তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট স্থগিত

ইরানের রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার বরাত দিয়ে আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ফ্লাইট ওঠানামা ও বিমানবন্দরটির যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
এর আগে স্থানীয় সময় রোববার (৭ জুন) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েল বলছে, ইরান থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
আইআরজিসি বলেছে, এই ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিই ছিল দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ‘আগ্রাসনের উৎস’।
আইআরজিসির বরাতে জানা গেছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) হামলার জবাব দিতে উত্তর ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসিন রেজায়ি বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান বারবার বলেছে যে, তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সহ্য করবে না। আজ রাতে আমরা আগ্রাসনকারীদের জবাব দিলাম।
তিনি আরও বলেন, এ জবাব শুধুমাত্র একটি সতর্কবার্তা। অশুভ শক্তি যদি এই সতর্কবার্তা আমলে না নেয়, পরবর্তী আঘাত হবে আরও ব্যাপক এবং এজন্য আগ্রাসনকারীদের চড়া মূল্য দিতে হবে।
অন্যদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি রাজনীতিবিদ এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন গিভর এক এক্সবার্তায় বলেছেন, তেহরানকে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে।
