শিক্ষার্থীদের ৩ দাবিই যৌক্তিক, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চান রাহুল গান্ধী
প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে লং মার্চ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শিক্ষার্থীদের মিছিলে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও। মানবাধিকার সংস্থাগুলো পুলিশের লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।
গত ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন বিরোধীদলীয় নেতা রাজীব গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পুলিশ সেখানে থেকে তাদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। ব্যর্থ হলে তাদের দুই ভাই-বোনসহ সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য অখিলেশ যাদবকে আটক করে। যদিও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে বুধবার (২২ জুলাই) দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করছেন হাজার হাজার মানুষ। পরিস্থিতির সামাল দিতে রাজধানীজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এ ছাড়াও ‘নিরাপত্তাজনিত কারণ’ দেখিয়ে ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।

দেশজুড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই প্রতিবাদে বেঙ্গালুরুতে ক্ষমতাসীন বিজেপি বিধায়ক বি পি হরিশকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়ে মেরেছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের কর্মীরা।
বুধবার (২২ জুলাই) হঠাৎ এমন হামলার মুখে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই বিজেপি নেতা। এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই।
ঘটনার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিধায়ক হরিশ বলেন, আন্দোলন নামে যা করা হচ্ছে তা কোনো গণতান্ত্রিক বা শিষ্টাচারসম্মত প্রতিবাদ হতে পারে না। বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে এসে কংগ্রেসের কর্মীরা মূলত সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীর পরিপন্থি হয়ে পুরোপুরি ‘গুণ্ডাদের’ মতো আচরণ করেছে।
দেশজুড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই প্রতিবাদে বেঙ্গালুরুতে ক্ষমতাসীন বিজেপি বিধায়ক বি পি হরিশকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়ে মেরেছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের কর্মীরা।
বুধবার (২২ জুলাই) হঠাৎ এমন হামলার মুখে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই বিজেপি নেতা। এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই।
ঘটনার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিধায়ক হরিশ বলেন, আন্দোলন নামে যা করা হচ্ছে তা কোনো গণতান্ত্রিক বা শিষ্টাচারসম্মত প্রতিবাদ হতে পারে না। বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে এসে কংগ্রেসের কর্মীরা মূলত সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীর পরিপন্থি হয়ে পুরোপুরি ‘গুণ্ডাদের’ মতো আচরণ করেছে।

নয়াদিল্লির ইন্দিরা ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে গত এক দশকে ১৫২ বার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, হিসাব করলে দেখা যায় প্রতি মাসে গড়ে একটিরও বেশি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটছে। ফলে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর মানসিক চাপ, কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগের কোনো মূল্যায়ন হচ্ছে না।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে নয়াদিল্লির ইন্দিরা ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা। বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও কেন্দ্রীয় সরকারের এ বিষয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই বলে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন।
রাহুল গান্ধী বলেন, ধারাবাহিক প্রশ্নফাঁসের ফলে দেশের প্রায় সাড়ে সাত কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা, যারা নিজেদের সারা জীবনের সঞ্চয় ও স্বপ্ন সন্তানদের শিক্ষার পেছনে বিনিয়োগ করেন, তারা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
সরকারের চরম নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর ঘটনা ঘটলেও এ পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত বা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়নি।’ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারতের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ অর্থাৎ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করছে বলেও অভিযোগ করেন রাহুল গান্ধী।
সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা স্পষ্ট করে বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা যা করছে তাতে তাদের কোনো দোষ নেই এবং সরকারের কাছে উপস্থাপন করা তাদের প্রধান তিনটি দাবিই পুরোপুরি যৌক্তিক। তিনি জানান, আন্দোলনকারীরা শুরু থেকেই তিনটি প্রধান দাবি জানিয়ে আসছেন-
১. ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ।
২. বিশেষ করে গত ২০ জুলাইয়ের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া অন্যায় পুলিশি পদক্ষেপ ও দমনপীড়নের জবাবদিহিতা।
৩. পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার অচলাবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা; কারণ একটি নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার মূল দায়িত্ব সরকারেরই।
