টি নতুন নিয়োগ এবং চারটি ইন-সিটু পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব টি কে অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব করা হয়েছে।
প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে লং মার্চ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শিক্ষার্থীদের মিছিলে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও।
ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করে বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় উদাসীনতা দেখানোর কারণেই শিক্ষাসচিবকে অপসারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘নিট প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে উদাসীনতা দেখানোর কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষাসচিবকে বদলি করেছেন। প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা অবহেলা বা উদাসীনতা দেখিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটাই মোদির গ্যারান্টি।’
এদিকে প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের কয়েক ঘণ্টা পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ছাড়া শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে এবং আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে একটি বিল সংসদে পাসের চেষ্টা করবে সরকার।
এনডিটিভি জানায়, সরকারি সূত্র অনুযায়ী, আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় সিজেপি প্রতিনিধি দলের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করে অনশন ভাঙেন ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত
ভারতেল দিল্লির জন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার সরকারি আশ্বাসের পর অনশন কর্মসূচি শেষ করেছেন পরিবেশ ও শিক্ষা আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ ২৬ দিন অনশনের পর গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এই অনশন ভাঙেন। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করেন তিনি। এ সময় তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমোসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবর (২৩ জুলাই) রাত ২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ৫৯ বছর বয়সি সোনাম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহারের কথা জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও লেহ লাদাখের অ্যাপেক্স বডির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, বিভিন্ন শর্ত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা এবং দেশে সম্ভাব্য সহিংস পরিস্থিতি এড়াতে তার এই সিদ্ধান্ত। কোন কোন শর্তে তিনি অনশন ভাঙলেন, তা পরবর্তীতে বিস্তারিত ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানাবেন। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে শান্ত থাকার এবং যেকোনো সহিংসতা প্রতিরোধের আহ্বান জানান তিনি।
অনশন ভাঙার পর সোনম ওয়াংচুকের সুস্থতা কামনা করে বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই আন্দোলনকারীকে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানান। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এ ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
দীপকে জানান, নিজের জীবন বাজি রেখে ওয়াংচুক পুরো দেশের বিবেক জাগিয়ে তুলেছেন। তবে সোনাম ওয়াংচুক অনশন ভাঙলেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছে।
হাসপাতালে অনশন শেষ করার সময় সোনম ওয়াংচুক সরকার ও উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা সরকারের গৃহীত প্রতিশ্রুতিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করে শোনান। তিনি জানান, জন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী এবং ২০ জুলাইয়ের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেওয়াদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে শিক্ষাসংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত বা আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ইতোমধ্যে সরকার শিক্ষা সচিবকে বরখাস্ত করেছে এবং এসব ঘটনার দ্রুত বিচারের জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠন করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করে অনশন ভাঙেন ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত
ভারতেল দিল্লির জন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার সরকারি আশ্বাসের পর অনশন কর্মসূচি শেষ করেছেন পরিবেশ ও শিক্ষা আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ ২৬ দিন অনশনের পর গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এই অনশন ভাঙেন। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের হাতে পানীয় পান করেন তিনি। এ সময় তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমোসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবর (২৩ জুলাই) রাত ২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ৫৯ বছর বয়সি সোনাম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহারের কথা জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও লেহ লাদাখের অ্যাপেক্স বডির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, বিভিন্ন শর্ত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা এবং দেশে সম্ভাব্য সহিংস পরিস্থিতি এড়াতে তার এই সিদ্ধান্ত। কোন কোন শর্তে তিনি অনশন ভাঙলেন, তা পরবর্তীতে বিস্তারিত ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানাবেন। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে শান্ত থাকার এবং যেকোনো সহিংসতা প্রতিরোধের আহ্বান জানান তিনি।
