Advertisement
সরাসরি

বারবার আলোচনার প্রস্তাব মোদি সরকারের, পাত্তা দিচ্ছে না সিজেপি

প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে লং মার্চ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শিক্ষার্থীদের মিছিলে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও। মানবাধিকার সংস্থাগুলো পুলিশের লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থকরা পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিন সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ৩৯ পিএম

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে চরম বেকায়দায় পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। আন্দোলন দমনে পুলিশি পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পর এবার আলোচনার টেবিলে সমাধানের পথ খুঁজছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে সরকারের পরপর চারবারের আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে নিশ্চিত করেন যে, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিজেপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, ‘শিক্ষার্থী বন্ধুদের স্বার্থে আমাদের আলোচনার দ্বার এখনও উন্মুক্ত। সরকার তাদের সুবিধাজনক যে কোনো সময় ও স্থানে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মর্যাদার লড়াই বা জেদ বজায় রাখার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘জে পি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবন যে কোনো সুবিধাজনক জায়গায় এ বৈঠক হতে পারে। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আমি নিজে উপস্থিত থাকব।’

তবে সিজেপি নেতৃত্ব সরকারের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জানান, কোনো মন্ত্রীর কার্যালয় বা বাসভবনে গিয়ে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।

তারা বলেন, ‘আসল আদালত হলো সাধারণ জনতার আদালত, যা এখন যন্তর মন্তরে রয়েছে। মন্ত্রীদের জনগণের কাছে এসে কথা বলতে হবে। নিরাপত্তাজনিত কোনো বাধা থাকলে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে পারে।’

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় রয়েছে সিজেপি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর থেকে একচুলও না সরার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ৩৯ পিএম

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে চরম বেকায়দায় পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। আন্দোলন দমনে পুলিশি পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পর এবার আলোচনার টেবিলে সমাধানের পথ খুঁজছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে সরকারের পরপর চারবারের আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে নিশ্চিত করেন যে, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিজেপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, ‘শিক্ষার্থী বন্ধুদের স্বার্থে আমাদের আলোচনার দ্বার এখনও উন্মুক্ত। সরকার তাদের সুবিধাজনক যে কোনো সময় ও স্থানে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মর্যাদার লড়াই বা জেদ বজায় রাখার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘জে পি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবন যে কোনো সুবিধাজনক জায়গায় এ বৈঠক হতে পারে। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আমি নিজে উপস্থিত থাকব।’

তবে সিজেপি নেতৃত্ব সরকারের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জানান, কোনো মন্ত্রীর কার্যালয় বা বাসভবনে গিয়ে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।

তারা বলেন, ‘আসল আদালত হলো সাধারণ জনতার আদালত, যা এখন যন্তর মন্তরে রয়েছে। মন্ত্রীদের জনগণের কাছে এসে কথা বলতে হবে। নিরাপত্তাজনিত কোনো বাধা থাকলে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে পারে।’

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় রয়েছে সিজেপি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর থেকে একচুলও না সরার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ০৬ পিএম
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান

ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে চলমান আন্দোলনের তীব্রতার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই নিজের অসুস্থতার কথা নিশ্চিত করেছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আন্দোলনের ময়দান না ছাড়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।

পোস্টে অভিজিৎ দীপকে লেখেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার প্রচণ্ড জ্বর ও শরীর ব্যথা হচ্ছে। কোনো মতে টিকে থাকার জন্য আমাকে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ খেতে হচ্ছে। আজ যন্তর মন্তরে এসে যারা আমার দেখা পাননি, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সুস্থ হতে আমার কয়েক ঘণ্টার বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে আশা করছি আজ সন্ধ্যার মধ্যেই আমি পুনরায় আন্দোলন মঞ্চে ফিরে আসব।’

অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের এই লড়াই চালিয়ে যেতে অনড়।

এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গ এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ক্ষুব্ধ জনতা সংসদ ভবনের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দিলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ও কাঁচের বোতল ছোড়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া বক্তব্যে পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘নৃশংসতা’ বলে আখ্যা দেন অভিজিৎ দীপকে। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি পুলিশ ও প্রশাসনের এমন অন্যায্য ও সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিজেপির এই প্রতিষ্ঠাতা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫: ০৬ পিএম
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান
আন্দোলন থেকে বিরতি নিলেন ককরোচ পার্টির প্রধান

ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে চলমান আন্দোলনের তীব্রতার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই নিজের অসুস্থতার কথা নিশ্চিত করেছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আন্দোলনের ময়দান না ছাড়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।

পোস্টে অভিজিৎ দীপকে লেখেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার প্রচণ্ড জ্বর ও শরীর ব্যথা হচ্ছে। কোনো মতে টিকে থাকার জন্য আমাকে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ খেতে হচ্ছে। আজ যন্তর মন্তরে এসে যারা আমার দেখা পাননি, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সুস্থ হতে আমার কয়েক ঘণ্টার বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে আশা করছি আজ সন্ধ্যার মধ্যেই আমি পুনরায় আন্দোলন মঞ্চে ফিরে আসব।’

অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের এই লড়াই চালিয়ে যেতে অনড়।

এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গ এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ক্ষুব্ধ জনতা সংসদ ভবনের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দিলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ও কাঁচের বোতল ছোড়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া বক্তব্যে পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘নৃশংসতা’ বলে আখ্যা দেন অভিজিৎ দীপকে। আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি পুলিশ ও প্রশাসনের এমন অন্যায্য ও সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিজেপির এই প্রতিষ্ঠাতা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ৩৫ পিএম
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছেন মুম্বাই পুলিশের এক সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে চলমান নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের প্রভাবে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইয়ের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে। মুম্বাই কংগ্রেসের অফিসিয়ার এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি ভিডিও কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে শিবাজি পার্ক, চেম্বুর ও আজাদ ময়দানসহ মুম্বাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভ করে আসছেন। কংগ্রেসের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ সদস্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়ে বলছেন, ‘আবার আন্দোলনে অংশ নিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’।

ভিডিওটি শেয়ার করে মুম্বাই কংগ্রেস তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখে, ‘ভাইরাল ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, মুম্বাই পুলিশ প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছে যে পুনরায় বিক্ষোভে ফিরলে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচতে বাধ্য করা হবে। যদি এটি সত্য হয়, তবে তা কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টাই নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এক নগ্ন আঘাত। বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদ কোনো অপরাধ নয়। হুমকি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়া উচিত।’

ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা ও এর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিডিওতে দৃশ্যমান ওই পুলিশ সদস্যকে তার বর্তমান দায়িত্ব ও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে পরবর্তী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের গৃহীত নজিরবিহীন কৌশল নিয়েও জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ রোধে পুলিশ ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ ও ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি’ চালাচ্ছে।

আগে থেকেই যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর বা আইনি নোটিশ রয়েছে, সেই শিক্ষার্থীরা পুলিশি ফোন ও মেসেজ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে অবস্থান নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নিজ নিজ ‘লাইভ লোকেশন’ সার্বক্ষণিক শেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।

এছাড়া, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩৫(৩) ধারা প্রয়োগ করে সকালে মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় তলব করা হচ্ছে। এটি নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতার ওপর চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ৩৫ পিএম
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি
‘মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’, বিক্ষোভকারীদের মুম্বাই পুলিশের হুমকি

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছেন মুম্বাই পুলিশের এক সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে চলমান নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের প্রভাবে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইয়ের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে। মুম্বাই কংগ্রেসের অফিসিয়ার এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি ভিডিও কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে শিবাজি পার্ক, চেম্বুর ও আজাদ ময়দানসহ মুম্বাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভ করে আসছেন। কংগ্রেসের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ সদস্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়ে বলছেন, ‘আবার আন্দোলনে অংশ নিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেব’।

ভিডিওটি শেয়ার করে মুম্বাই কংগ্রেস তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখে, ‘ভাইরাল ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, মুম্বাই পুলিশ প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছে যে পুনরায় বিক্ষোভে ফিরলে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে সারাজীবন জেলে পচতে বাধ্য করা হবে। যদি এটি সত্য হয়, তবে তা কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টাই নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর এক নগ্ন আঘাত। বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদ কোনো অপরাধ নয়। হুমকি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়া উচিত।’

ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা ও এর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিডিওতে দৃশ্যমান ওই পুলিশ সদস্যকে তার বর্তমান দায়িত্ব ও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে পরবর্তী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের গৃহীত নজিরবিহীন কৌশল নিয়েও জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ রোধে পুলিশ ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ ও ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি’ চালাচ্ছে।

