
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমে ১১ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অগ্রগতির আশায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে এই পতন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে কয়েক দফা দাম বাড়ার পর এবার এক দিনেই দুই দফা কমলো তেলের দাম।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৯ মিনিটে নভেম্বরের ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ২ শতাংশ বা ২ দশমিক ১২ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ১০১ দশমিক ৭৫ ডলারে নেমে আসে।
এদিকে অক্টোবরের ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২ শতাংশ বা ১ দশমিক ৯৬ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়ায়। মঙ্গলবার মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া ডব্লিউটিআইয়ের নভেম্বর চুক্তির দাম ছিল ৯৪ দশমিক ১৬ ডলার।
এর আগে, একই দিন বাংলাদেশ সময় সকালে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৮১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ দশমিক ০৬ ডলারে নেমে আসে। ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৮৯ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়ায়।
রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরকে নতুন করে হামলা ও পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী। পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘মনে হচ্ছে, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ প্রশমনের একটি কূটনৈতিক পথ তৈরি হতে পারে, এই আশায় তেলের দাম থেকে ঝুঁকি প্রিমিয়ামের একটি অংশ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
শনিবার আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাই বলেন, আলোচনায় পুনরায় অংশ নিতে ইরান মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তাদের শর্তগুলো জানিয়েছে।