শিক্ষা খাতের আকাশচুম্বী ব্যয়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ভারত সরকার পুরো বাজেটে শিক্ষা খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করে, কেবল একটি পরীক্ষার পেছনেই দেশের পরিবারগুলো প্রায় সমপরিমাণ অর্থ খরচ করতে বাধ্য হয়, যা প্রতিটি শিক্ষার্থী ও পরিবারের জন্য এক চরম অপমান।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা এখন সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। সরকার বাজেটে শিক্ষা খাতে যেখানে ১.৪ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়, সেখানে কেবল ‘নিট’ পরীক্ষার পেছনেই শিক্ষার্থীদের ১.৩২ লাখ কোটি টাকা খরচ হয়ে যায়। সাধারণ পরিবারের এই বিপুল অর্থনৈতিক ত্যাগকে কেন্দ্র সরকারের অবহেলা করা উচিত নয় বলে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

নয়াদিল্লির ইন্দিরা ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে গত এক দশকে ১৫২ বার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, হিসাব করলে দেখা যায় প্রতি মাসে গড়ে একটিরও বেশি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটছে। ফলে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর মানসিক চাপ, কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগের কোনো মূল্যায়ন হচ্ছে না।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে নয়াদিল্লির ইন্দিরা ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা। বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও কেন্দ্রীয় সরকারের এ বিষয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই বলে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন।
রাহুল গান্ধী বলেন, ধারাবাহিক প্রশ্নফাঁসের ফলে দেশের প্রায় সাড়ে সাত কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা, যারা নিজেদের সারা জীবনের সঞ্চয় ও স্বপ্ন সন্তানদের শিক্ষার পেছনে বিনিয়োগ করেন, তারা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
সরকারের চরম নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর ঘটনা ঘটলেও এ পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত বা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়নি।’ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারতের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ অর্থাৎ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করছে বলেও অভিযোগ করেন রাহুল গান্ধী।
সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা স্পষ্ট করে বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা যা করছে তাতে তাদের কোনো দোষ নেই এবং সরকারের কাছে উপস্থাপন করা তাদের প্রধান তিনটি দাবিই পুরোপুরি যৌক্তিক। তিনি জানান, আন্দোলনকারীরা শুরু থেকেই তিনটি প্রধান দাবি জানিয়ে আসছেন-
১. ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ।
২. বিশেষ করে গত ২০ জুলাইয়ের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া অন্যায় পুলিশি পদক্ষেপ ও দমনপীড়নের জবাবদিহিতা।
৩. পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার অচলাবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা; কারণ একটি নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার মূল দায়িত্ব সরকারেরই।
শিক্ষা খাতের আকাশচুম্বী ব্যয়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ভারত সরকার পুরো বাজেটে শিক্ষা খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করে, কেবল একটি পরীক্ষার পেছনেই দেশের পরিবারগুলো প্রায় সমপরিমাণ অর্থ খরচ করতে বাধ্য হয়, যা প্রতিটি শিক্ষার্থী ও পরিবারের জন্য এক চরম অপমান।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা এখন সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। সরকার বাজেটে শিক্ষা খাতে যেখানে ১.৪ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়, সেখানে কেবল ‘নিট’ পরীক্ষার পেছনেই শিক্ষার্থীদের ১.৩২ লাখ কোটি টাকা খরচ হয়ে যায়। সাধারণ পরিবারের এই বিপুল অর্থনৈতিক ত্যাগকে কেন্দ্র সরকারের অবহেলা করা উচিত নয় বলে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মিছিল চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে এসআইটি গঠনের দাবিতে করা দুটি আবেদনের শুনানি বুধবার (২২ জুলাই) দিল্লি হাইকোর্টে শুরু হয়েছে।
আবেদনকারীদের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, পুলিশ কোনো সতর্কতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগ করে। বিক্ষোভ চলাকালে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে অতিরিক্ত ডিসিপি সন্দীপ লাম্বাকে আদালতে তলব করারও আবেদন জানান তারা।
অন্যদিকে দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে। পুলিশের দাবি, শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে। তাদের কাছে এমন ভিডিও রয়েছে, যেখানে পুলিশ সদস্যদের আহত হতে এবং বিক্ষোভকারীদের পাথর ছুড়তে দেখা যায়। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে বলে আদালতে জানায় পুলিশ।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মিছিল চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে এসআইটি গঠনের দাবিতে করা দুটি আবেদনের শুনানি বুধবার (২২ জুলাই) দিল্লি হাইকোর্টে শুরু হয়েছে।
আবেদনকারীদের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, পুলিশ কোনো সতর্কতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগ করে। বিক্ষোভ চলাকালে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে অতিরিক্ত ডিসিপি সন্দীপ লাম্বাকে আদালতে তলব করারও আবেদন জানান তারা।
অন্যদিকে দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে। পুলিশের দাবি, শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে। তাদের কাছে এমন ভিডিও রয়েছে, যেখানে পুলিশ সদস্যদের আহত হতে এবং বিক্ষোভকারীদের পাথর ছুড়তে দেখা যায়। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে বলে আদালতে জানায় পুলিশ।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