অনশন ভাঙার পর সোনম ওয়াংচুকের সুস্থতা কামনা করে বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই আন্দোলনকারীকে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানান। অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এ ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
দীপকে জানান, নিজের জীবন বাজি রেখে ওয়াংচুক পুরো দেশের বিবেক জাগিয়ে তুলেছেন। তবে সোনাম ওয়াংচুক অনশন ভাঙলেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছে।
হাসপাতালে অনশন শেষ করার সময় সোনম ওয়াংচুক সরকার ও উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা সরকারের গৃহীত প্রতিশ্রুতিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করে শোনান। তিনি জানান, জন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী এবং ২০ জুলাইয়ের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেওয়াদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে শিক্ষাসংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত বা আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ইতোমধ্যে সরকার শিক্ষা সচিবকে বরখাস্ত করেছে এবং এসব ঘটনার দ্রুত বিচারের জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠন করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে শিক্ষার্থী অসন্তোষ ও রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় সরকারের এ দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিচারে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার রাতে প্রশাসনের শীর্ষ পদে বড়ো ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। শুক্রবার এ বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মোদী আরও বলেন, বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে আমরা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা কারাগারে আছে। আমাদের সবচেয়ে বড়ো দায়িত্ব ছিল, যেন কোনো শিক্ষার্থীর একটি বছরও নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত পরীক্ষাগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।
সরকার ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে ‘সর্বোচ্চ ক্ষমতা’ প্রয়োগ করেছে বলে জানান মোদী। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এবং জালিয়াতি চক্রকে মূল উৎপাটন করতে সরকার সামনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মোদী।

নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে শিক্ষার্থী অসন্তোষ ও রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় সরকারের এ দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিচারে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার রাতে প্রশাসনের শীর্ষ পদে বড়ো ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। শুক্রবার এ বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মোদী আরও বলেন, বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে আমরা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা কারাগারে আছে। আমাদের সবচেয়ে বড়ো দায়িত্ব ছিল, যেন কোনো শিক্ষার্থীর একটি বছরও নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত পরীক্ষাগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।
সরকার ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে ‘সর্বোচ্চ ক্ষমতা’ প্রয়োগ করেছে বলে জানান মোদী। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এবং জালিয়াতি চক্রকে মূল উৎপাটন করতে সরকার সামনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মোদী।

সানিয়া মির্জা। ছবি: সংগৃহীত
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট প্রশ্নফাঁস কেন্দ্র করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন ভারতের টেনিস কিংবদন্তি সানিয়া মির্জা। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের মূল্যায়ন, বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়ে তিনি তরুণদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ আহ্বান জানান সানিয়া মির্জা।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীরা নিট-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে; বিশেষ করে গত কয়েক দিনে তারা যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে, তার জন্য আমি তাদের প্রতি গভীর সহানুভূতি বোধ করছি।’
শিক্ষার্থীদের অসন্তোষকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের কথা শোনা ও তাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান জানানো প্রয়োজন। তাদের হতাশা বা অসন্তোষের বিষয়টি আমলে নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যথাযথ সংস্কার আনা জরুরি।’
সহিংসতার পথ এড়িয়ে কার্যকর সমাধানের ওপর জোর দিয়ে সাবেক এই বিশ্ব তারকা বলেন, ‘আমাদের সমাজে সহিংসতার কোনো স্থান নেই; তাই তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে এমন একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে আমাদের সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

সানিয়া মির্জা। ছবি: সংগৃহীত
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট প্রশ্নফাঁস কেন্দ্র করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন ভারতের টেনিস কিংবদন্তি সানিয়া মির্জা। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের মূল্যায়ন, বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়ে তিনি তরুণদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ আহ্বান জানান সানিয়া মির্জা।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীরা নিট-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে; বিশেষ করে গত কয়েক দিনে তারা যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে, তার জন্য আমি তাদের প্রতি গভীর সহানুভূতি বোধ করছি।’