আগে থেকেই যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর বা আইনি নোটিশ রয়েছে, সেই শিক্ষার্থীরা পুলিশি ফোন ও মেসেজ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে অবস্থান নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নিজ নিজ ‘লাইভ লোকেশন’ সার্বক্ষণিক শেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।

এছাড়া, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩৫(৩) ধারা প্রয়োগ করে সকালে মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় তলব করা হচ্ছে। এটি নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতার ওপর চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ১২ পিএম
বিজেপির আলোচনার প্রস্তাব ফের প্রত্যাখ্যান, দাবিতে অনড় সিজেপি

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাব আবারও ফিরিয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারী দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন দলের নেতারা।

সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, জে পি নাড্ডা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সিজেপি নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে মঞ্চে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি সেই আহ্বান নাকচ করে দেন।

এর আগে বুধবারও সিজেপির প্রতিনিধি দলকে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখনও তা ফিরিয়ে দিয়ে সিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারের সঙ্গে যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা কেবল কোনো ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ অনুষ্ঠিত হতে হবে, সরকারের পছন্দসই কোনো কার্যালয়ে নয়।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সিজেপির এই অনড় অবস্থানের কারণে জটিল হয়ে পড়েছে দু'পক্ষের মধ্যস্থতার পথ।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪: ১২ পিএম
বিজেপির আলোচনার প্রস্তাব ফের প্রত্যাখ্যান, দাবিতে অনড় সিজেপি

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাব আবারও ফিরিয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারী দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন দলের নেতারা।

সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, জে পি নাড্ডা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সিজেপি নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে মঞ্চে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি সেই আহ্বান নাকচ করে দেন।

এর আগে বুধবারও সিজেপির প্রতিনিধি দলকে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তখনও তা ফিরিয়ে দিয়ে সিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারের সঙ্গে যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা কেবল কোনো ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ অনুষ্ঠিত হতে হবে, সরকারের পছন্দসই কোনো কার্যালয়ে নয়।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সিজেপির এই অনড় অবস্থানের কারণে জটিল হয়ে পড়েছে দু'পক্ষের মধ্যস্থতার পথ।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩: ০৭ পিএম
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।

এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।

অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩: ০৭ পিএম
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ

২২ জুলাই রাতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

নয়াদিল্লি পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।

এ সময় সংঘর্ষ সংসদ মার্গ থেকে পার্শ্ববর্তী কনট প্লেসের প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের দুজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) ও একজন পরিদর্শকসহ (ইন্সপেক্টর) অন্তত পাঁচজন সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে টলস্টয় মার্গ, এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টার ও পার্ক হোটেলের সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনস্থলের সুযোগ নিয়ে বাইরে থেকে আসা একদল ‘সমাজবিরোধী’ এই হামলার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে।

অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে টানা কয়েকদিন ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলা, টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ ও লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৫৪ পিএম
মোদির আশ্বাসের পরও অনড় সিজেপি, আন্দোলন চলবেই

প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।

তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৫৪ পিএম
মোদির আশ্বাসের পরও অনড় সিজেপি, আন্দোলন চলবেই

প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠন ও কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস সত্ত্বেও বিক্ষোভ থামেনি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবি শেয়ার করে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘হাই, মাই নেম ইজ নাথিং’।

তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ‘আমাদের যুবসমাজ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই...’ বিবৃতিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে এই প্রতিক্রিয়া জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্সে লিখেছিলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ও তাদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলনের রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। নিজেদের দাবিতে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

asia-post
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৩৯ পিএম
উত্তাল দিল্লি, মুম্বাইয়ে কঠোর পদক্ষেপ মোদি সরকারের

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ ‍বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

Asia Post
সরাসরি আপডেট
২৩ জুলাই ২০২৬, ০২: ৩৯ পিএম
উত্তাল দিল্লি, মুম্বাইয়ে কঠোর পদক্ষেপ মোদি সরকারের

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে উত্তাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। এবার সেই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে মুম্বাইয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ে জড়ো হওয়া বা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকেই কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাককে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬ আগস্ট পর্যন্ত কোনো অনুমতি ছাড়া মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ জড়ো হতে পারবেন না।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলেছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলন করায় মুম্বাইয়ে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আটটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হওয়ায় আজ ‍বৃহস্পতিবার সকালে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলন, ‘যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

asia-post