সোনম ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নফাঁস ও লাদাখকে পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের স্বীকৃতির দাবিতে টানা ২৫ দিন ধরে অনশনে থাকা খ্যাতনামা পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক অবশেষে অনশন প্রত্যাহার করতে পারেন। গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালের আইসিইউতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে তার রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সূত্রে এই খবর সামনে এসেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হঠাৎ মেদান্ত হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পৌঁছান। প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী এই বৈঠকের সময় আইসিইউতে উপস্থিত সমস্ত চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের বাইরে চলে যেতে বলা হয়েছিল।
বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করা হলেও বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, লাদাখকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতাভুক্ত করা, পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা প্রদান ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই মন্ত্রীর কাছে পুনরায় দাবি তুলে ধরেন সোনম।
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এসব দাবির কিছু অংশে ইতিবাচক আশ্বাস বা সবুজ সংকেত মিললে অনশন তুলে নেওয়ার ব্যাপারে নিজের সম্মতি প্রকাশ করেছেন এই পরিবেশকর্মী।
অনশনের ২১তম দিনে সোনম ওয়াংচুককে পুলিশ জোরপূর্বক দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। তবে দিল্লি হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে তিনি নিজের পছন্দের বেসরকারি মেদান্ত হাসপাতালে স্থানান্তরিত হওয়ার অনুমতি পান। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় তাকে মেদান্ত হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
দীর্ঘ ২৫ দিন টানা অনাহারে থাকার ফলে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শরীরের সমস্ত সঞ্চিত শর্করা ও চর্বি শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন পেশির প্রোটিন ক্ষয় হতে শুরু করেছে এবং দ্রুত ওজন কমছে। হঠাৎ খাবার গ্রহণ করলে ‘রিফিডিং সিন্ড্রোম’-এর মতো মারাত্মক মেডিকেল জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বর্তমানে একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক তার সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রার ওপর নজর রাখছেন। বুধবার রক্তের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সন্তোষজনক এলে তাকে বিকেলের পর আইসিইউ থেকে সাধারণ কেবিনে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে মেদান্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সোনম ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নফাঁস ও লাদাখকে পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের স্বীকৃতির দাবিতে টানা ২৫ দিন ধরে অনশনে থাকা খ্যাতনামা পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক অবশেষে অনশন প্রত্যাহার করতে পারেন। গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালের আইসিইউতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে তার রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সূত্রে এই খবর সামনে এসেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হঠাৎ মেদান্ত হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পৌঁছান। প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী এই বৈঠকের সময় আইসিইউতে উপস্থিত সমস্ত চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের বাইরে চলে যেতে বলা হয়েছিল।
বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করা হলেও বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, লাদাখকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতাভুক্ত করা, পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা প্রদান ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই মন্ত্রীর কাছে পুনরায় দাবি তুলে ধরেন সোনম।
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এসব দাবির কিছু অংশে ইতিবাচক আশ্বাস বা সবুজ সংকেত মিললে অনশন তুলে নেওয়ার ব্যাপারে নিজের সম্মতি প্রকাশ করেছেন এই পরিবেশকর্মী।
অনশনের ২১তম দিনে সোনম ওয়াংচুককে পুলিশ জোরপূর্বক দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। তবে দিল্লি হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে তিনি নিজের পছন্দের বেসরকারি মেদান্ত হাসপাতালে স্থানান্তরিত হওয়ার অনুমতি পান। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় তাকে মেদান্ত হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
দীর্ঘ ২৫ দিন টানা অনাহারে থাকার ফলে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শরীরের সমস্ত সঞ্চিত শর্করা ও চর্বি শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন পেশির প্রোটিন ক্ষয় হতে শুরু করেছে এবং দ্রুত ওজন কমছে। হঠাৎ খাবার গ্রহণ করলে ‘রিফিডিং সিন্ড্রোম’-এর মতো মারাত্মক মেডিকেল জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বর্তমানে একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক তার সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রার ওপর নজর রাখছেন। বুধবার রক্তের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সন্তোষজনক এলে তাকে বিকেলের পর আইসিইউ থেকে সাধারণ কেবিনে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে মেদান্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
.png)