শিক্ষার্থীদের অসন্তোষকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের কথা শোনা ও তাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান জানানো প্রয়োজন। তাদের হতাশা বা অসন্তোষের বিষয়টি আমলে নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যথাযথ সংস্কার আনা জরুরি।’
সহিংসতার পথ এড়িয়ে কার্যকর সমাধানের ওপর জোর দিয়ে সাবেক এই বিশ্ব তারকা বলেন, ‘আমাদের সমাজে সহিংসতার কোনো স্থান নেই; তাই তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে এমন একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে আমাদের সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

ইরফান পাঠান। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, পরিবারের ত্যাগ ও তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন ভারতের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সংকটকালীন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
পোস্টে পাঠান লেখেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে ও এই যাত্রায় তাদের পরিবারকে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। পরিস্থিতির কারণে যা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিধায় কারও কখনোই আশা হারানো উচিত নয়।’
শিক্ষার্থীদের প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে আশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে সমান সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমাদের দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমি এও আশা করি যে, ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
পোস্টের শেষে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের সুরক্ষা চেয়ে সাবেক এই ভারতীয় ক্রিকেটার আকুল আবেদন জানিয়ে লেখেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের স্বপ্নগুলোকে রক্ষা করুন।’

ইরফান পাঠান। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, পরিবারের ত্যাগ ও তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন ভারতের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সংকটকালীন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
পোস্টে পাঠান লেখেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে ও এই যাত্রায় তাদের পরিবারকে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। পরিস্থিতির কারণে যা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিধায় কারও কখনোই আশা হারানো উচিত নয়।’
শিক্ষার্থীদের প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে আশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে সমান সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমাদের দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমি এও আশা করি যে, ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
পোস্টের শেষে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের সুরক্ষা চেয়ে সাবেক এই ভারতীয় ক্রিকেটার আকুল আবেদন জানিয়ে লেখেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের স্বপ্নগুলোকে রক্ষা করুন।’
ভারতে ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে রাজধানীর যন্তর মন্তর চত্বরে বিক্ষোভকারীদের বিশাল জনসমাগম ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় আধা-সামরিক বাহিনী ‘র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স’ (র্যাফ)-এর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) র্যাফের বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয় বলে জানায় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।
আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে ক্রমাগত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও সাধারণ মানুষ এসে উপস্থিত হওয়ায় নিরাপত্তাবেষ্টনী কয়েক গুণ জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড তৈরি করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ভারতে ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে রাজধানীর যন্তর মন্তর চত্বরে বিক্ষোভকারীদের বিশাল জনসমাগম ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় আধা-সামরিক বাহিনী ‘র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স’ (র্যাফ)-এর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) র্যাফের বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয় বলে জানায় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।
আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে ক্রমাগত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও সাধারণ মানুষ এসে উপস্থিত হওয়ায় নিরাপত্তাবেষ্টনী কয়েক গুণ জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড তৈরি করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যু ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে চলমান আন্দোলনের সমর্থনে এবার আন্দোলনে নেমেছে সিপিআই(এম)-এর ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই)।
দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন ও দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেরালাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেরালায় রাজভবন (লোক ভবন) অভিমুখে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করে এসএফআই।
মিছিলটির উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখেন কেরালা বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা পিনারাই বিজয়ন। এ সময় শত শত এসএফআই কর্মী ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও নিট কেলেঙ্কারির সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানান।
