
সদরঘাট নদীবন্দর ও বাদামতলীর ফলের আড়ত ঘিরে হাজারো মানুষের জীবিকা চলে। তাদের অনেকে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী। পরিবার গ্রামে থাকায় এসব মানুষের ঢাকায় থাকার জায়াগা নেই। সারা দিন কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে রাতে মাথা গোঁজার ঠাঁই খোঁজেন তারা। এসব মানুষের জন্য বুড়িগঙ্গার বুকে নোঙর করা পুরোনো লঞ্চের ছোট্ট একটি কেবিনই হ

গ্রামীণ পরিবেশের নির্জনতায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এক দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। দূর থেকে দেখলে মনে হতে পারে, এটি কোনো রাজপ্রাসাদ কিংবা প্রাচীন জমিদারবাড়ি। কাছে গেলে চোখে পড়ে সারি সারি গম্বুজ, রঙিন কাচের জানালা আর কাঠের কারুকার্যময় দরজা। ধর্মীয় আবহের সঙ্গে স্থাপত্যের নান্দনিক মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই স্থাপন

একসময় কোনো পণ্যের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই শোনা যেত ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য—‘এটা বুঝি মেইড ইন জিনজিরা!’ সময়ের বিবর্তনে সেই নেতিবাচক ধারণা এখন অতীত ইতিহাস। ঢাকার পাশেই বুড়িগঙ্গা নদীর ওপারে অবস্থিত কেরানীগঞ্জের জিনজিরা আজ দেশের ক্ষুদ্র, কুটির ও হালকা প্রকৌশল (লাইটিং ইঞ্জিনিয়ারিং) শিল্পের এক অন্যতম প্রাণ

দেশের কৃষিক্ষেত্রে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলছে উচ্চ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ মাশরুম চাষ। কম খরচ, স্বল্প জায়গা এবং নূন্যতম পুঁজিতে অধিক লাভের সুযোগ থাকায় শিক্ষিত বেকার তরুণদের কাছে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের গেজুরবাগ এলাকায় মাশরুম চাষ করে সফলতার নজির গড়েছেন রাজি

ঝকঝকে নীল আকাশে ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘের ভেলা আর বাতাসে দুলতে থাকা শুভ্র কাশফুল। প্রকৃতি যেন নিজেই জানান দিচ্ছে শরতের আগমনী বার্তা। শরতের এই অপরূপ সৌন্দর্যে সেজেছে কেরানীগঞ্জের মাঠঘাট, নদীতীর ও চরাঞ্চল। দিগন্তজোড়া কাশবনের টানে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ। কেরানীগঞ্জের সারিঘাট, র