ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ভারত

সামরিক সক্ষমতার পাল্লায় আরও একধাপ এগোল ভারত। নতুন করে স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-১-এর সফল পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি। শুক্রবার (২২ মে) ওড়িশা উপকূলে স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের (এসএফসি) তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চালানো হয়।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার সমস্ত যোগ্যতামান সফলভাবে পার করেছে ক্ষেপণাস্ত্রটি।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানা যায়, স্বল্প পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৭০০ থেকে ১২০০ কিলোমিটার। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
এ ছাড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষ সুবিধা হলো ভ্রাম্যমাণ লঞ্চার থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটি।
ক্ষেপণাস্ত্রটির ওজন ১০০০ কেজি হওয়ায় পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনেও সক্ষম। অগ্নি-১ ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে অত্যাধুনিক নেভিগেশন সিস্টেম, যা নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে।
এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি সলিড প্রোপেল্যান্ট দ্বারা চালিত হওয়ায় দ্রুত উৎক্ষেপণ করা যায়। সড়ক ও রেলপথে সহজে পরিবহনযোগ্য হওয়ায় যে কোনো জায়গায় সহজে বহনযোগ্য। যে কোনো স্থান থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য।
ভারতের সামরিক বাহিনীতে অগ্নি-১ থেকে অগ্নি-৪ পর্যন্ত যতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হয়েছে, সেগুলোর রেঞ্জ ৭০০ কিলোমিটার থেকে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। নতুন এই অগ্নি-১ ছিল স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা।
এর আগে, গত ৯ মে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা চালিয়েছিল ভারত। পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণটি দেখতে অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো না হলেও এটি আইসিবিএম শ্রেণির।
তবে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ঘোষণা বা পরীক্ষার কথা স্বীকার করেনি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও)।
সূত্র: এনডিটিভি