দিল্লির গণ্ডি ছাড়িয়ে দক্ষিণ ভারতেও শিক্ষার্থীদের এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার ফলে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেল।
সূত্র: দ্য হিন্দু
প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যু ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে চলমান আন্দোলনের সমর্থনে এবার আন্দোলনে নেমেছে সিপিআই(এম)-এর ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই)।
দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন ও দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেরালাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেরালায় রাজভবন (লোক ভবন) অভিমুখে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করে এসএফআই।
মিছিলটির উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখেন কেরালা বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা পিনারাই বিজয়ন। এ সময় শত শত এসএফআই কর্মী ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও নিট কেলেঙ্কারির সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানান।
দিল্লির গণ্ডি ছাড়িয়ে দক্ষিণ ভারতেও শিক্ষার্থীদের এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার ফলে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেল।
সূত্র: দ্য হিন্দু
ভারতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সংঘর্ষে জড়িতদের পাসপোর্ট বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিল্লি পুলিশের সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির সময় নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে প্রবেশের চেষ্টা চালান বিক্ষোভকারীরা।
এর জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও এপিসি ভ্যান মোতায়েন করে দিল্লি পুলিশ। তারা শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক করা হয় বলে দাবি করেছে সিজেপি।
সংসদ অভিমুখে কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ২৪ জুলাই (শুক্রবার) সারা দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। দলটি দেশের বিভিন্ন জেলা স্তরের ছাত্র সংসদ ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোকে স্থানীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি তুলে ধরা এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।
নিট পরীক্ষা বাতিল ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্ধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আন্দোলন মূলত গত সোমবারের ঘটনাই নজিরবিহীন মাত্রা পায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও দেখে বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে যোগ দেন, ফলে দিন দিন যন্তর মন্তরে জনসমাগম অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে চরম উত্তাপ দেখা দিয়েছে। ৭, লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে বসেন কংগ্রেসসহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা। তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও আন্দোলন দমনে পুলিশি ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি জানান।
ভারতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সংঘর্ষে জড়িতদের পাসপোর্ট বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিল্লি পুলিশের সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির সময় নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে প্রবেশের চেষ্টা চালান বিক্ষোভকারীরা।
এর জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও এপিসি ভ্যান মোতায়েন করে দিল্লি পুলিশ। তারা শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক করা হয় বলে দাবি করেছে সিজেপি।
সংসদ অভিমুখে কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ২৪ জুলাই (শুক্রবার) সারা দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। দলটি দেশের বিভিন্ন জেলা স্তরের ছাত্র সংসদ ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোকে স্থানীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি তুলে ধরা এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।
নিট পরীক্ষা বাতিল ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্ধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আন্দোলন মূলত গত সোমবারের ঘটনাই নজিরবিহীন মাত্রা পায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও দেখে বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে যোগ দেন, ফলে দিন দিন যন্তর মন্তরে জনসমাগম অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে চরম উত্তাপ দেখা দিয়েছে। ৭, লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে বসেন কংগ্রেসসহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা। তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও আন্দোলন দমনে পুলিশি ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি জানান।

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন ঘিরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবও। তবে তাদের এই বিক্ষোভে বেজায় চটেছেন ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভের তীব্র সমালোচনা করেন। গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, কংগ্রেসের এমন আচরণ আসলে কুটিল রাজনীতি। নেতাদের উচিত ছিল যন্তর মন্তরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানানো। তাদের পাশে দাঁড়ানো।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে যে প্রতিবাদ হয়েছিল সেটায় সততার অভাব ছিল। মানুষকে এভাবে আর বোকা বানানো যাবে না। এই ভারত যথেষ্ট সচেতন। যারা সৎ নয়, তাদেরকে সমূলে উৎখাত করবে যুবসমাজ।’
