মেহেরপুর হাসপাতালে চুরির অভিযোগে ৬ নারী আটক

মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চুরি ও পকেটমারের অভিযোগে ছয় নারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে হাসপাতালের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা তাদের মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
আটকরা হলেন রুমি (১৭), মনিকা (১৭), মনোয়ারা (১৮), সীমা (১৬), রহিমা (৩৫) ও আফরোজা (৬০)।
পুলিশ জানায়, তাদের বাড়ি জামালপুর জেলায়। তবে বর্তমানে তারা মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, হাসপাতালে ভর্তি রোগী জান্নাতুল খাতুনকে দেখতে সকালে হাসপাতালে আসেন তার স্বজন রনি খাতুন। সঙ্গে থাকা দুই বছর বয়সি শিশুকে নিয়ে হাসপাতালের লিফটে করে ষষ্ঠতলা থেকে নিচে নামার সময় শিশুর হাতে থাকা একটি স্বর্ণের বালা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর একই হাসপাতালে অন্য এক রোগীর পকেট থেকে টাকা চুরির চেষ্টার সময় সন্দেহভাজন ওই ছয় নারীকে হাতেনাতে ধরেন উপস্থিত জনতা। পরে তাদের আনসার সদস্যদের জিম্মায় দেওয়া হয়।
হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা জানান, আটক নারীদের দেহ তল্লাশি করে চুরি হওয়া টাকা বা স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, চুরির পরপরই মালামালগুলো চক্রের সঙ্গে থাকা পুরুষ সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং তারা সটকে পড়ে। তবে আটক নারীদের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ফোনটির কললিস্ট বিশ্লেষণ করলে এই সংঘবদ্ধ চক্রটির মূল হোতাদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রায়শই রোগী ও তাদের স্বজনরা চুরি ও পকেটমারের শিকার হন। তবে চক্রের সদস্যরা বরাবরই অধরা থেকে যায়।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, অভিযুক্তদের থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.png)