গীতাঞ্জলির অভিযোগ, রাজনীতিবিদরা সোনমের জনপ্রিয়তাকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগাতে চাইছেন। তবে কপট রাজনীতি সফল হবে না। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় ও ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে টানা ২৬ দিন ধরে অনশন করছেন সোনম ওয়াংচুক।
তিনি বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে কোনও রাজনীতি নেই। এই আন্দোলন দেখিয়েছে যে, প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতাকেই নিজেদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ফাঁকা বুলি আওড়ে কোনও লাভ নেই ‘
চলমান আন্দোলনের দাবিগুলো স্মরণ করে সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কাছে শাসক-বিরোধী কিছুই নেই। পার্লামেন্ট সর্বোচ্চ স্থান, তারা যেন শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে, এটাই আমাদের দাবি। রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে যারা এই প্রতিবাদে নাম লেখাতে চাইছেন তারা ব্যর্থ হবেই।
গত ২১ জুলাই নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা। তাদের অভিযোগ, আগেরদিন সিজেপির পার্লামেন্ট অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সরকারের পুলিশ বাহিনী দিয়ে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করেন তারা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে গেলেও, কয়েক ঘণ্টা পর ফের ছেড়ে দেয়।

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন ঘিরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবও। তবে তাদের এই বিক্ষোভে বেজায় চটেছেন ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে অনশনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভের তীব্র সমালোচনা করেন। গীতাঞ্জলি আংমো বলেন, কংগ্রেসের এমন আচরণ আসলে কুটিল রাজনীতি। নেতাদের উচিত ছিল যন্তর মন্তরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানানো। তাদের পাশে দাঁড়ানো।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে যে প্রতিবাদ হয়েছিল সেটায় সততার অভাব ছিল। মানুষকে এভাবে আর বোকা বানানো যাবে না। এই ভারত যথেষ্ট সচেতন। যারা সৎ নয়, তাদেরকে সমূলে উৎখাত করবে যুবসমাজ।’
গীতাঞ্জলির অভিযোগ, রাজনীতিবিদরা সোনমের জনপ্রিয়তাকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগাতে চাইছেন। তবে কপট রাজনীতি সফল হবে না। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় ও ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে টানা ২৬ দিন ধরে অনশন করছেন সোনম ওয়াংচুক।
তিনি বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে কোনও রাজনীতি নেই। এই আন্দোলন দেখিয়েছে যে, প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতাকেই নিজেদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ফাঁকা বুলি আওড়ে কোনও লাভ নেই ‘
চলমান আন্দোলনের দাবিগুলো স্মরণ করে সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কাছে শাসক-বিরোধী কিছুই নেই। পার্লামেন্ট সর্বোচ্চ স্থান, তারা যেন শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে, এটাই আমাদের দাবি। রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে যারা এই প্রতিবাদে নাম লেখাতে চাইছেন তারা ব্যর্থ হবেই।
গত ২১ জুলাই নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা। তাদের অভিযোগ, আগেরদিন সিজেপির পার্লামেন্ট অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সরকারের পুলিশ বাহিনী দিয়ে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করেন তারা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে গেলেও, কয়েক ঘণ্টা পর ফের ছেড়ে দেয়।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে চরম বেকায়দায় পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। আন্দোলন দমনে পুলিশি পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পর এবার আলোচনার টেবিলে সমাধানের পথ খুঁজছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
তবে সরকারের পরপর চারবারের আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে নিশ্চিত করেন যে, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিজেপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে কেন্দ্র।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, ‘শিক্ষার্থী বন্ধুদের স্বার্থে আমাদের আলোচনার দ্বার এখনও উন্মুক্ত। সরকার তাদের সুবিধাজনক যে কোনো সময় ও স্থানে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মর্যাদার লড়াই বা জেদ বজায় রাখার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘জে পি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবন যে কোনো সুবিধাজনক জায়গায় এ বৈঠক হতে পারে। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আমি নিজে উপস্থিত থাকব।’
তবে সিজেপি নেতৃত্ব সরকারের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জানান, কোনো মন্ত্রীর কার্যালয় বা বাসভবনে গিয়ে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।
তারা বলেন, ‘আসল আদালত হলো সাধারণ জনতার আদালত, যা এখন যন্তর মন্তরে রয়েছে। মন্ত্রীদের জনগণের কাছে এসে কথা বলতে হবে। নিরাপত্তাজনিত কোনো বাধা থাকলে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে পারে।’
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় রয়েছে সিজেপি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর থেকে একচুলও না সরার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে চরম বেকায়দায় পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। আন্দোলন দমনে পুলিশি পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পর এবার আলোচনার টেবিলে সমাধানের পথ খুঁজছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
তবে সরকারের পরপর চারবারের আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে নিশ্চিত করেন যে, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিজেপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে কেন্দ্র।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, ‘শিক্ষার্থী বন্ধুদের স্বার্থে আমাদের আলোচনার দ্বার এখনও উন্মুক্ত। সরকার তাদের সুবিধাজনক যে কোনো সময় ও স্থানে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মর্যাদার লড়াই বা জেদ বজায় রাখার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘জে পি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবন যে কোনো সুবিধাজনক জায়গায় এ বৈঠক হতে পারে। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আমি নিজে উপস্থিত থাকব।’
তবে সিজেপি নেতৃত্ব সরকারের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জানান, কোনো মন্ত্রীর কার্যালয় বা বাসভবনে গিয়ে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।
তারা বলেন, ‘আসল আদালত হলো সাধারণ জনতার আদালত, যা এখন যন্তর মন্তরে রয়েছে। মন্ত্রীদের জনগণের কাছে এসে কথা বলতে হবে। নিরাপত্তাজনিত কোনো বাধা থাকলে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে পারে।’
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় রয়েছে সিজেপি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর থেকে একচুলও না সরার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে চলমান আন্দোলনের তীব্রতার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই নিজের অসুস্থতার কথা নিশ্চিত করেছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আন্দোলনের ময়দান না ছাড়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
পোস্টে অভিজিৎ দীপকে লেখেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার প্রচণ্ড জ্বর ও শরীর ব্যথা হচ্ছে। কোনো মতে টিকে থাকার জন্য আমাকে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ খেতে হচ্ছে। আজ যন্তর মন্তরে এসে যারা আমার দেখা পাননি, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সুস্থ হতে আমার কয়েক ঘণ্টার বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে আশা করছি আজ সন্ধ্যার মধ্যেই আমি পুনরায় আন্দোলন মঞ্চে ফিরে আসব।’
অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের এই লড়াই চালিয়ে যেতে অনড়।
এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গ এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ক্ষুব্ধ জনতা সংসদ ভবনের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দিলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ও কাঁচের বোতল ছোড়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া বক্তব্যে পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘নৃশংসতা’ বলে আখ্যা দেন অভিজিৎ দীপকে। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি পুলিশ ও প্রশাসনের এমন অন্যায্য ও সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিজেপির এই প্রতিষ্ঠাতা।
I’ve been down with a fever and severe body pain for the last few days, but I’ve been pushing through with painkillers.
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) July 23, 2026
My apologies if you don’t see me at Jantar Mantar today. I need to get a few hours of rest and recover.
Will be back at the protest site by evening.

ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে চলমান আন্দোলনের তীব্রতার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই নিজের অসুস্থতার কথা নিশ্চিত করেছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আন্দোলনের ময়দান না ছাড়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
পোস্টে অভিজিৎ দীপকে লেখেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার প্রচণ্ড জ্বর ও শরীর ব্যথা হচ্ছে। কোনো মতে টিকে থাকার জন্য আমাকে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ খেতে হচ্ছে। আজ যন্তর মন্তরে এসে যারা আমার দেখা পাননি, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সুস্থ হতে আমার কয়েক ঘণ্টার বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে আশা করছি আজ সন্ধ্যার মধ্যেই আমি পুনরায় আন্দোলন মঞ্চে ফিরে আসব।’
অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের এই লড়াই চালিয়ে যেতে অনড়।
এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গ এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ক্ষুব্ধ জনতা সংসদ ভবনের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দিলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ও কাঁচের বোতল ছোড়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া বক্তব্যে পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘নৃশংসতা’ বলে আখ্যা দেন অভিজিৎ দীপকে। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি পুলিশ ও প্রশাসনের এমন অন্যায্য ও সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিজেপির এই প্রতিষ্ঠাতা।
I’ve been down with a fever and severe body pain for the last few days, but I’ve been pushing through with painkillers.
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) July 23, 2026
My apologies if you don’t see me at Jantar Mantar today. I need to get a few hours of rest and recover.
Will be back at the protest site by evening.

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছেন মুম্বাই পুলিশের এক সদস্য। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে চলমান নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের প্রভাবে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইয়ের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে। মুম্বাই কংগ্রেসের অফিসিয়ার এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি ভিডিও কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে শিবাজি পার্ক, চেম্বুর ও আজাদ ময়দানসহ মুম্বাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভ করে আসছেন। কংগ্রেসের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ সদস্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়ে বলছেন, ‘আবার আন্দোলনে অংশ নিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’।
ভিডিওটি শেয়ার করে মুম্বাই কংগ্রেস তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখে, ‘ভাইরাল ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, মুম্বাই পুলিশ প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছে যে পুনরায় বিক্ষোভে ফিরলে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচতে বাধ্য করা হবে। যদি এটি সত্য হয়, তবে তা কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টাই নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এক নগ্ন আঘাত। বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদ কোনো অপরাধ নয়। হুমকি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়া উচিত।’
ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা ও এর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিডিওতে দৃশ্যমান ওই পুলিশ সদস্যকে তার বর্তমান দায়িত্ব ও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে পরবর্তী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের গৃহীত নজিরবিহীন কৌশল নিয়েও জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ রোধে পুলিশ ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ ও ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি’ চালাচ্ছে।
আগে থেকেই যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর বা আইনি নোটিশ রয়েছে, সেই শিক্ষার্থীরা পুলিশি ফোন ও মেসেজ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে অবস্থান নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নিজ নিজ ‘লাইভ লোকেশন’ সার্বক্ষণিক শেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
এছাড়া, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩৫(৩) ধারা প্রয়োগ করে সকালে মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় তলব করা হচ্ছে। এটি নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতার ওপর চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছেন মুম্বাই পুলিশের এক সদস্য। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে চলমান নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের প্রভাবে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইয়ের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে। মুম্বাই কংগ্রেসের অফিসিয়ার এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি ভিডিও কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে শিবাজি পার্ক, চেম্বুর ও আজাদ ময়দানসহ মুম্বাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভ করে আসছেন। কংগ্রেসের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ সদস্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়ে বলছেন, ‘আবার আন্দোলনে অংশ নিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’।
ভিডিওটি শেয়ার করে মুম্বাই কংগ্রেস তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখে, ‘ভাইরাল ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, মুম্বাই পুলিশ প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছে যে পুনরায় বিক্ষোভে ফিরলে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচতে বাধ্য করা হবে। যদি এটি সত্য হয়, তবে তা কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টাই নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এক নগ্ন আঘাত। বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদ কোনো অপরাধ নয়। হুমকি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়া উচিত।’
ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা ও এর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিডিওতে দৃশ্যমান ওই পুলিশ সদস্যকে তার বর্তমান দায়িত্ব ও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে পরবর্তী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের গৃহীত নজিরবিহীন কৌশল নিয়েও জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ রোধে পুলিশ ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ ও ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি’ চালাচ্ছে।
আগে থেকেই যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর বা আইনি নোটিশ রয়েছে, সেই শিক্ষার্থীরা পুলিশি ফোন ও মেসেজ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে অবস্থান নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নিজ নিজ ‘লাইভ লোকেশন’ সার্বক্ষণিক শেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
এছাড়া, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩৫(৩) ধারা প্রয়োগ করে সকালে মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় তলব করা হচ্ছে। এটি নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতার ওপর চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাব আবারও ফিরিয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারী দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন দলের নেতারা।
সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, জে পি নাড্ডা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সিজেপি নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে মঞ্চে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি সেই আহ্বান নাকচ করে দেন।
এর আগে বুধবারও সিজেপির প্রতিনিধি দলকে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখনও তা ফিরিয়ে দিয়ে সিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারের সঙ্গে যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা কেবল কোনো ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ অনুষ্ঠিত হতে হবে, সরকারের পছন্দসই কোনো কার্যালয়ে নয়।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সিজেপির এই অনড় অবস্থানের কারণে জটিল হয়ে পড়েছে দু'পক্ষের মধ্যস্থতার পথ।
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাব আবারও ফিরিয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারী দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন দলের নেতারা।
সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, জে পি নাড্ডা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সিজেপি নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে মঞ্চে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি সেই আহ্বান নাকচ করে দেন।
এর আগে বুধবারও সিজেপির প্রতিনিধি দলকে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখনও তা ফিরিয়ে দিয়ে সিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারের সঙ্গে যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা কেবল কোনো ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ অনুষ্ঠিত হতে হবে, সরকারের পছন্দসই কোনো কার্যালয়ে নয়।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সিজেপির এই অনড় অবস্থানের কারণে জটিল হয়ে পড়েছে দু'পক্ষের মধ্যস্থতার পথ।

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।
এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।
এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।
তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।
তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
